খুঁজুন
                               
, ,
           

নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: ড. ইউনূস

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, এই জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইউনূস বলেন, ‘পথ হারিয়ে ফেললে এই জাদুঘরে এসে আবার পথ খুঁজে নেওয়া যাবে। চিন্তা ও কর্মে কোনো বিচ্যুতি দেখা দিলে এখানকার ইতিহাস, স্মৃতি ও আত্মত্যাগের গল্প নতুন করে দিকনির্দেশনা দেবে। পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেব। আমাদের চিন্তায় যদি কোনো গাফিলতি আসে, এখান থেকেই তার ঠিকানা খুঁজে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করব।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের জাদুঘর থাকলেও এই জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য আলাদা। কারণ, এখানে বহু বছর পর ইতিহাস সংগ্রহ করা হয়নি; বরং গণঅভ্যুত্থান চলাকালেই ঘটনাগুলোর দলিল, আলোকচিত্র, ব্যবহৃত সামগ্রী, নিদর্শন ও মানুষের অনুভূতি সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এতে ইতিহাস বিকৃত হওয়ার সুযোগ কমে যাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সত্যিকার ঘটনার ধারাবাহিকতা জানতে পারবে।’

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘অনেক তরুণ কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লিখে গেছেন। কেন তারা রাজপথে নেমেছিলেন, কী স্বপ্ন নিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন, সেই অনুভূতিগুলোও জাদুঘরে সংরক্ষিত হয়েছে। এসব দলিল আগামী প্রজন্মকে নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি তরুণ যেন এসব চিঠির লেখকদের মতো সাহস, দায়বদ্ধতা ও দেশপ্রেম ধারণ করতে পারে, সেটিই প্রত্যাশা। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী ও নাগরিককে অন্তত একবার জাদুঘরটি পরিদর্শনের আহ্বান জানান তিনি। এটি শুধু ঘুরে দেখার জায়গা নয়; বরং নিজের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবারও একটি স্থান।’

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ভবিষ্যতে এই জাদুঘর সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত, চিত্রকলা এবং অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেরও একটি প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে। এখানে এসে মানুষ অতীতের ইতিহাস জানবে, একই সঙ্গে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণাও পাবে।’

জাদুঘরে নির্মিত প্রতীকী কবরগুলোর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শহীদের পরিচয়, আত্মত্যাগ ও জীবনকাহিনি সংরক্ষিত থাকবে। এতে মানুষ জানতে পারবে, কীভাবে এবং কেন তারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তারা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলেন না। তারা ছিলেন সাধারণ পরিবারের সাধারণ ছেলে-মেয়ে। তারা বিশ্বাস করতেন, এই বাংলাদেশ আর আগের মতো চলতে পারে না। তাই নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই তারা রাজপথে নেমেছিলেন।’

জাদুঘর নির্মাণে সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘প্রতিটি নিদর্শন সংগ্রহে দীর্ঘ সময়, শ্রম ও নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। সেই আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই দেশের মানুষের সামনে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।’

জাদুঘর নির্মাণ ও উদ্বোধনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শন করবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

বিশ্ব বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য দেখাচ্ছে সোনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওসের নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। টম হল্যান্ড অভিনীত এই সুপারহিরো চলচ্চিত্রটি মুক্তির মাত্র ছয় দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) মার্কিন ডলার আয়ের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্র ব্যবসার ইতিহাসে এত অল্প সময়ে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের নজির এর আগে কেবল ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল। এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় প্রায় ৯৩২ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

টম হল্যান্ডের একক স্পাইডার-ম্যান সিরিজের চতুর্থ কিস্তি এবং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)-এর ৩৮তম চলচ্চিত্রটির সাফল্যে উচ্ছ্বসিত নির্মাতারা। মার্ভেল স্টুডিওসের প্রেসিডেন্ট ও প্রযোজক কেভিন ফাইগি ভ্যারাইটিকে বলেন, “আমি সত্যিই আশা করিনি যে ‘এন্ডগেম’-এর রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে। আমাদের সিনেমাটি সেই জায়গায় পৌঁছেছে দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সোমবার সকালে এমন এক অর্জনের মুখোমুখি হওয়াটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি।”

চলচ্চিত্রটি দর্শকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কয়েক সপ্তাহে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেমা মুক্তি না থাকায় বিশ্লেষকদের ধারণা, স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ খুব দ্রুতই ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের ক্লাবে প্রবেশ করতে পারে। এমনকি প্রদর্শনী শেষ হওয়ার আগেই এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রগুলোর তালিকায় শীর্ষস্থানীয় অবস্থান দখল করবে বলেও আলোচনা চলছে।

কালের আলো/এসএ

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কর্নেল অলি

আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, ‘আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায় না। তারাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কর্নেল অলি বলেন, ‘বিগত কয়েক মাস ধরে আমি বারবার প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি বিভেদ সৃষ্টি না করতে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন না, যেখান থেকে আপনাদের পতন শুরু হবে। গতকাল দেশের তিনটি জায়গায় যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেটিই প্রমাণ করে আপনার দলের ভেতরেই এমন লোক রয়েছে, যারা আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বারবার বলেছি, ষড়যন্ত্রকারীরা আপনার চারপাশেই অবস্থান করছে। আপনার দলের ভেতরে যারা দালাল রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করুন। আমাদের কাছ থেকে আপনার কোনো বিপদ নেই, বিপদ আপনার নিজের ঘরের দালালদের কাছ থেকেই আসবে।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে এলডিপি সভাপতি বলেন, ‘১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া জামায়াতের সহযোগিতায় সরকার গঠন করেছিলেন। তাহলে কি বেগম জিয়া রাজাকার ছিলেন? বিএনপি কি রাজাকার ছিল?’

তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালে জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করেছে। আবার ২০০১ সালে বিএনপির মন্ত্রিসভায় জামায়াতের নেতারা ছিলেন। আমি কিন্তু সেই মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলাম না। তাহলে সেটিকে কি রাজাকারের মন্ত্রিসভা বলা হবে?’

কর্নেল অলি বলেন, ‘আমি জামায়াতে যোগদান করিনি। আমরা যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে চাই, বিদেশি প্রভাবমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই এবং ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এতে কারও অস্বস্তি হওয়ার কোনো কারণ দেখি না।’

তিনি দাবি করেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে বিভক্ত করে শাসনের রাজনীতি এ দেশের জন্য নয়। আমরা সুশাসন চাই, ন্যায়বিচার চাই এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। আমরা চাই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকুক এবং বিদেশি প্রভাব থেকে বাংলাদেশ মুক্ত থাকুক।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের মানুষ একসময় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু পরে বিএনপি বলেছে, তারা এই সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। এরপরও আমরা মনে করি, জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখতে পুরো জাতির ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।’

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করুন, দেশটিকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। সেই সহযোগিতা হবে সমতার ভিত্তিতে একটি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য।’

দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে কর্নেল অলি বলেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, রাজধানীর সড়ক হকারদের দখলে চলে গেছে। আপনারা যদি নিজেদের দলের হকারদেরই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে ১৮ কোটি মানুষকে কীভাবে সামলাবেন? আগে ঢাকা শহর পরিষ্কার করুন, তারপর মানুষ বিশ্বাস করবে যে আপনারা সত্যিই জনগণের কল্যাণে কাজ করতে এসেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ইরানের দিকে তাকান। তারা ঈমানের শক্তিতে বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে, ঈমানের সঙ্গে মোকাবিলা করা যায় না। বেইমান ও মুনাফেকদের দিয়ে দেশের কখনো মঙ্গল হবে না।’

সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ সমাবেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় ঐক্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দাবি নিয়ে বক্তব্য দেন তারা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

‘রামলীলা’র আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল দিয়েছিলেন দীপিকা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
‘রামলীলা’র আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল দিয়েছিলেন দীপিকা

বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন মানেই মার্জিত ব্যক্তিত্ব ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি। তবে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘গোলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’ ছবির শুটিং শুরুর আগে চরিত্রের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিজের স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অনুশীলন করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী ও অভিনয় প্রশিক্ষক জয়তী ভাটিয়া।

জয়তী ভাটিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাম-লীলা’ ছবিতে অভিনয়ের আগে দীপিকাকে চরিত্রের জন্য প্রস্তুত করার দায়িত্ব ছিল তার ওপর। উদ্দেশ্য ছিল অভিনেত্রীর স্বাভাবিক লাজুক ও সংযত ব্যক্তিত্বের গণ্ডি ভেঙে তাকে আরও সাহসী ও স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলা। এ জন্য পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির নির্দেশনায় সাত দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।

ওয়ার্কশপের একটি অনুশীলনে দীপিকাকে বানসালির অফিসের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কোনো ধরনের সংকোচ না রেখে জোরে জোরে গালাগাল দিতে বলা হয়। জয়তী জানান, শুরুতে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও পরে দীপিকা নিজেকে পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেন।

জয়তী ভাটিয়া বলেন, “আমি যেখানে থামতে বলেছিলাম, দীপিকা সেখানে থামেনি। এমন সব গালাগাল দিতে শুরু করেছিল, যা আমি জীবনে কখনো শুনিনি। মনে হয়েছিল, দীর্ঘদিনের জমে থাকা সব ক্ষোভ এক মুহূর্তে বেরিয়ে এসেছে। আমি শুধু মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম।”

তিনি আরও জানান, ওয়ার্কশপ চলাকালেই তার মনে হয়েছিল ‘ককটেল’ ছবির সাফল্যের পর দীপিকা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও নির্ভীক হয়ে উঠেছেন। তাই নির্ধারিত সাত দিনের পরিবর্তে চার দিনেই প্রশিক্ষণ শেষ করে শুটিং শুরু করার পরামর্শ দেন তিনি।

জয়তী ভাটিয়া আরও দাবি করেন, ওই সময় দীপিকা ব্যক্তিগত জীবনে তীব্র মানসিক অবসাদ (ডিপ্রেশন)-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সেই কঠিন সময়ের কোনো প্রভাব তিনি কাজের জায়গায় পড়তে দেননি। বরং পুরো শুটিংজুড়েই পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এই বলিউড তারকা।

কালের আলো/এসএ