খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটকে স্বনির্ভর করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটকে স্বনির্ভর করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই)-কে একটি আধুনিক, কার্যকর ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়াতে বিএফটিআইকে একটি শক্তিশালী জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এটি নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিএফটিআইয়ের ৬২তম বোর্ড সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জটিলতা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও দক্ষ ও প্রস্তুত হতে হবে। বিশেষ করে World Trade Organization (WTO)-এর বিরোধ নিষ্পত্তি, বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষণ এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির আলোচনায় সহায়তা দিতে বিএফটিআইয়ের অধীনে একটি স্থায়ী বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হবে।

তিনি জানান, এ প্যানেলে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞ বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ, আইনজ্ঞ ও গবেষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা বিএফটিআইকে একটি স্থায়ী ও কার্যকর রিসোর্স বেস হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় এই প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ সহায়তা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

সভায় বিএফটিআইকে একটি দক্ষ ও গতিশীল প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে একজন যোগ্য চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) নিয়োগের সুপারিশ গৃহীত হয়। পাশাপাশি University Grants Commission of Bangladesh-এর অনুমোদন নিয়ে বিএফটিআইয়ের অধীনে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বাণিজ্য আইন ও বাণিজ্য নীতি গবেষণায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

বোর্ড সভায় প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর মো. নজরুল ইসলাম, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল গফুর, আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদ, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান এবং বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সাইফ উদ্দিন আহমেদ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শাপলা চত্বরে ঠেকানো গেলে জুলাইয়ে গণহত্যা হতো না: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বরে ঠেকানো গেলে জুলাইয়ে গণহত্যা হতো না: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে গণহত্যা বাংলাদেশে বড় ক্ষত তৈরি করেছে। শাপলা গণহত্যাকে ঠেকানো গেলে, জুলাইয়ের গণহত্যা ঠেকানো যেতো। অনেকে এই হত্যাকাণ্ড সমর্থন করেছে, সাফাই গাইছে।

রাজধানীতে ‘শাপলা গণহত্যা: বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে নাহিদ এসব বলেন। কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স’ নামে একটি সংগঠন এই আয়োজন করে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি আপনি সমর্থন করতে পারেন অথবা নাও করতে পারেন। কিন্তু দাবি নিয়ে আসা জনগণের ওপর কোনো গণহত্যা চালানো সমর্থন করতে পারেন না। দাবি জানানোর কারণে গণহত্যা চালাতে পারে না। নিরস্ত্র, নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ। এরকম অপরাধ করার পরও শেখ হাসিনা সংসদ ভবনে কটূক্তি করে কথা বলেছে।

সেসময় আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।

আওয়ামী লীগ মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করতো উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের দাঁড়ি টুপি ওয়ালাদের ছাত্রশিবির বলা হতো। আমরা এসব আর মেনে নেবো না। এ দেশের সব আন্দোলনে, মুক্তির লড়াইয়ে এ দেশের আলেম ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের অবদান জাতীয় ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সীমান্তে কাঁটাতার বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, সীমান্তে হত্যা করে কোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় না। কাঁটাতার দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। এসব কাঁটাতার ভেঙে ভারতীয় জনগণ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে। আমরা বাংলাদেশকে কোনো দেশের করদ রাজ্য হিসেবে দেখতে চাই না।

আলোচনা সভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, নারায়ণগঞ্জ চার আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সরকারি অর্থের অপচয় করার সুযোগ নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারি অর্থের অপচয় করার সুযোগ নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচি উন্নয়নের একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। বর্তমান সরকার কঠিন সময় পার করছে। আমাদের অর্থের অভাব রয়েছে। বিগত সরকারের সময়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। তাই সরকারি অর্থের অপচয় করার সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার (১২ মে) ময়মনসিংহের তারাকান্দায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের উন্নয়ন চাই।

উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই আসনে (ময়মনসিংহ-২, ফুলপুর-তারাকান্দা) ধানের শীষ বিজয়ী হতে পারেনি, তবুও আমরা উন্নয়নের ছোঁয়ায় এই এলাকাকে এগিয়ে নিতে চাই। খাল খনন করেছি, রাস্তার উন্নয়ন হবে, মিনি স্টেডিয়াম, ফায়ার সার্ভিসসহ সব ধরনের উন্নয়ন হবে এই এলাকায়। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তবে রাজনৈতিক কোনো বিশৃঙ্খলা আমরা দেখতে চাই না। আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে চাই।

এদিকে তারাকান্দার কর্মসূচি শেষে প্রতিমন্ত্রী হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নে আরও একটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানর সঙ্গে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানর সঙ্গে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসিভুক্ত (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় অভিনন্দন জানানো হয়।

সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সাথে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল, ওষুধ শিল্পসহ নানা খাতে সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সমর্থনকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে, ভবিষ্যতে তা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের সমর্থন প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার হেড অব মিশনও অংশ নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র সচিব মু. ফরহাদুল ইসলামসহ প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে