খুঁজুন
                               
, ,
           

নেইমারকে ‘জোকার’ বললেন রেমো সভাপতি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
নেইমারকে ‘জোকার’ বললেন রেমো সভাপতি

কোপা দো ব্রাজিলের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে রেমোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সান্তোস। তবে ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে নেইমার ও রেমোর সমর্থক-কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়।

ম্যাচটি ছিল রেমোর মাঠে। শুরু থেকেই গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকরা নেইমারকে লক্ষ্য করে কটূক্তি করতে থাকেন। এস্তাদিও এস্তাদুয়াল জর্নালিস্তা এডগার অগাস্টো প্রোয়েনসা স্টেডিয়ামে তারা বারবার চিৎকার করে বলেন, “জাহান্নামে যাও, নেইমার।” জবাবে তখন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি ব্রাজিলিয়ান তারকা; শুধু হাত নেড়ে সমর্থকদের উদ্দেশে ইঙ্গিত করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে সান্তোসের একমাত্র গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন নেইমার। ৭৪ মিনিটে রুনির গোলে সহায়তা করে দলকে ১-০ ব্যবধানে জয় এনে দেন তিনি। এই জয়ের সুবাদে দুই লেগ মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে সান্তোস।

তবে ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মাঠ ছাড়ার সময় নেইমার গ্যালারির দিকে তাকিয়ে কিছু মন্তব্য করেন এবং দুই হাত তুলে নাচতে নাচতে বলতে থাকেন, “তোমাদের বিদায় হয়েছে, বিদায় হয়েছে।” এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন রেমোর সমর্থকরা।

পরিস্থিতির উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে মিক্সড জোনেও। সেখানে রেমোর কয়েকজন কর্মকর্তা ও সমর্থক নেইমারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উত্তেজিত সমর্থকদের কেউ কেউ ব্যারিকেড অতিক্রম করারও চেষ্টা করেন। পরে স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় নেইমারের গাড়ি ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান রেমো সমর্থকদের একাংশ।

ঘটনার পর রেমো সভাপতি অ্যান্তোনিও কার্লোস টেইশেইরা (টনহাও) নেইমারের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “সান্তোসের এমন আচরণের কোনো প্রয়োজন ছিল না। নেইমার এখানে এসে আমাদের সমর্থকদের উসকে দিয়েছে। তার এই আচরণ মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।”

ম্যাচের শেষ দিকে সান্তোস ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগও পেয়েছিল। তবে একেবারে শেষ মুহূর্তে গোলরক্ষককে একা পেয়েও সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ৩৪ বছর বয়সী নেইমার। তবু ১-০ ব্যবধানের জয়ই সান্তোসকে কোপা দো ব্রাজিলের শেষ আটে পৌঁছে দিতে যথেষ্ট ছিল।

কালের আলো/এসএ

মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

বিশ্ব বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য দেখাচ্ছে সোনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওসের নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। টম হল্যান্ড অভিনীত এই সুপারহিরো চলচ্চিত্রটি মুক্তির মাত্র ছয় দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) মার্কিন ডলার আয়ের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্র ব্যবসার ইতিহাসে এত অল্প সময়ে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের নজির এর আগে কেবল ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল। এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় প্রায় ৯৩২ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

টম হল্যান্ডের একক স্পাইডার-ম্যান সিরিজের চতুর্থ কিস্তি এবং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)-এর ৩৮তম চলচ্চিত্রটির সাফল্যে উচ্ছ্বসিত নির্মাতারা। মার্ভেল স্টুডিওসের প্রেসিডেন্ট ও প্রযোজক কেভিন ফাইগি ভ্যারাইটিকে বলেন, “আমি সত্যিই আশা করিনি যে ‘এন্ডগেম’-এর রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে। আমাদের সিনেমাটি সেই জায়গায় পৌঁছেছে দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সোমবার সকালে এমন এক অর্জনের মুখোমুখি হওয়াটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি।”

চলচ্চিত্রটি দর্শকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কয়েক সপ্তাহে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেমা মুক্তি না থাকায় বিশ্লেষকদের ধারণা, স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ খুব দ্রুতই ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের ক্লাবে প্রবেশ করতে পারে। এমনকি প্রদর্শনী শেষ হওয়ার আগেই এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রগুলোর তালিকায় শীর্ষস্থানীয় অবস্থান দখল করবে বলেও আলোচনা চলছে।

কালের আলো/এসএ

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কর্নেল অলি

আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, ‘আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায় না। তারাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কর্নেল অলি বলেন, ‘বিগত কয়েক মাস ধরে আমি বারবার প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি বিভেদ সৃষ্টি না করতে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন না, যেখান থেকে আপনাদের পতন শুরু হবে। গতকাল দেশের তিনটি জায়গায় যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেটিই প্রমাণ করে আপনার দলের ভেতরেই এমন লোক রয়েছে, যারা আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বারবার বলেছি, ষড়যন্ত্রকারীরা আপনার চারপাশেই অবস্থান করছে। আপনার দলের ভেতরে যারা দালাল রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করুন। আমাদের কাছ থেকে আপনার কোনো বিপদ নেই, বিপদ আপনার নিজের ঘরের দালালদের কাছ থেকেই আসবে।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে এলডিপি সভাপতি বলেন, ‘১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া জামায়াতের সহযোগিতায় সরকার গঠন করেছিলেন। তাহলে কি বেগম জিয়া রাজাকার ছিলেন? বিএনপি কি রাজাকার ছিল?’

তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালে জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করেছে। আবার ২০০১ সালে বিএনপির মন্ত্রিসভায় জামায়াতের নেতারা ছিলেন। আমি কিন্তু সেই মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলাম না। তাহলে সেটিকে কি রাজাকারের মন্ত্রিসভা বলা হবে?’

কর্নেল অলি বলেন, ‘আমি জামায়াতে যোগদান করিনি। আমরা যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে চাই, বিদেশি প্রভাবমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই এবং ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এতে কারও অস্বস্তি হওয়ার কোনো কারণ দেখি না।’

তিনি দাবি করেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে বিভক্ত করে শাসনের রাজনীতি এ দেশের জন্য নয়। আমরা সুশাসন চাই, ন্যায়বিচার চাই এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। আমরা চাই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকুক এবং বিদেশি প্রভাব থেকে বাংলাদেশ মুক্ত থাকুক।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের মানুষ একসময় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু পরে বিএনপি বলেছে, তারা এই সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। এরপরও আমরা মনে করি, জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখতে পুরো জাতির ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।’

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করুন, দেশটিকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। সেই সহযোগিতা হবে সমতার ভিত্তিতে একটি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য।’

দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে কর্নেল অলি বলেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, রাজধানীর সড়ক হকারদের দখলে চলে গেছে। আপনারা যদি নিজেদের দলের হকারদেরই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে ১৮ কোটি মানুষকে কীভাবে সামলাবেন? আগে ঢাকা শহর পরিষ্কার করুন, তারপর মানুষ বিশ্বাস করবে যে আপনারা সত্যিই জনগণের কল্যাণে কাজ করতে এসেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ইরানের দিকে তাকান। তারা ঈমানের শক্তিতে বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে, ঈমানের সঙ্গে মোকাবিলা করা যায় না। বেইমান ও মুনাফেকদের দিয়ে দেশের কখনো মঙ্গল হবে না।’

সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ সমাবেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় ঐক্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দাবি নিয়ে বক্তব্য দেন তারা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

‘রামলীলা’র আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল দিয়েছিলেন দীপিকা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
‘রামলীলা’র আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল দিয়েছিলেন দীপিকা

বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন মানেই মার্জিত ব্যক্তিত্ব ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি। তবে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘গোলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’ ছবির শুটিং শুরুর আগে চরিত্রের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিজের স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অনুশীলন করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী ও অভিনয় প্রশিক্ষক জয়তী ভাটিয়া।

জয়তী ভাটিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাম-লীলা’ ছবিতে অভিনয়ের আগে দীপিকাকে চরিত্রের জন্য প্রস্তুত করার দায়িত্ব ছিল তার ওপর। উদ্দেশ্য ছিল অভিনেত্রীর স্বাভাবিক লাজুক ও সংযত ব্যক্তিত্বের গণ্ডি ভেঙে তাকে আরও সাহসী ও স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলা। এ জন্য পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির নির্দেশনায় সাত দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।

ওয়ার্কশপের একটি অনুশীলনে দীপিকাকে বানসালির অফিসের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কোনো ধরনের সংকোচ না রেখে জোরে জোরে গালাগাল দিতে বলা হয়। জয়তী জানান, শুরুতে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও পরে দীপিকা নিজেকে পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেন।

জয়তী ভাটিয়া বলেন, “আমি যেখানে থামতে বলেছিলাম, দীপিকা সেখানে থামেনি। এমন সব গালাগাল দিতে শুরু করেছিল, যা আমি জীবনে কখনো শুনিনি। মনে হয়েছিল, দীর্ঘদিনের জমে থাকা সব ক্ষোভ এক মুহূর্তে বেরিয়ে এসেছে। আমি শুধু মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম।”

তিনি আরও জানান, ওয়ার্কশপ চলাকালেই তার মনে হয়েছিল ‘ককটেল’ ছবির সাফল্যের পর দীপিকা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও নির্ভীক হয়ে উঠেছেন। তাই নির্ধারিত সাত দিনের পরিবর্তে চার দিনেই প্রশিক্ষণ শেষ করে শুটিং শুরু করার পরামর্শ দেন তিনি।

জয়তী ভাটিয়া আরও দাবি করেন, ওই সময় দীপিকা ব্যক্তিগত জীবনে তীব্র মানসিক অবসাদ (ডিপ্রেশন)-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সেই কঠিন সময়ের কোনো প্রভাব তিনি কাজের জায়গায় পড়তে দেননি। বরং পুরো শুটিংজুড়েই পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এই বলিউড তারকা।

কালের আলো/এসএ