খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনা হবে: ডা. জাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনা হবে: ডা. জাহেদ

Oplus_131072

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, সরকার পর্যালোচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘চুক্তি যদি দেখি তাহলে দেখবো এটা বাতিল করার অপশন আছে। মানে ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাতিল করে দেওয়া যাবে। এটা হলো এক নম্বর। দুই নম্বর হচ্ছে, এই চুক্তির মধ্যে আরেকটা কন্ডিশন আছে—দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। তো আমি আমার জায়গা থেকে মনে করি যে, অন্তত আমরা পরে যে অপশনটা বললাম, যে চুক্তিটা পর্যালোচনা করা—আগে সরকারি পর্যায়ে এটার পর্যালোচনা করা।’

তিনি বলেন, আমি দেখলাম পত্রিকায় কলাম লেখা হচ্ছে যে, এখানে (চুক্তি) কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা আছে, ভিডিও তৈরি হচ্ছে—এগুলো কন্টিনিউ করুক।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি এই ইস্যুতে কথা বলেছি। সরকারের মধ্যেও এই চুক্তিটা নিয়ে কিছু পর্যালোচনা, এটা বাতিল করে দেওয়ার ইমপ্যাক্ট (প্রভাব) কী হতে পারে নিশ্চয়ই আমরা বুঝতে পারি, বা কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটা স্বাক্ষরিত হয়েছে সেটাও আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু ওই যে বললাম ওই সুযোগটা তো আমরা নিতে পারি যে এই চুক্তি রিকনসিডার (পুনর্বিবেচনা) করা কিছু কিছু জায়গায়, যে যে জায়গাগুলোকে আমরা বেশি সমস্যাজনক মনে করি, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর মনে করি হতে পারে মনে করছি—সেগুলো নিয়ে আমরা আগে আমাদের প্রাথমিক বিবেচনা করবো। আমরা আশা করি যে আমরা ওরকম একটা নেগোসিয়েশনে তাদের সঙ্গে যেতে চাই। বাতিল করাটা বাইল্যাটারাল (দ্বিপাক্ষিক) সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে সেটা আবার চলে আসার সম্ভাবনা আছে।

চুক্তি নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, চুক্তির ব্যাপারে একটু বলি। মানে আমরা অনেকে চুক্তি কমনলি বলে ফেলি, চুক্তির অনেকগুলো টাইপ আছে। তাই না? কতগুলো আছে এগ্রিমেন্ট, কতগুলো আছে মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক)। সো বিভিন্ন ক্যাটাগরি। আমরা যেগুলো এগ্রিমেন্ট হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেও যে বেরিয়ে যাওয়া যাবে না তা নয়, কিন্তু এগুলোর কতগুলো লিগ্যাল বাইন্ডিং আছে যখন চুক্তিগুলো হয়ে যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রেই লিগ্যাল বাইন্ডিং (আইনগত বাধ্যবাধকতা) এতটাই টাফ থাকে যে, বেরিয়ে যাওয়াটা অনেক সময় থাকার চাইতে বেশি ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

এর বাইরে যা যা আছে, ইনফ্যাক্ট একটা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার অনেকগুলো ব্যাপার মাথায় রেখেই চিন্তা করবে। আরেকটা কথা একটু আমি জাস্ট ইনফরমেশনের জন্য বলি—কোনো কোনো চুক্তির কিছু অংশ গোপন রাখার শর্তও থাকে। জনগণের অধিকার আছে এবং এমনকি সংসদে ওঠানোরও কনস্টিটিউশনাল প্রভিশন আছে। কিছু কিছু চুক্তির মধ্যে ওটা থাকতে পারে।’—বলেন ডা. জাহেদ।

তিনি আরও বলেন, আমি আপনাকে এটুকু বলতে পারি—আমাদের জনগণের জন্য ক্ষতিকর কোনো চুক্তি আগে যেগুলো হয়েছে, প্রত্যেকটার ইভ্যালুয়েশন সরকার করবে। চুক্তি বলতে আমি কমনলি বলছি, এর মধ্যে কিন্তু আবারও সমঝোতা স্মারক থাকতে পারে যেগুলো থেকে বেরিয়ে আসা হয়তো তুলনামূলকভাবে সহজ হবে। কিন্তু চুক্তি থেকে এটা এতটা সহজ নয়, কিন্তু আমরা ইভ্যালুয়েট নিশ্চয়ই করব।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৩ লাখ ৮৪ হাজার শিক্ষককে ট্যাব দেওয়া হবে বলেও জানান ডা. জাহেদ উর রহমান।

কালের আলো/এসএকে

ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটকে (বিএফটিআই) একটি কার্যকর, আধুনিক ও টেকসই প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে, যা দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে ভবিষ্যতে এটি নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করে একটি স্বনির্ভর জ্ঞান কেন্দ্রে পরিণত হয়।

আজ (মঙ্গলবার) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিএফটিআই-এর ৬২তম বোর্ড সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জটিলতা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও দক্ষ ও প্রস্তুত হতে হবে। বিশেষ করে ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউটিও) বিরোধ নিষ্পত্তি, বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষণ এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির আলোচনায় সহায়তার জন্য বিএফটিআই-এর অধীনে একটি স্থায়ী বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হবে। এই প্যানেলে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞ বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ, আইনজ্ঞ এবং গবেষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা বিএফটিআইকে একটি স্থায়ী ও কার্যকর রিসোর্স বেস হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় এই প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ সহায়তা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।”

সভায় বিএফটিআইকে একটি দক্ষ ও গতিশীল প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে একজন যোগ্য চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) নিয়োগের সুপারিশ গৃহীত হয়। পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন অব বাংলাদেশের (ইউজিসি) অনুমোদন নিয়ে বিএফটিআই-এর অধীনে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বাণিজ্য আইন ও বাণিজ্য নীতি গবেষণায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বোর্ড সভায় প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে

ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু বুধবার

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী বুধবার (১৩ মে) থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদযাত্রার টিকিট ১৩ থেকে ১৭ মে এবং ফিরতি যাত্রার টিকিট ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ রেলওয়ের পাঠানো এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টিকিট শুধুমাত্র বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত অনলাইন ওয়েবসাইট ও ‘রেল সেবা’ অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ফেসবুক পেজ থেকে টিকিট কেনা-বেচা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ছাড়া অন্য কোথাও আর্থিক লেনদেন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রেলওয়ে বলছে, নির্ধারিত মাধ্যমের বাইরে টিকিট কেনার চেষ্টা করলে যাত্রীরা প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অনলাইনভিত্তিক টিকিট ব্যবস্থাপনায় বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ক্রীড়া কূটনীতিতে নতুন দিগন্ত, তুরস্কের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
ক্রীড়া কূটনীতিতে নতুন দিগন্ত, তুরস্কের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই

আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কূটনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ক্রীড়া ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করতে একটি বিস্তৃত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

এই সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং তুরস্কের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী ওসমান আসকিন বাক।

এ অংশীদারিত্ব দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি যুব উন্নয়ন, পেশাদার ক্রীড়া বিনিময় এবং ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে নতুন যুগের সূচনা করবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) এই চুক্তি স্বাক্ষর হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সমঝোতা স্মারকে বহুমাত্রিক সহযোগিতার একটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দুই দেশই বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন ও অর্থায়ন বিষয়ে সেরা চর্চা বিনিময়ের লক্ষ্যে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের পারস্পরিক সফরের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা ও অর্থায়ন সংক্রান্ত কারিগরি তথ্য ও প্রশিক্ষণ উপকরণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সামাজিক অন্তর্ভুক্তির প্রতিশ্রুতি হিসেবে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া সুবিধা ও সহায়তা কর্মসূচি উন্নয়নে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়টিও এই সমঝোতায় বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সততা, নৈতিকতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়েও দুই দেশ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এই সমঝোতা স্মারক বৈশ্বিক অঙ্গনে ক্রীড়াবিদদের সাফল্য বাড়াতে সহায়ক হবে এবং ক্রীড়ার সর্বজনীন ভাষার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও গভীর করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ