খুঁজুন
                               
, ,
           

হাম-ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকারের যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
হাম-ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকারের যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সারাদেশে বাড়ছে হাম ও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এমতাবস্থায় সারাদেশে হাম ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকারের যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ২৫০ শয‍্যা বিশিষ্ট বক্ষব‍্যাধি হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভ‍্যাকসিনসহ মানবসম্পদ কোনো কিছুরই সংকট নেই। নির্ধারিত বাজেট থাকলেও গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ ব্যয় করেনি কোনো সরকার। এবারের বাজেটের পর সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। এছাড়া, মে মাসের মধ‍্যেই হামের প্রকোপ কমে যাবার অথবা জিরো শতাংশে চলে আসার আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর করা হয়েছে। যা যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে। ভ্যাক্সিন ও সিরিঞ্জের কোনো সংকট নেই, আগামীকাল দেশের সব কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।

ভ্যাকসিন সংকট নিয়ে একটি খবরের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মিরপুর নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পোলিও ভ্যাকসিন সংকট নিয়ে গতকাল একটা নিউজ হয়েছে। আমরা বিষয়টির খোঁজ নিয়েছি। রোগী ভ্যাকসিন হাতে পেলেও যাওয়ার সময় ব্যাগে আর নেয়নি। পরে এসে বলেছে পোলিও ভ্যাকসিনটা নাই। আর সাংবাদিক হয়তো পুরাটা শুনে বা না শুনে ভুলভাবে লিখে দিয়েছে। পোলিও ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই। আমার কাছে সব হিসাব রয়েছে।

টাকা থাকলেও এসব ব্যবস্থাপনা নিয়ে গত ১৭ বছর কোনো কাজ হয়নি দাবি করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঠিকমতো কোনো কিছু বাস্তবায়ন হয়নি। আমি কাউকে দোষ দেবো না। আমরা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছি।

হামের সংক্রমণ ও টিকাদান সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ছয়টা বছর হাম প্রতিরোধে শিশুদের কোনো ভ্যাক্সিনেশন হয়নি। আমরা জরুরি ভিত্তিতে তা শুরু করি। ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আমেরিকা যৌথভাবে যদি হেল্প না করত, তাহলে দেশের এই মানচিত্র আজকে অন্যরকম হতে পারত। আরও অনেক বেশি ক্ষতি হতো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরেন, আগামী মাসের পাঁচ তারিখে সারাদেশে ভ্যাকসিন দেয়ার কথা ছিল। আমি সেটা ১৪ দিন এগিয়ে এনেছি। আমরা যখন হামের টিকা হাতে পেয়েছি, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর অপেক্ষা করিনি। আমরা ২০ এপ্রিল থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছি।

বর্তমানে টিকাদানের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, লক্ষ্যমাত্রার ৬১ শতাংশ আমরা কাভার করে নিয়েছি। আগামী এক সপ্তাহে শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় চলে আসবে। এরইমধ্যে অনেক জায়গায় শতভাগ হয়ে গেছে। হামের টিকা কার্যক্রম শুরু করা প্রথম ৩০টি উপজেলায় এখন একটাও হামের রোগী নাই।

রোগীদের চাপ সামলানো এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, রোগীর চাপ সামলাতে আমরা তাঁবুরও ব্যবস্থা করছি। আগামীকাল থেকে ইউনিভার্সিটি প্লেগ্রাউন্ডে তাঁবু স্থাপন শুরু হয়ে যাবে। আমরা চাই না ডেঙ্গু রোগী আসুক। আমি চিকিৎসার জন্য চেষ্টা করতে পারব, কিন্তু সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিরোধ করা। কাজেই আমরা সিটি করপোরেশনকে বলেছি যাতে ওনারা মশক নিধনে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নতুন পরিকল্পনা সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নতুন পরিকল্পনা সরকারের

চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উঠতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। শিল্পকারখানার উৎপাদন সচল রাখা, গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, গ্যাসের সরবরাহ এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মেরামত করা হয়েছে। তবে এলএনজি কার্গো সরবরাহে কিছু সমস্যার কারণে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগছে।

শিল্পকারখানার উৎপাদন সচল রাখতে গ্যাস ও বিদ্যুতের বকেয়া বিল এককালীন পরিশোধের পরিবর্তে ১২ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে দ্রুত পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা। এতে শিল্প খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ভোলার নতুন গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জরুরি পাইপলাইন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত এই গ্যাস জাতীয় পর্যায়ে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতেও বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে আমদানিনির্ভরতা কমাতে ১ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও উৎপাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত গুরুত্ব দিয়ে স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধান করা হয়নি। এখন নতুন করে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা হচ্ছে।

এলএনজির আন্তর্জাতিক বাজারদর বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম ছিল প্রায় ১২ থেকে ১৪ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও ইউরোপের বাড়তি চাহিদার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

কাতারসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, চলমান সংকট একদিনে তৈরি হয়নি; এটি বহু বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যার ফল। সংকট কাটিয়ে একটি ভালো অবস্থায় যেতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে এ সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা নেই; বরং ধীরে ধীরে গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছে সরকার।

ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন আনসার-ভিডিপির ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন আনসার-ভিডিপির ডিজি

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে উৎসবমুখর ও গৌরবোজ্জ্বল পরিবেশে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান, নতুন পদায়নপ্রাপ্ত এবং অবসরপ্রাপ্ত বিদায়ী কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সদর দপ্তর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া। বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ উপমহাপরিচালক পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত মো. আসাদুজ্জামান গনীসহ চাকরিজীবনের ২০ বছর পূর্ণ করে পরিচালক ও উপপরিচালক পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

উপসচিব পদে নতুন কর্মস্থলে পদায়নপ্রাপ্ত মোহা. ইয়াছিন আরাফাত এবং চাকরিজীবন শেষে অবসরে যাওয়া বিদায়ী কর্মকর্তা পরিচালক মো. আব্দুস সামাদকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জিত এই পদোন্নতি কর্মকর্তাদের আগামী দিনের দায়িত্ব পালনে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা কমান্ড্যান্ট, ঢাকা মহানগরের ৪ জোনের অধিনায়ক এবং পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও বিদায়ী কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চলতি অর্থবছরেই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
চলতি অর্থবছরেই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশের পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের আলোচনার বিষয়গুলো জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষ আগামী সপ্তাহে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনার জন্য ইসির সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের তফসিল, তারিখ নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করবে। ইসির সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ব্রিফিং করবে।

বৈঠকে মূল আলোচ্য বিষয় পানি সরবরাহে ডেনমার্কের সহায়তার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। বলেন, রাজধানীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক। সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ফেজের কাজ শেষ করতে ডেনমার্ক সহায়তা করবে। এই ধাপে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পানি শোধনাগারে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা করবে দেশটি। এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা আগামী ২০ বছরে ধাপে ধাপে পরিশোধ করবে সরকার। এতে সরকারের ওপর চাপ পড়বে না।

এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মেঘনা নদী থেকে ৯৫ কোটি লিটার পানি শোধন সম্ভব হবে।

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ডেনমার্ক ১০০ কোটি টাকা দেবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ