খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ১,৬৩৬ অভিযান, জব্দ ৯৬৩ মেট্রিক টন মাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ১,৬৩৬ অভিযান, জব্দ ৯৬৩ মেট্রিক টন মাছ

সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও অবৈধ আহরণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের চলমান ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ১ হাজার ৬৩৬টি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৯৬৩ মেট্রিক টন মাছ এবং ৯২ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ৬টি মামলা দায়ের, ৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ৯ জন জেলেকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (১০ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও অবৈধ আহরণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের চলমান ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে দেশব্যাপী ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে।

মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৫৮ (আটান্ন) দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দ্বারা যে কোনো প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকরণ কর্মসূচির আওতায় ১৫ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত সারাদেশে ২৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

একই সময়ে চালানো হয়েছে ১ হাজার ৬৩৬টি অভিযান। এছাড়া অভিযান চলাকালে ১ হাজার ২০৪টি অবতরণ কেন্দ্র, ৪ হাজার ৩৪৭টি মাছঘাট, ৮ হাজার ১৩৯টি আড়ত এবং ৭ হাজার ৯৭৯টি বাজার পরিদর্শন করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অভিযানে এ পর্যন্ত ৯৬৩ দশমিক ৪৪২ মেট্রিক টন মাছ এবং ৯২ দশমিক ৮০১ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৬টি মামলা দায়ের, ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৯ জন জেলেকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

জব্দকৃত মাছ ও অন্যান্য সামগ্রী নিলামের মাধ্যমে সরকার ১৭ দশমিক ৫৮ লাখ টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে জেলে ও যান্ত্রিক নৌযানের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় অভিযান কার্যক্রমও বেশি পরিচালিত হয়েছে।

সার্বিক কার্যক্রমে মৎস্য অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় কার্যকর অবদান রাখবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার নিম্নমুখী হয়েছে। এতে অপরিশোধিত তেলের দর চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৭ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ কমে ৭৬ দশমিক ৭১ ডলারে লেনদেন হয়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৬ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ কমে ৭২ দশমিক ৮৫ ডলারে দাঁড়ায়। আগের দিন মঙ্গলবারও দুই বেঞ্চমার্ক তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমেছিল।

এর আগে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটে ফিরতে শুরু করে। জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা কমে আসায় বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা হ্রাস পায়, যা তেলের দামে পতনে ভূমিকা রাখে।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের এক ব্যারেলে থাকে প্রায় ১৫৯ লিটার (১৫৮.৯৮ লিটার)। বর্তমান বিনিময় হার (১ ডলার=প্রায় ১২৩ টাকা) অনুযায়ী হিসাব করলে ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৯ হাজার ৪৩৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি লিটার প্রায় ৫৯ টাকা ৩০ পয়সা। অন্যদিকে ডব্লিউটিআই ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম প্রায় ৮ হাজার ৯৬০ টাকা বা প্রতি লিটার প্রায় ৫৬ টাকা ৩৫ পয়সা।

তবে এসব দাম কেবল আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের কাঁচামাল মূল্য। এর সঙ্গে শোধন ব্যয়, পরিবহন খরচ, শুল্ক ও দেশীয় বিপণন ব্যয় যুক্ত হয়ে স্থানীয় বাজারে জ্বালানি তেলের খুচরা দাম নির্ধারিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কিছুটা কমে আসা এবং হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এতে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার ওমান ও ইরান হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ট্রানজিট ফি নিয়ে কোনো একক সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনে রাজি হয়েছে। তবে তেহরান এ দাবি অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা তিনটি সুপারট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাতিসংঘের শিপিং সংস্থার তথ্যমতে, চলমান পরিস্থিতিতে আটকে থাকা প্রায় ১১ হাজার নাবিকসহ শত শত জাহাজ ধীরে ধীরে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

নওগাঁয় বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, শূন্যরেখায় আটকা ৯ জন

নওগাঁ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
নওগাঁয় বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, শূন্যরেখায় আটকা ৯ জন

নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট নয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা (পুশইন) করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে তারা প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে এসব ব্যক্তি বর্তমানে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে নওগাঁ-১৬ বিজিবি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ ভোর ৪টার দিকে নওগাঁর সাপাহার আদালতলা সীমান্ত চৌকি (বিওপি) এলাকার সীমান্ত পিলার ২৪৪/এমপি দিয়ে ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের এলেনপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা নয় ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করে। এদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। সংবাদ পাওয়ার পর আদাতলা সীমান্ত চৌকির (বিওপি) বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। বর্তমানে ওই ৯ ব্যক্তি ভারত ও বাংলাদেশের দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নওগাঁ-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরে ওই এলাকায় টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওই ১৭ জনসহ অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাদেরকে ভারতীয় ভূখণ্ডে পাঠানোর (পুশ ব্যাক) কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর আগে গত ৫ জুন ও ৮ জুন নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার সীমান্ত দিয়ে ৪০ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএসএফ তাদেরকে ফেরত নিতে বাধ্য হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এ তথ্য দেখা যায়।

বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর, যার স্কোর ১৭৮। ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাতারের রাজধানী দোহা। তালিকায় চতুর্থ স্থানে ১৬৯ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা ১৫২ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি