খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ হবে: অর্থমন্ত্রী

আগামী ৫ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ট্যাক্স-জিডিপি প্রবৃদ্ধি যেখানে ১১ থেকে ১২ শতাংশের বেশি ছিল, সেখানে এখন তা ৭ শতাংশেরও কম। এর প্রভাবে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্প বা সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা যাচ্ছে না।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর বনানীতে দৈনিক বণিক বার্তার আয়োজনে ‘বৈশ্বিক অস্থিরতায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ট্যাক্স-জিডিপি বাড়াতে গেলে প্রথমেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সংস্কার করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই প্রক্রিয়া শুরু করে গেছে। তবে সেটি যথেষ্ট নয়, আরো কার্যকরভাবে করতে হবে। কারণ আধা সংস্কারের কারণে এখন না পুরোপুরি পুরোনো কাঠামো রাখা যাচ্ছে, না নতুন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে। ফলে আমরা নতুন একটি কমিটি করেছি। সেই কমিটির মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত হবে কীভাবে এবং কতটুকু সংস্কার করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে যতটুকু বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে চাইছি, ততটুকু এখনো পারছি না। তবে ধীরে ধীরে আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাব। দক্ষ জনশক্তি ছাড়া মানবসম্পদ উন্নয়নের সুযোগ নেই। দক্ষতা উন্নয়নের জন্য দেশব্যাপী বড় ধরনের একটি কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, এখন যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে, তার বড় অংশই অদক্ষ শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ। তাদের দক্ষতা বাড়ানো গেলে বর্তমানে যা আসে, তার চেয়ে অনেক বেশি রেমিট্যান্স আসবে। আমাদের লক্ষ্য এটিকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে নিয়ে যাওয়া।

আমির খসরু বলেন, বর্তমানে যেসব দক্ষতা উন্নয়ন স্কুল রয়েছে, সেগুলোর কোনো সার্টিফিকেশনই আন্তর্জাতিক মানের নয়। ফলে এসব জায়গায় বিনিয়োগ করে প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না। সরকার এখন এই জায়গাগুলোতে জোর দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বড় দুর্নীতির কারণে বিগত সরকারের আমলে কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। আগামী দুই বছরের মধ্যে নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, উচ্চশিক্ষিতদের ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়াটা খুব জটিল হয়ে যাচ্ছে। তাদের জন্য আইসিটি খাত হতে পারত খুব ভালো একটি ক্ষেত্র। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নয়ছয় করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চট্টগ্রামে নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের সম্মেলন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের সম্মেলন শুরু

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ‘নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশন’র (এনআইওএইচসি) ২৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশন্স ) এবং ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফিক কমিটি ও নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উদ্বোধনী বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বিশ্বের অন্যান্য মেরিটাইম রাষ্ট্রসমূহের মতো জাতীয় পর্যায়ে একটি স্বতন্ত্র হাইড্রোগ্রাফিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে ‘ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফার’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফার বাংলাদেশের সামগ্রিক হাইড্রোগ্রাফিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় সাধন ও জবাবদিহিমূলক কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবেন। এ ধরনের উদ্যোগ বাণিজ্যিক ও অন্যান্য সমুদ্রগামী জাহাজের নিরাপদ নেভিগেশন এবং সাগরে চলাচল নিশ্চিতের মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করবে। সেই সঙ্গে সুনীল অর্থনীতি কার্যক্রম ও উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশ বিভিন্ন হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের অগ্রগতি, অর্জিত সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপিত হয়। পাশাপাশি উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমে পারস্পরিক সমন্বয়, কারিগরি সহযোগিতা এবং প্রশিক্ষণ সহায়তা বিষয়ে সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার অন্তর্ভুক্ত ১৫টি আঞ্চলিক কমিশনের মধ্যে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশন’ অন্যতম। আন্দামান সাগর থেকে এডেন উপসাগর পর্যন্ত উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই সম্মেলনে কমিশনের সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশ, মিশর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, পাকিস্তান, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ডসহ সহযোগী রাষ্ট্র অস্ট্রোলিয়া, ফ্রান্স, ওমান, মরিশাস, সেশেলস, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে।

এছাড়াও পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও সুদানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং হাইড্রোগ্রাফিক সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা যোগদান করে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের জন্য নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফি কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।

সম্মেলনে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার (আইএইচও) পরিচালক এবং নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, কূটনৈতিক, সামরিক ও অসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

ব্যাংক লুটেরারা ফিরতে পারবে না, বিএবিকে আশ্বস্ত করলেন গভর্নর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
ব্যাংক লুটেরারা ফিরতে পারবে না, বিএবিকে আশ্বস্ত করলেন গভর্নর

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ জানিয়েছে ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। সংগঠনটির নেতাদের আশঙ্কা, ব্যাংক খাতের টাকা লুটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এই ধারার সুযোগ নিয়ে আবারও মালিকানা বা পরিচালনায় ফিরতে পারেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, আইনের কঠোর শর্তের কারণে এমন সুযোগ তৈরি হবে না।

সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএবির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন গভর্নর। বিএবি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকারের নেতৃত্বে বৈঠকে হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক এ কে আজাদ, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান, বিএবির ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারা নিয়ে ব্যবসায়ী ও ব্যাংক উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, এই ধারার সুযোগ নিয়ে অতীতে ব্যাংক দখল, অনিয়ম কিংবা অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আবারও ব্যাংকের পরিচালনায় ফেরার চেষ্টা করতে পারেন।

বৈঠক শেষে প্রতিনিধি দলের এক সদস্য বলেন, আমরা গভর্নরকে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। যারা ব্যাংকিং খাতের টাকা লুট করেছে, তারা যদি এই ধারার সুবিধা নিয়ে ফিরে আসে, তবে পুরো খাতটিই ঝুঁকির মুখে পড়বে। তবে গভর্নর তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, আইনে এমন কিছু কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে, যা পূরণ করে অনিয়মকারীদের ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব। ফলে ব্যাংক খাতকে আবারও ঝুঁকিতে ফেলার সুযোগ তৈরি হবে না।

বৈঠকে পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণ বা মার্জার নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার বলেন, ইতোমধ্যে যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেখান থেকে সরে আসার সুযোগ নেই বলে গভর্নর জানিয়েছেন।

তবে ভবিষ্যতে অন্য কোনো ব্যাংক একীভূত করার আগে যেন পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত নেওয়া হয়-এমন পরামর্শ দিয়েছে বিএবি। গভর্নরও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন বলে জানান তিনি।

বৈঠকে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা সচল করতে বিশেষ তহবিল গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আব্দুল হাই সরকার জানান, ব্যাংকগুলো চলতি মূলধন সহায়তা দিতে পারে। তবে কেন কোনো কারখানা বন্ধ হয়েছে, সেটি বিবেচনায় নিয়েই সহায়তা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল কারখানা সচল করতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল নিয়ে কাজ চলছে। তবে এ সুবিধা সবাই পাবে না। শুধুমাত্র আর্থিক সংকটে বন্ধ হয়ে যাওয়া সম্ভাবনাময় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও ক্রয়াদেশ রয়েছে, তারাই এই তহবিলের আওতায় আসতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত উদ্যোক্তাদেরই এ সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান আবারও সচল করা যায়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি: সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি: সেতুমন্ত্রী

সরকার দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিতে প্রস্তুতি সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‌হ্যাঁ, পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর তিনটি প্রস্তাবনা আছে। তার এক নম্বর প্রস্তাবনা আপনি যেটা বলেছেন ওই রুটে। আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি, কথা বলছি। আর ধরেন অন্যান্য প্রাক-প্রস্তুতি চলছে।

মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ঈদ যাত্রায় নৌপথেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। আরিচা ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে গাড়ির ব্রেকে ত্রুটির বিষয় উঠে এসেছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবার ফেরিতে গাড়ি ওঠার আগে ব্যারিকেড ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে ফেরি সম্পূর্ণ খালি না হওয়া পর্যন্ত নতুন গাড়ি প্রবেশ করতে না পারে।

মন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া সদরঘাটে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচলে নতুন শৃঙ্খলা আনা হয়েছে। এখন থেকে স্পিডবোটের যাত্রীরা সরাসরি লঞ্চে উঠতে পারবেন না। তাদের নির্ধারিত পন্টুন ব্যবহার করতে হবে। এ জন্য নতুন সংযোগ ব্রিজও নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দেড় কোটির বেশি মানুষের ঈদযাত্রা এবং প্রায় এক কোটি কোরবানির পশু পরিবহনকে কেন্দ্র করে এবারের ঈদ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তবে সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করলে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ