খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

রাজধানীর কালশী বস্তিতে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে মিরপুরের কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন।

তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে প্রথমে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। পরে আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এছাড়া এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এম/এএইচ

চীনে ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ
চীনে ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবন সিটিক টাওয়ারে আছড়ে পড়েছে একটি হালকা স্পোর্টস বিমান। ১০৯ তলাবিশিষ্ট এই ভবনে বিমান আছড়ে পড়ার পর বেইজিংয়ের সেন্ট্রাল বিজনেস ডিসট্রিক্টে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই ভবনটি খালি করা হয়। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।

দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, কিংবা বিমানে কতজন আরোহী ছিলেন–তাৎক্ষণিকভাবে এসব তথ্য জানা যায়নি। বিমানটির উৎস এবং কী পরিস্থিতিতে এটি ভবনটিতে আঘাত করে, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি ৫২৮ মিটার (১ হাজার ৭৩২ ফুট) উঁচু টাওয়ারটির ওপরের দিকে আঘাত করছে। ভবন এবং বিমানের ভেঙে পড়া অংশ আশপাশের ফুটপাতে ছড়িয়ে পড়ছে। অন্য কিছু ভিডিওতে ভবন থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার দৃশ্য দেখা যায়।

লিন নামের এক নারী সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে জরুরি ভিত্তিতে ভবনটি থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমি পরিচয়পত্র বা ব্যাগ নেয়ারও সুযোগ পাইনি, দৌড়ে বেরিয়ে এসেছি।’

কাছের একটি ভবনে কর্মরত এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বিকেল প্রায় ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি একটি বিকট শব্দ শুনেছিলেন, তবে দুর্ঘটনার দৃশ্য দেখেননি তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের সড়কগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া ভবনের কাছে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ধ্বংসাবশেষের ছবিতে দেখা যায়, বিমানের নিবন্ধন নম্বর বি-১২পিপি। ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, এটি ছিল সানওয়ার্ড এসএ৬০এল অরোরা মডেলের দুই আসনের এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট হালকা স্পোর্টস বিমান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পোস্টে দাবি করা হয়, বিমানটি একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ছিল। প্রতিষ্ঠানতি প্রাইভেট পাইলট প্রশিক্ষণ, আকাশ ভ্রমণ এবং বিমান ব্যবস্থাপনা সেবা দিয়ে থাকে।

এখন পর্যন্ত চীনা কর্তৃপক্ষ এ ঘটনা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত পোস্টগুলো দ্রুত চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। এর ফলে এটি স্রেফ দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে হামলা বা অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে–তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা দেখা দিয়েছে।

বেইজিংয়ে যেকোনও হালকা স্পোর্টস বিমান ওড়ানোর জন্য চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল প্রশাসন এবং পিপল’স লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্সের (পিএলএএএফ) অনুমোদন প্রয়োজন হয়।

গত মাসেই আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক নতুন বিধিনিষেধ জারি করে বেইজিং কর্তৃপক্ষ। যার ফলে বিনোদনমূলক উড্ডয়ন এবং ভোক্তা পর্যায়ের ড্রোন কার্যত নিষিদ্ধ হয়ে যায়।

সব ধরনের উড্ডয়নের জন্য আগাম সরকারি ও এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন বা এর মূল যন্ত্রাংশ উড়ানো, বিক্রি, ভাড়া দেয়া বা বহন করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল থেকে ধাওয়া দিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল থেকে ধাওয়া দিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

রাজধানীর পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে আশুরার তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া এক যুবককে ধাওয়া দিয়ে বাইরে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল ৫টার পর বি কে দাস রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।

সূত্রাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ওই যুবক তাজিয়া মিছিলে ছিল। কয়েকজন মিলে তাকে ধাওয়া করা হয়। পরে নির্মাণাধীন ভবনের নিচে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে আহত করে। ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ওসি বলেন, নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং হামলায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

তবে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাজিয়া মিছিলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তিনি জানান, ওই তরুণকে একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচে কোপানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও হামলাকারীদের পরিচয় উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মাদক কারবারীরা দেশ,জাতি ও সমাজের শত্রু : ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
মাদক কারবারীরা দেশ,জাতি ও সমাজের শত্রু : ভূমিমন্ত্রী

মাদকের ভয়াবহ বিস্তারে দেশের অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে মন্তব্য করে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, মাদক কারবারীরা দেশ, জাতি ও সমাজের শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শুক্রবার ২৬ জুন  রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে বাইরে থেকে মাদক আসে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক পাচার হয়ে থাকে। সীমান্তঘেঁষা এলাকায় অনেক মাদক কারবারী অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। যাদের একসময় কিছুই ছিল না, তারাও এখন বিপুল সম্পদের মালিক। এসব কারবারীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

শুধু মাদক বহনকারীদের গ্রেপ্তার করলেই হবে না, এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত জামিন পেয়ে তারা যাতে আবার মাদক ব্যবসায় জড়াতে না পারে, সে বিষয়েও নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, সমাজের চোখের সামনেই অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যেতে দেখা গেছে, যাদের জীবন মাদকের করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত হয়েছে। কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এ জন্য সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক কারবারীদের সামাজিকভাবে বয়কট করারও আহ্বান জানান তিনি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ভূমিমন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। দ্রুত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সমাজে মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো স্থান নেই।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়জুল কবির, রাজশাহীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেন।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি