খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে রয়েছে বিজেপি। এতে দলটি প্রথমবারের মতো রাজ্যটিতে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে— তা প্রায় নিশ্চিত। তবে এখন রাজনৈতিক মহলে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী?

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো একজন বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হবেন। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে দলের অভ্যন্তরে এবং রাজনৈতিক মহলে বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন শুভেন্দু অধিকারী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, গত পাঁচ বছর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দুর ভূমিকা তাকে সবচেয়ে বড় দাবিদার প্রতিষ্ঠিত করেছে।

শুভেন্দু অধিকারী এই নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানিপুরেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রাথমিক গণনার ট্রেন্ড অনুযায়ী তিনি ভবানিপুরে লিড নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন এবং সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন।

তবে সোমবার এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কিনা— এমন প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘না, আমি এই স্পর্শকাতর প্রশ্নের কোনও মন্তব্য করব না।বিজেপি হলো সম্মিলিত নেতৃত্ব। নরেন্দ্র মোদির মহান নেতৃত্বে আমরা এই নির্বাচনে লড়েছি এবং ফলাফল আসছে’।

এদিকে শুভেন্দু পরই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বিজেপির সাবেক রাজ্য সভাপতি এবং দলের অন্যতম হেভিওয়েট নেতা। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি খড়গপুর সদর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং সেখানে বড় ব্যবধানে জয়ের পথে রয়েছেন। দলের তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে তার গভীর সংযোগ এবং দলের প্রসারে তার ভূমিকার কারণে তাকেও মুখ্যমন্ত্রী পদের একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ শমীক ভট্টাচার্যের নামও আলোচনায় আছে। রাজনৈতিক মহলে তাকে একজন দক্ষ বক্তা এবং তাত্ত্বিক নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির সাবেক রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও আছেন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি দলের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ এবং ওয়ার রুমে থেকে ভোট প্রক্রিয়া তদারকিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তাকে এই পদের দৌড়ে সামিল করেছে।

সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং প্রভাবশালী নেতা নিশীথ প্রামাণিকও রযেছেন এই তালিকায়। তিনি ২০২৬ সালের নির্বাচনে মাথাভাঙা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উত্তরবঙ্গে দলের শক্ত ভিত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকায় তার নামটিও আলোচনায় রয়েছে।

এছাড়াও সাবেক সাংবাদিক এবং পদ্মভূষণ জয়ী স্বপন দাশগুপ্তও এই সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন। তাকে বিজেপির বুদ্ধিজীবী মহলের একজন প্রতিনিধি এবং ‘ভদ্রলোক’ রাজনীতির মুখ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমশিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৩টি আসনের মধ্যে ১৯৯টিতেই এগিয়ে আছে বিজেপি, আর ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল এগিয়ে আছে মাত্র ৮৮টি আসনে। এছাড়া ২টি করে আসনে এগিয়ে আছে বামপন্থি সিপিএম ও কংগ্রেস এবং ২টি আসনে অন্যান্য প্রার্থীরা।

সূত্র: আনন্দবাজার 

কালের আলো/এসআর/এএএন

নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

Oplus_131072

নগরজীবনের ক্লান্তি, যানজট ও কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছেন মানুষ। ঈদুল আজহা সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনে চড়ে ঢাকা ছাড়ছেন নগরবাসী।

সরেজমিন মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। প্ল্যাটফর্মজুড়ে ছিল মানুষের কোলাহল, শিশুদের হাসি, ট্রেনের হুইসেল আর স্বজনদের সঙ্গে দেখা হওয়ার অপেক্ষার আনন্দ। ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি পরিবারে ফেরারও উপলক্ষ। তাই বছরের সবচেয়ে আনন্দের এই যাত্রায় কমলাপুর রেলস্টেশন যেন পরিণত হয়েছে মানুষের আবেগ, অপেক্ষা আর ভালোবাসার এক মিলনমেলায়।

স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে নানা বয়সী মানুষের ব্যস্ততা। কারও হাতে বড় ট্রাভেল ব্যাগ, কারও মাথায় পাটের বস্তা, কেউ আবার ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে ট্রেনের অপেক্ষায় বসে আছেন। অনেকে প্ল্যাটফর্মেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গল্প করছেন, কেউ ছবি তুলছেন। দীর্ঘ সময় পর বাড়ি ফেরার আনন্দ যেন ক্লান্তিকেও হার মানিয়েছে।

কমলাপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছেন জামালপুরগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রী মোহাম্মদ আল-আমিন। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে তিন দিন আগেই গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঢাকায় চাকরির কারণে সারা বছর পরিবারের সঙ্গে ঠিকমতো সময় কাটানো হয় না। ঈদের সময়টুকুই সবচেয়ে আনন্দের। বাচ্চারা আগেই চলে গেছে। গতকাল অফিস ছিল। অফিস শেষ করে আমি আজ রওনা দিলাম। মা ফোন দিয়ে বারবার বলছে কখন পৌঁছাবো।

প্ল্যাটফর্মের এক পাশে বসে ছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা শারমিন আক্তার। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শ্বশুরবাড়িতে যাবেন। তিনি বলেন, ছেলেটা ট্রেনে চড়তে খুব পছন্দ করে। ঈদ মানেই ওর কাছে গ্রামের বাড়ি যাওয়া। গ্রামের খোলা মাঠ, আত্মীয়স্বজন, সবকিছু মিলিয়ে আলাদা একটা আনন্দ।

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ঈদের ছুটি কম হলেও চেষ্টা করি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে। এবার টিকিট পাওয়া নিয়ে একটু ভোগান্তি হয়েছে। তারপরও ট্রেনে যাওয়া স্বস্তির। রাস্তায় যানজটের ভোগান্তি নেই।

স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই স্টেশনে চলে এসেছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে আগেভাগে আসাই ভালো।

খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী কলেজ শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় জীবনটা খুব যান্ত্রিক। ঈদের সময় গ্রামের বাড়িতে গেলে অন্যরকম শান্তি লাগে। বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে খাওয়া, আত্মীয়দের সঙ্গে আড্ডা, এসবের জন্যই তো সারা বছর অপেক্ষা করি।

স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীদের সুবিধায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। টিকিট যাচাই থেকে শুরু করে যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে ওঠানামা পর্যন্ত নানা বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে তাদের।

তবে, যাত্রীদের একটি অংশের অভিযোগ, টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে এখনও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। অনেকে কাঙ্ক্ষিত দিনের টিকিট পাননি। তারপরও পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার আনন্দের কাছে এসব কষ্ট খুব বড় হয়ে ওঠেনি।

রাসেল আহমেদ নামের একজন বলেন, রোববার আমার শেষ অফিস ছিল। অনলাইনে সোমবারের টিকিট কাটার অনেক চেষ্টা করি। কিন্তু টিকিট পায়নি। তারপরও ভাগ্য ভালো আজকের টিকিট পেয়েছি। কিন্তু আমার বড় ভাই অনেক চেষ্টা করেও টিকিট পাননি।

কামরুজ্জামান বাবু নামের আর একজন বলেন, অনেক চেষ্টা করেও অনলাইনে ট্রেনের টিকিট পাইনি। অ্যাপে ঢুকতে ঢুকতেই সব টিকিট শেষ হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে এখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যাবো। দাঁড়িয়ে যেতে কষ্ট হবে, তারপরও বাড়ি যেতে পারবো সেটাই বড় কথা।

কালের আলো/এসএকে

ঢাকাসহ ৯ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ঢাকাসহ ৯ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস

ঢাকাসহ দেশের ৯ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। একইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরেক বার্তায় সরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহজুড়ে দেশের সব বিভাগেই ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইরান কখনোই পিছু হটবে না: শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ইরান কখনোই পিছু হটবে না: শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নতুন প্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলঘাদর দেশটির জনগণের উদ্দেশে দেওয়া প্রথম বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, লড়াইয়ে পিছু হটা হবে না।

জোলঘাদর বলেন, সামরিক ক্ষেত্র, কূটনৈতিক অঙ্গন এবং রাস্তায় নেমে আসা জনগণ তাদের সাহসী প্রতিরোধের মাধ্যমে শত্রুকে নতজানু করেছে।

গত মার্চে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান জোলঘাদর। তিনি নিহত আলী লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হন। লারিজানি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছিলেন।

জোলঘাদর এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, লারিজানির মৃত্যুর পর তার নিয়োগ ইরানে আইআরজিসির প্রভাব আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নতুন নিরাপত্তা প্রধান ইরানি জনগণের প্রতি ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঐক্য ও সংহতিও এই সংগ্রামের আরেকটি যুদ্ধক্ষেত্র।

তিনি আরও বলেন, বিভেদ সৃষ্টিকারী যেকোনো কথা বা কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রিয় ইরানকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে নিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

এদিকে শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশ দুইটির মধ্যে এখনো শান্তি আলোচনা চলছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এসআর/এএএন