খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ
রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের

গত ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশ রাশিয়া এবং ইউক্রেন তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। শনিবার (৯ মে) থেকে আগামী  সোমবার (১১ মে) পর্যন্ত থাকবে এই যুদ্ধবিরতি।

শুক্রবার (৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই যুদ্ধবিরতি শনিবার (৯ মে) থেকে সোমবার (১১ মে) পর্যন্ত স্থায়ী হবে।

যুদ্ধবিরতির এই তিন দিন যাবতীয় হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ রাখবে রাশিয়া এবং ইউক্রেন এবং দুই দেশের প্রত্যেকে ১ হাজার করে মোট ২ হাজার যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দেবে।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাশিয়া এবং ইউক্রেন আগামী তিন দিন (৯, ১০ এবং ১১ মে) যুদ্ধবিরতি পালন করবে। রাশিয়ায় এই উদযাপন বিজয় দিবস উপলক্ষে এবং একইভাবে ইউক্রেনেও; কারণ তারাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় অংশ হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিল।’

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন জয় করতে দেশটিতে প্রবেশ করেছিল জার্মানির তৎকালীন চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসী সেনাবাহিনী। তবে তারা ব্যর্থ হয় এবং ১৯৪৫ সালের ৮ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেই থেকে ৮ মে-কে বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করে রাশিয়া।

এর কিছুক্ষণ পরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ক্রেমলিন– উভয়পক্ষ তিন দিনের এই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সমঝোতা হয়েছে। রাশিয়া এর আগে শনিবার তাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘বিজয় দিবস’ (৯ মে) উপলক্ষে এককভাবে দুই দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল।

যুদ্ধবিরতির এই তিন দিনে পরস্পরকে লক্ষ্য করে সব ধরনের আক্রমণ রাশিয়া এবং ইউক্রেন বন্ধ রাখবে এবং প্রত্যেকে ১ হাজার করে যুদ্ধবন্দি মুক্তি দেবে— উল্লেখ করে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আশা করছি, এই যুদ্ধবিরতি একটি অত্যন্ত দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং কঠিন লড়াইয়ের অবসানের সূচনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি সবচেয়ে বড় যুদ্ধ এবং এ যুদ্ধ শেষ করতে আমাদের আলোচনা অব্যাহত আছে। আমরা প্রতিদিন এই যুদ্ধ সমাপ্তির আরো কাছাকাছি আসছি। এ বিষয়ে মনোযোগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আশা করি, এটি একটি অত্যন্ত দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং কঠিন লড়াইয়ের অবসানের সূচনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বৃহত্তম এই বড় সংঘাতের অবসানের জন্য আলোচনা চলছে এবং আমরা প্রতিদিন এর আরও কাছাকাছি আসছি। এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ!’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়ার এই উদযাপন বিজয় দিবসের জন্য, তবে একইভাবে এটি ইউক্রেনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় অংশ এবং চালিকাশক্তি ছিল। এই যুদ্ধবিরতির সময়ে সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে এবং উভয় দেশ থেকে ১ হাজার করে মোট ২ হাজার বন্দি বিনিময় করা হবে।’

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারণার অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। এমনকি তিনি এমন দাবিও করেছিলেন, ক্ষমতায় ফেরার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি এ সংঘাত মিটিয়ে দেবেন।

তবে প্রায় দেড় বছর কেটে গেলেও ওয়াশিংটন এক্ষেত্রে বড় সাফল্য পেতে হিমশিম খাচ্ছে। রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ বন্ধে তেমন কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এই সংঘাত এখন একটি ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হয়েছে, যেখানে পুতিন বিশ্বাস করেন যে, বিশাল সামরিক বাহিনীর কারণে শেষ পর্যন্ত রাশিয়াই জয়ী হবে।

স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনার সর্বশেষ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চল। এই অঞ্চলের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে।

মস্কো দাবি করেছে, দোনেৎস্কের যেসব অংশ রুশ বাহিনী এখনও দখল করতে পারেনি, সেখান থেকে ইউক্রেনীয় সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে। তবে ইউক্রেন এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে রাজি নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির শর্ত মেনে কৃষ্ণ সাগরের উপদ্বীপ ক্রিমিয়াকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ইউক্রেনের তদবিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই অভিযান চলছে।

জেলেনস্কি বারবার যেকোনো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেনের ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার ধারণা প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তবে ট্রাম্প ও কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে ইউক্রেনের সামনে হয়ত শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো পথ খোলা থাকবে না।

সূত্র: আল জাজিরা, এএফপি, এনডিটিভি অনলাইন

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) তিনি বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে এসে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দুই দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরিচয় পর্বের পরে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং।

অভিবাদন মঞ্চে তারেক রহমান ও লি কিয়াংকে সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল। এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ জুন দুই দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়ায় এটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সরকারি সফর।

প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় দুইদিনের সফর শেষে গত সোমবার রাতে প্রথমে যান চীনের দালিয়ান। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন।। তিনি দুই দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে বুধবার বিকালে দালিয়ান থেকে হাই স্পিড (বুলেট ট্রেন) ট্রেনে বেইজিং আসেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরসূচিতে রয়েছে গ্রেট হলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তারেক রহমানের এটি প্রথম চীন সফর। এরআগে তারেক রহমান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে ২০০১ সালে চীন সফর করেছিলেন। তিনি ওই সময়ে এই গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীর লালগালিচা সংবর্ধনাতেও উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। থানাভিত্তিক গ্রেপ্তারের মধ্যে শ্যামপুর থানা থেকে একজন, মোহাম্মদপুর থানা থেকে একজন, পল্লবী থানা থেকে একজন, খিলক্ষেত থানা থেকে একজন, রূপনগর থানা থেকে একজন এবং উত্তরা পূর্ব থানা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজধানীর ছয়টি থানার অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের সর্বমোট সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না পারছি ফেলতে, না গিলতে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না পারছি ফেলতে, না গিলতে: অর্থমন্ত্রী

Oplus_131072

বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্পকে বর্তমান সরকার ‘গলার কাঁটা’ মনে করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। ওই প্রজেক্টটা আমাদের জন্য লায়াবিলিটি। কী ধরনের প্রজেক্ট আপনারা বুঝতে পারছেন। কিছু বাদ দিতে পারছি, সব বাদও দেওয়া যাচ্ছে না। অনেক প্রজেক্টের ৫০-৬০ পার্সেন্ট ইমপ্লিমেন্ট হয়ে গেছে। না ফেলতে পারছি, না গিলতে পারছি। এটা বর্তমান সরকারের বড় সমস্যা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রাজধানীতে ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই কথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো ও উন্নয়ন খাতের এই বিপুলসংখ্যক প্রকল্পের কাজ অর্ধেক বা তারও বেশি শেষ হয়ে যাওয়ায় এগুলো চাইলেও পুরোপুরি বাতিল করা সম্ভব হচ্ছে না। বিগত ১৫ বছরে নেওয়া এসব প্রকল্প আমাদের জন্য এখন বড় লায়াবিলিটি। এগুলো আসলে কোন ধরনের প্রকল্প, তা আপনারা নিশ্চয়ই খুব ভালো করেই বুঝতে পারছেন। আমরা এর মধ্য থেকে কিছু প্রকল্প বাদ দিতে পেরেছি, কিন্তু সব বাদ দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি  বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং স্পট বায়িং বা অর্থায়নের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এর মাঝেই গতানুগতিক ফরম্যাট থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনীতিতে একটি নতুন মডেল ও চিন্তার ওরিয়েন্টেশন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রামগঞ্জে মৃৎশিল্প, শীতলপাটিসহ বিভিন্ন খাতের যেসব কারিগররা রয়েছেন, তাদের এগিয়ে নিতে সৃজনশীল অর্থনীতির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা তাদের কাজ আরও মার্কেট অ্যাবল করতে চাই। যা এখন ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তা ২০০০ টাকায় বিক্রি হবে। তাদের আয় বাড়লেই তো জিডিপি বাড়বে।

কালের আলো/এসএকে