খুঁজুন
                               
, ,
           

ঈদে মিলাদুন্নবী কবে, জানা যাবে সন্ধ্যায়

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
ঈদে মিলাদুন্নবী কবে, জানা যাবে সন্ধ্যায়

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়। রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা এবং ঈদে মিলাদুন্নবীর (স.) তারিখ নির্ধারণে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় (বাদ মাগরিব) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (১২ আগস্ট) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৭টায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নির্ধারিত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক কিংবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

চাঁদ দেখার সংবাদ জানাতে টেলিফোন নম্বরগুলো হলো-০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শতবর্ষে মহানায়ক উত্তম কুমার, আজও বাঙালির হৃদয়ে অমর

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
শতবর্ষে মহানায়ক উত্তম কুমার, আজও বাঙালির হৃদয়ে অমর

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবার্ষিকী আজ। ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কলকাতায় জন্ম নেওয়া এই অভিনেতা তাঁর অনন্য অভিনয়, হাসিমাখা মুখ ও মোহময় পর্দা-উপস্থিতির মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মের দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।

উত্তম কুমারের প্রকৃত নাম অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। তিনি ছিলেন সতকারী চট্টোপাধ্যায় ও চাপলা দেবীর জ্যেষ্ঠ সন্তান। ১৯৪৮ সালে ‘দৃষ্টিদান’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন তিনি। ‘মায়াডোর’ ছিল তাঁর প্রথম নায়ক হিসেবে অভিনীত চলচ্চিত্র, যদিও এটি মুক্তি পায়নি। পরে ‘বসু পরিবার’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

‘সাড়ে চুয়াত্তর’ চলচ্চিত্রে সুচিত্রা সেনের বিপরীতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি উত্তম-সুচিত্রার পথচলা। তাঁদের পর্দার রসায়ন ও অভিনয় দর্শকদের কাছে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়।

‘হারানো সুর’, ‘পথে হলো দেরি’, ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘বিপাশা’, ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সাগরিকা’ ও ‘সপ্তপদী’সহ তাঁদের বহু সিনেমা আজও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে উত্তম কুমার দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে বদলে নিয়ে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’, ‘নায়ক’, ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘সপ্তপদী’, ‘ঝিন্দের বন্দী’, ‘হারানো সুর’, ‘সাগরিকা’, ‘চৌরঙ্গী’, ‘নিশিপদ্ম’, ‘বন পলাশীর পদাবলী’ এবং ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে।

সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন উত্তম কুমার। ‘নায়ক’ চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় আজও বাংলা সিনেমার অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনয় হিসেবে বিবেচিত। ‘চিড়িয়াখানা’য় তিনি গোয়েন্দা ব্যোমকেশ বক্সীর চরিত্রেও অভিনয় করেন।

বাংলার পাশাপাশি হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য হিন্দি সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘অমানুষ’, ‘ছোটি সি মুলাকাত’ ও ‘আনন্দ আশ্রম’।

অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীতের প্রতিও উত্তম কুমারের গভীর আগ্রহ ছিল। নিজের অভিনীত চলচ্চিত্রে তিনি কয়েকটি গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন।

দেবকী কুমার বসু পরিচালিত ‘নবজন্ম’ চলচ্চিত্রে ১৯৫৬ সালে নচিকেতা ঘোষের সুরে তিনি ছয়টি গান গেয়েছিলেন। এর মধ্যে ‘কানু কহে রাই, কহিতে ডরাই’ এবং ‘আমি আঙুল কাটিয়া’ উল্লেখযোগ্য।

অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে উত্তম কুমার পেয়েছেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার। ১৯৬৭ সালে ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’ ও ‘চিড়িয়াখানা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। সে সময় এই পুরস্কার ‘ভারত পুরস্কার’ নামে পরিচিত ছিল।

এর আগে ১৯৫৭ সালে অজয় কর পরিচালিত ‘হারানো সুর’-এ অভিনয়ের জন্য তিনি পেয়েছিলেন প্রেসিডেন্টস সার্টিফিকেট অব মেরিট।

উত্তম কুমার গৌরী দেবীকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের একমাত্র সন্তান গৌতম চট্টোপাধ্যায় পরবর্তীতে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ৫৩ বছর বয়সে মারা যান। উত্তম কুমারের একমাত্র নাতি অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়।

১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন মহানায়ক উত্তম কুমার। জীবনের শেষ ১৭ বছর অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন তিনি।

মৃত্যুর চার দশকেরও বেশি সময় পরও উত্তম কুমারের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। তাঁর সিনেমা এখনো দর্শক দেখে, তাঁর অভিনয় নিয়ে আলোচনা হয় এবং বাংলা জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে তাঁর উপস্থিতি এখনো গভীরভাবে অমলিন।

শতবর্ষে এসেও তাই উত্তম কুমার শুধু একজন অভিনেতার নাম নন—তিনি বাঙালির চলচ্চিত্র-স্মৃতি, আবেগ ও ভালোবাসার এক চিরন্তন প্রতীক।

কালের আলো/এসএ

নিলামে বিক্রি হওয়া সম্পত্তিতে ১৫% ভ্যাট আরোপ অবৈধ: হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
নিলামে বিক্রি হওয়া সম্পত্তিতে ১৫% ভ্যাট আরোপ অবৈধ: হাইকোর্ট

অর্থঋণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক নিলামে বিক্রি হওয়া স্থাবর সম্পত্তির মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপ অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীর ও বিচারপতি জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। মঙ্গলবার আদালত রায় দিলেও বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিলাম ক্রেতাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব।

মামলার নথি অনুযায়ী, একটি ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অর্থঋণ আদালতে মামলা করে। পরে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৩(১) ধারার অধীনে ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা সম্পত্তি নিলামে তোলে।

নিলামে আবেদনকারীরা সর্বোচ্চ ২৪ কোটি টাকা দর দিয়ে সম্পত্তিটি কিনে নেন। তাদের দর অনুমোদনের পর সম্পূর্ণ অর্থ জমা দেওয়া হলেও অর্থঋণ আদালত নিলামমূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প ডিউটি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

ওই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে নিলাম ক্রেতারা হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে আদালত রুল ও সম্পূরক রুল চূড়ান্ত ঘোষণা করে রায় দেন।

রায়ে হাইকোর্ট বলেন, নিলাম ক্রেতাদের নিলামমূল্যের ওপর উৎসে ১৫ শতাংশ ভ্যাট পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে অর্থঋণ আদালত যে আদেশ দিয়েছিল, তা আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং এর কোনো আইনগত কার্যকারিতা নেই।

একই সঙ্গে স্থাবর সম্পত্তির ক্রেতাকে ‘পণ্যের নিলাম ক্রেতা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা বিতর্কিত এসআরওর সংশ্লিষ্ট অংশকেও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেন আদালত।

আইনজীবীদের মতে, এই রায়ের ফলে অর্থঋণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক নিলামে কেনা স্থাবর সম্পত্তির মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের সুযোগ থাকছে না। দেশের বিভিন্ন অর্থঋণ আদালতে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য পরিচালিত বিচারিক নিলাম এবং নিলামে স্থাবর সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে এ রায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

দেশে ড্রোন উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
দেশে ড্রোন উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার

সাইবার হামলা, ড্রোন প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো নতুন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা আসন-২-এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সমুদ্রে নজরদারি ও পরিস্থিতিগত সচেতনতা বাড়ানোর জন্যও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং ইন এইড টু দ্য সিভিল’-এর আওতায় বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটকালীন সময়ে অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে সশস্ত্র বাহিনী।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮-এর ১২৯ ধারার আওতায় সশস্ত্র বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

সরকারের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো আধুনিক ক্ষেত্রেও দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি