খুঁজুন
                               
, ,
           

কোনো ষড়যন্ত্র বা চাপের কাছে মাথা নত করা হবে না: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
কোনো ষড়যন্ত্র বা চাপের কাছে মাথা নত করা হবে না: জামায়াত আমির

কোনো ষড়যন্ত্র বা চাপের কাছে মাথা নত করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের রায় এবং গণভোটের মাধ্যমে প্রকাশিত আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাদের রাজনৈতিক সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। তরুণ সমাজসহ দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন থামবে না।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক স্থিরচিত্র প্রদর্শনী ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা, বিভিন্ন পেশাজীবী এবং দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে মানুষ যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে মত দিলেও বর্তমান সরকার পরে সেই অঙ্গীকার থেকে সরে এসেছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংস্কারের পথে ফিরে আসতে হবে। জনআকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করলেও প্রত্যাশিত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাতি একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের আশা করেছিল। সে সময় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও এ বিষয়ে একটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল।

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, গণভোটের আগে সরকারপক্ষ জনগণের সংস্কারের রায়কে সম্মান করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। এটি জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতির ব্যত্যয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম যে পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিল, সেই প্রত্যাশা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। জুলাইয়ের আন্দোলন কোনো একক দলের ছিল না; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা একটি গণআন্দোলন।

ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, জনগণ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি চাইলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও সেই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা উদ্বেগের বিষয়। তিনি বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংস্কারের পথে ফিরে আসাই বর্তমান সরকারের জন্য প্রয়োজন।

৫ আগস্টের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এ দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি হয়েছিল, তাই এ ইতিহাস ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

তিনি বলেন, যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা জাতির দায়িত্ব। শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে কাজ করতে হবে, অন্যথায় জাতিকে তার মূল্য দিতে হতে পারে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে শহীদদের লেখা বিভিন্ন চিঠির সংকলন বিতরণ করা হয়। এ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদদের অনুভূতি, স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের বার্তা নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি সবাইকে চিঠিগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ার আহ্বান জানান।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘটিত সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গত কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শহীদরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন কিংবা মুক্তিযোদ্ধারা যে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতি সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা ও অস্থিরতা বন্ধে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ আর কখনো কোনো দেশের ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ বা নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম বড় অর্জন হলো দেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’-এর এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই বছর আগের পরিস্থিতির স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘বিদেশে অবস্থানকালেও শিশু-কিশোরদের প্রাণহানি, সরকারের দমন-পীড়ন এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।’

তিনি মন্তব্য করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও এভাবে তথ্যপ্রবাহ বন্ধ করা হয়নি। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছিল অন্যতম নৃশংস ও অন্ধকার সময়।’

তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন সময়ে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বাংলাদেশের চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করে সহিংসতা কমাতে এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের গতি ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রেখেছিল।

পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘সে সময় প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সরকারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক রূপান্তর ঘটানো—এই তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকরাও সাম্প্রতিক নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য বলে মূল্যায়ন করেছেন, যার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

কূটনৈতিক সাফল্য প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে যে হারিয়ে যেতে বসেছিল, তা আবার পুনর্দখল করছে।’

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তিই হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। বাংলাদেশ আর কখনো অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকবে না।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়ের কথা উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এই ‘অসম্ভব মিশন’ জয় করা সম্ভব হয়েছে। এটি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল।

তরুণ প্রজন্মের ওপর আস্থা রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তরুণরা ভয়াবহ এক দানবের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। এখন ভালোবাসা, মেধা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে থাই কফি চেইন ‘ক্যাফে আমাজন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে থাই কফি চেইন ‘ক্যাফে আমাজন’

থাইল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক কফি চেইন ব্র্যান্ড ‘ক্যাফে আমাজন’ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। বসুন্ধরা গ্রুপের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে কফি চেইনটির বর্ণিল উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনের প্রথম পর্ব সকাল ১১টা ২০ মিনিটে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ক্যাফে আমাজনের ‘ফ্ল্যাগশিপ স্টোর’-এ অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থাকবেন থাইল্যান্ডের দূতাবাস প্রতিনিধি, থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম কোম্পানি পিটিটি সিয়ামের শীর্ষ কর্মকর্তা, বসুন্ধরা গ্রুপের উচ্চপদস্থ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, সরকারি কর্মকর্তা এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

দুপুর সাড়ে ১২টায় যৌথভাবে ফিতা কেটে ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটির উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে ভিআইপি, সরকারি কর্মকর্তা, দূতাবাস প্রতিনিধি ও মিডিয়া রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু হবে।

বেলা ১২টায় সঞ্চালকের স্বাগত বক্তব্যের পর অতিথি ও বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেবেন। সাড়ে ১২টায় ফিতা কাটা অনুষ্ঠান তথা অফিসিয়াল স্টোর উদ্বোধন করা হবে।এরপর অফিসিয়াল গ্রুপ ফটো সেশন ও কফি অভিজ্ঞতা অর্জনের আয়োজন থাকবে।

দিনের দ্বিতীয় পর্ব বিকেল ৩টা থেকে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত হবে। সর্বসাধারণ ও কফিপ্রেমীদের জন্য এই পর্বে থাকবে থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম। বিকেল ৩টায় সঞ্চালকের সূচনা বক্তব্য ও বিসিডিএলের ডিএমডি স্বাগত বক্তব্য দেবেন। এরপর ঐতিহ্যবাহী থাই নৃত্য ও বিশেষ ‘মুয়ে থাই’ মার্শাল আর্ট পরিবেশন করা হবে। তারপর থাকবে কফি বিন অ্যাক্টিভেশন, বেলুন ড্রপ ও ওভিসি প্রদর্শনী।

পৌনে ৫টার দিকে তোয়া ও ইগল ড্যান্স ট্রুপের আকর্ষণীয় ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হবে। এরপর থাকবে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জেফারের একক পরিবেশনা। সন্ধ্যায় ব্র্যান্ড মাসকট ‘জোনজোন’র বিশেষ ট্রুপিংয়ের পর থাকছে সমাপনী কনসার্ট ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন।

ক্যাফে আমাজন

২০০২ সালে থাইল্যান্ডে যাত্রা শুরু করা ‘ক্যাফে আমাজন’ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও দ্রুত বর্ধনশীল কফি চেইন। সতেজ কফির স্বাদ ও প্রাকৃতিকভাবে সজ্জিত আউটলেটের জন্য পরিচিত এই ব্র্যান্ডটি বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার আউটলেটের মাধ্যমে সেবা দিয়ে আসছে। বসুন্ধরা গ্রুপের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিশ্বমানের এই কফি অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে ব্র্যান্ডটি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, দেশের প্রত্যেক উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান এবং রাস্তার নামকরণ করা হবে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই শহীদ ও আহত পরিবারের সুযোগ সুধিবা বৃদ্ধির জন্য সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজও করছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে নগরের পাটগুদাম দুলদুল ক্যাম্পে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল ২০২৪ সালে ছাত্র জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদের বিদায়।

পরে শতাধিক হতদরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।

কালের আলো/এসএকে