খুঁজুন
                               
, ,
           

ইনফান্তিনোর পদ টিকিয়ে রাখার লড়াই: মরক্কোয় জরুরি বৈঠক ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ণ
ইনফান্তিনোর পদ টিকিয়ে রাখার লড়াই: মরক্কোয় জরুরি বৈঠক ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ

বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনা বাতিল হওয়ার পর গভীর সংকটে পড়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। নিজের সভাপতি পদ ও বিভিন্ন সদস্যদেশের সমর্থন ধরে রাখতে আজ মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ফিফার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে এক জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তিনি।

জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রিন্স আলী বিন আল-হুসেইন ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি, ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনে সমর্থন দিলে জর্ডান ফুটবলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে ফিফা সহায়তা করবে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছিল, যা মূলত ‘ব্ল্যাকমেল’।

প্রিন্স আলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, “আগেও আমরা তাঁকে সমর্থন করিনি, এখনো করব না। পুরো বিষয় ব্ল্যাকমেলের শামিল, আর আমরা মাথা নত করব না।”

এছাড়া তিনি আরও কিছু বঞ্চনার অভিযোগ তোলেন:

ফিফা আরব কাপে রানার্সআপ হলেও জর্ডানের প্রাপ্য অর্থ এখনো পরিশোধ করেনি ফিফা।

মার্কিন বিশ্বকাপে টিকিট থাকা সত্ত্বেও অনেক জর্ডান সমর্থক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার প্রাইজমানিও যুক্তরাষ্ট্রের করের আওতায় ফেলা হয়েছে।

ইনফান্তিনোর জন্য চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে ফিফার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবস্থান:

আর্সেন ওয়েঙ্গার: ফিফার বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়নবিষয়ক প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার জানান, বিতর্কিত বিনিয়োগ পরিকল্পনাটি বাতিল করা অত্যন্ত জরুরি ছিল এবং এই পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আগে কিছুই জানতেন না।

ম্যাটিয়াস গ্রাফস্ট্রম: ফিফার মহাসচিব কর্মীদের কাছে পাঠানো ই-মেইলে সাম্প্রতিক এসব ঘটনাকে ‘দুঃখজনক ও নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করেছেন।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের সূত্রে জানা গেছে, ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা ২১১টি সদস্যদেশের কাছে সমর্থন চাইলেও খুব কম দেশই প্রকাশ্যে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে। এমনকি তাঁর দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরবও এখনো সমর্থনের ঘোষণা দেয়নি।

অন্যদিকে, উয়েফাভুক্ত দেশ ওয়েলস, ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও সার্বিয়াসহ বেশ কয়েকটি সদস্যদেশ ইতিমধ্যে ইনফান্তিনোর প্রতি দেওয়া সমর্থনপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আগামী বছরের মার্চে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা সভাপতি নির্বাচনের আগে এই চলমান সংকট ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

তারা নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন রাজপথে দেখা হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
তারা নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন রাজপথে দেখা হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রধান গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন বলে তাদের অ্যাক্টিভিস্টদের প্রচারণার জবাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘তারা বলে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবে। আমরা অপেক্ষা করে আছি, দেশে আসেন।

ইনশাল্লাহ রাজপথে দেখা হবে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণঅভ্যুত্থানে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা তো আওয়ামী লীগ হতে পারবো না, হতেও চাই না। তাদের দেখেন, কোনো অনুশোচনা নাই।

এত অন্যায়, অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, হত্যা, নির্যাতন, আয়নাঘর—এতে তারা কোনো লজ্জাবোধ করে না! আবার বলে যে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবে। আমরা অপেক্ষা করে আছি, আসেন দেশে।

দেশে আসেন, দেখা হবে ইনশাল্লাহ রাজপথে। ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, এখন ৮২ বছর বয়সে বাংলাদেশের জন্য আরেকটা যুদ্ধ করব।’

জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এই সরকারের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছে, সেইসব পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। যারা আহত, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে, অঙ্গ হারিয়েছে, তাদের সুস্থ করে তোলা এই সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। যারা জীবন দিয়ে গেছে ১৯৭১ সালেতারাও কিছু পায় নাই। আপনারাও হয়তো যা প্রাপ্য তা পাবেন না, কিন্তু এই সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয়ই সম্মান পাবেন। গরিব দেশের যতটুকু সাধ্য আছে, সবকিছু উজাড় করে দেবো আপনাদের কল্যাণের জন্যে।’

গণতন্ত্র ও নির্বাচন প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘৭১-এর জনযুদ্ধ ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ। একইভাবে জুলাইয়ের এই যুদ্ধও ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে। কাউকে কাউকে বলতে শুনেছি, আমরা কি নির্বাচনের জন্য জীবন বিসর্জন দিয়েছি নাকি? নির্বাচন তো গণতন্ত্রের অনুষঙ্গ।

এই দেশে যতদিন গণতন্ত্র থাকবে, সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ততদিনই আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে। সুতরাং গণতন্ত্র কোনো হেলাফেলার জিনিস নয়।’

তিনি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, ‘আমাদের যাত্রাপথ সহজ নয়। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐক্য, সংযম ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে। সজাগ থাকতে হবে যাতে কোনো বিভাজন বা সংকীর্ণ স্বার্থ যেন আমাদের জাতীয় অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে।’

বিশৃঙ্খলায় ক্ষোভ প্রকাশ রাষ্ট্রপতি
অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি ডকুমেন্টারিতে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি না থাকার অভিযোগে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ভুল তো মানুষ করেই। নিশ্চয়ই ডকুমেন্টারিতে অনেক ভুল আছে।

আবু সাঈদ এই বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি, তার ছবি না থাকলে এটা কোনো ডকুমেন্টারি হলো না। সেখানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও নাই। কিছু ভুল হয়েছে এবং এই ভুল মাননীয় মন্ত্রী জোড় হাতে স্বীকার করে বারংবার ক্ষমা চেয়েছেন। এরপর তো শান্ত হওয়া উচিত। জাতীয় অনুষ্ঠানে এটাকে পুষে রেখে সংসদের মতো ওয়াকআউট করা বাঞ্ছনীয় নয়।’

বিশৃঙ্খলা নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আজ এই অনুষ্ঠানটি একটি জাতীয় অনুষ্ঠান। কিন্তু এখানে যে দৃশ্য দেখলাম, সেটি দেখে অত্যন্ত দুঃখিত, লজ্জিত এবং ব্যথিত হয়েছি। সকালে জাতীয় ঐক্য সহজেই প্রতিভাত হয়েছিল।

কিন্তু বিকেলের এই অনুষ্ঠানে যা দেখলাম, তা একেবারেই অনভিপ্রেত। এখানে বিদেশিরা বসা ছিলেন, আমি মনে মনে চিন্তা করছিলাম যে ইংরেজিতেই ভাষণ দেবো, বিদেশিরা দেখুক ১৬ বছর আমরা কীভাবে কাটিয়েছি। জাতীয় অনুষ্ঠানে এই ধরনের বিশৃঙ্খলা মোটেই কাম্য ছিল না। বিদেশিদের সামনে যে নাস্তানাবুদ হলাম, এটি আমাকে খুবই ব্যথিত করেছে।’

নেতা ও অনুসারীদের আচরণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমি লক্ষ্য করেছি মাননীয় সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার অনুসারীদের প্রশমিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশে নেতাকে তো সহজে অনুসারীরা মানে না।

প্রতি মুহূর্তেই তারা যে নেতার চেয়ে বড়, এটা প্রমাণের জন্য মুখিয়ে থাকে। সেই কারণেই এই ধরনের একটা অনুষ্ঠানের এই পরিণতি হলো। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে কেউ ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করে, এগুলো কি মানায়? কবে আমরা শিখবো?’

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে তদন্ত, দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে তদন্ত, দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা

জাম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত অননুমোদিত ‘এশিয়ান লিজেন্ডস লিগ’-এ অংশ নেওয়ায় পাকিস্তানের একঝাঁক সাবেক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আইসিসির নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে বোর্ড। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের দুই বছর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

এক বিবৃতিতে পিসিবি জানায়, আইসিসির টুর্নামেন্ট অনুমোদন ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী এশিয়ান লিজেন্ডস লিগ অনুমোদিত কোনো প্রতিযোগিতা নয়। বোর্ডের দাবি, আয়োজক দেশ জাম্বিয়ার ক্রিকেট ইউনিয়নও (জেডসিইউ) এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে স্বীকৃতি দেয়নি।

পিসিবির অনুমতি ছাড়া এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তারা দোষী প্রমাণিত হলে আগামী দুই বছর বিদেশি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার জন্য এনওসি পাবেন না। একই সঙ্গে এই সময়ে পিসিবি বা পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) কোনো দলের কোচ, মেন্টর কিংবা পরামর্শক হিসেবে কাজ করার সুযোগও হারাতে পারেন।

বোর্ড আরও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, আইসিসির বিধান অনুযায়ী বিদেশি কোনো লিগে অংশ নেওয়ার আগে নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বিষয়টি আইসিসির কাছেও উত্থাপিত হতে পারে।

ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফো-র তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুলাই শুরু হওয়া ছয় দলের এই টুর্নামেন্টে ‘পাকিস্তান প্যান্থার্স’ দলের হয়ে খেলছেন পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সাবেক তারকা ক্রিকেটার। দলটির স্কোয়াডে রয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, কামরান আকমল, উমর আকমল, শারজিল খান, ইমরান নাজির, সাঈদ আজমল, সোহেল তানভীর, ইয়াসির শাহ, রাহাত আলী ও মোহাম্মদ ইরফানের মতো পরিচিত মুখ। তাদের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে মাঠেও নেমেছেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই লিগে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররাও অংশ নিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র পিসিবিই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

ইউভেন্তুসের আগ্রহও শেষ, অ্যাস্টন ভিলাতেই থাকতে হচ্ছে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
ইউভেন্তুসের আগ্রহও শেষ, অ্যাস্টন ভিলাতেই থাকতে হচ্ছে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে

বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা যেন থামছেই না। এক বছর আগে অ্যাস্টন ভিলা ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও প্রত্যাশিত কোনো প্রস্তাব না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরোনো ক্লাবেই থেকে যেতে হয়েছিল তাকে।

সে সময় সৌদি প্রো লিগ, ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস)—কোথাও থেকেই মার্তিনেজের জন্য সন্তোষজনক কোনো প্রস্তাব আসেনি। ফলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অ্যাস্টন ভিলাতেই ক্যারিয়ার চালিয়ে যান তিনি।

এরপর মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন আর্জেন্টাইন এই গোলরক্ষক। ধারাবাহিক নৈপুণ্যে তিনি আবারও ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর নজরে আসবেন বলে ধারণা করেছিলেন অনেকেই।

তবে সেই সম্ভাবনায় নতুন করে ভাটা পড়েছে। ইতালির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ইউভেন্তুস মার্তিনেজকে দলে নেওয়ার আগ্রহ থেকে সরে এসেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে। ফলে আপাতত তুরিনে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই তার।

সব মিলিয়ে, এক বছর আগে নতুন চ্যালেঞ্জের খোঁজে অ্যাস্টন ভিলা ছাড়তে চাওয়া মার্তিনেজ এখনও একই ক্লাবেই আছেন। নতুন মৌসুমেও তার ভবিষ্যৎ ভিলা পার্কেই থাকবে কি না, নাকি শেষ মুহূর্তে কোনো বড় ক্লাব প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে আসবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

কালের আলো/এসএ