খুঁজুন
                               
, ,
           

ঈদের আগেই আরও ১০০ প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
ঈদের আগেই আরও ১০০ প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি

ঈদের আগেই স্থানীয় সরকার পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়রসহ একাধিক পদে আরও ১০০ প্রার্থী ঘোষণা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার (১০ মে) বিকেলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার পর্যায়ে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার সময় এমন তথ্য জানিয়েছেন দলটির স্থানীয় সরকার পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম।

তিনি বলেন, আজ আমরা পাঁচটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থী ঘোষণা করেছি। খুব শিগগিরই অন্য সিটি করপোরেশনগুলোতে আমরা আমাদের প্রার্থী ঘোষণা করবো।

নির্বাচন কী জোটগতভাবে হবে, নাকি এককভাবে তা নির্বাচনের সময় সিদ্ধান্ত হবে। কিন্তু যে দল ২০৩৬ সালের মধ্যে সরকারে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, তারা জোটের আশায় বসে থাকতে পারে না। ফলে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে স্থানীয় পর্যায়ে আমাদের নেতারা যেন যথেষ্ট সময় পায়, সেই লক্ষে আমরা নাম ঘোষণা করছি।

তিনি বলেন, প্রথম ধাপে হাজারের অধিক আবেদন জমা পড়েছিল, আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জনের নাম ঘোষণা করছি।

আগামী ঈদের আগেই অর্থাৎ ২০ মে’র মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম আমরা ঘোষণা করবো।

সারজিস বলেন, নাম ঘোষণা চলতে থাকবে। সারাদেশে যারা এনসিপির বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন বা অন্য রাজনৈতিক দলের পরিশ্রমী ও গ্রহণযোগ্য যারা দুর্নীতির সঙ্গে ছিল না, যাদের ফ্যাসিজমের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বা ফৌজদারি অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না, তারা এনসিপি থেকে আবেদনের সুযোগ পাবে।

তিনি জানান, জাতীয় নাগরিক পার্টি এককভাবে নির্বাচনের চিন্তা করছে। জোট হবে কী না, তা নির্বাচনের আগে সিদ্ধান্ত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়াসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।
কালের আলো/এসআর/এএএন

ছুটির আনন্দে ঘরমুখী মানুষের ঢল, গাজীপুরে মহাসড়কে তীব্র চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
ছুটির আনন্দে ঘরমুখী মানুষের ঢল, গাজীপুরে মহাসড়কে তীব্র চাপ

টানা তিন দিনের ছুটি পেয়ে শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুর ছেড়ে উত্তরাঞ্চলে ফিরছেন লাখো কর্মজীবী মানুষ। একরকম ঈদের আনন্দ, উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে তাদের মাঝে। তবে বাড়তি ভাড়া আর পথের ভোগান্তি পিছু ছাড়ছে না কোনো ক্রমেই। 

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় ও ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা, মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় ঘরমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

শিল্প পুলিশ জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষ্যে দুই দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সাথে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শুক্রবার মিলিয়ে টানা তিনদিন ছুটি পেয়েছেন সব শিল্প কারখানার শ্রমিকরা। যার কারণে কর্মজীবী মানুষ ঘরে ফিরছে।

উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে ভোর থেকে কর্মজীবী মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। বেলা বাড়লে সড়কে ২ কিলোমিটার অংশে যানজট সৃষ্টি হয়। এ জেলায় বসবাসরত নানা পেশার মানুষ তিন দিনের ছুটিতে পরিবার নিয়ে গ্রামে ফিরছেন।

এদিকে এই সুযোগে হঠাৎ পরিবহনের ভাড়াও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চন্দ্রা এলাকার বেশ কিছু বাস কাউন্টারে টিকিটের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অধিক ভাড়া আদায় করছেন কর্তৃপক্ষ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

অপরদিকে, ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। কাঙ্ক্ষিত পরিবহন না পেয়ে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। বিভিন্ন স্থানে সড়কের জটিলতা থাকায় যানজটও পোহাতে হচ্ছে।

চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় কাউন্টারে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী জেরিন আক্তার ঢাকা পোস্টকে বলেন, তিন দিনের ছুটি পেয়েছি। খামোখা বসে থাকবো কেন, তার চেয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সাথে সময় কাটিয়ে আসি। কিন্তু বাস কাউন্টারে এসে দেখি টিকিট নেই। দুইটা বাসে উঠার চেষ্টা করলাম ৭০০ টাকার ভাড়া এক হাজার টাকা চাচ্ছে।

ইকলাছুর রহমান নামে এক যাত্রী  বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য সব চেয়ে কষ্টের বিষয় হলো যখন আমরা ঘরমুখী হই, তখনই আমাদের গলার কাটা হয়ে দাঁড়ায় বাস ভাড়া। এই দেখেন আজ বহু মানুষ ঘরে ফিরছে সেইটা দেখেই বাস মালিকরা এক লাফে ৫০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা করে ফেলেছে।

চন্দ্রা এলাকার শাহ ফাতেহ আলী পরিবহন বাস কাউন্টারের মালিক ইলিয়াস হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের তো কিছু করার নেই। পরিবহনের তুলনায় যাত্রীর চাপ বেশি থাকলে সংকট হবেই। তাছাড়া যাত্রীদের চাপ বাড়লে কিছু যানবাহন কাউন্টারের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। উল্টাপাল্টা যাত্রী উঠানো শুরু করে। এমন নানা কারণেই ভাড়া বেড়ে যায়।

তবে এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর রিজিয়নের নাওজোড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর হোসেন বলেন, আজ ভোর বেলা থেকেই যাত্রীদের তীব্র চাপ দেখা দিয়েছে। আমরা সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছি। এছাড়াও পরিবহনের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়েও আমরা সতর্ক করেছি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর জাদুঘরটি ঘুরে দেখেন সরকার প্রধান।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

আজ জাদুঘর শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য খোলা থাকবে; সবার জন্য উন্মুক্ত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারকগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত হবেন।

এতদিন নানা জটিলতার কারণে চব্বিশের আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনকে রূপান্তর করে গড়ে তোলা জাদুঘর চালু করা যায়নি।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এরপর ৮ অগাস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। পরে এই সরকারের অধীনেই জুলাইয়ের নানা স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে সেই গণভবনে তৈরি করা হয় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর।

মঙ্গলবার (৪ অগাস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণঅভ্যুত্থান। এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং নিহত ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই জাদুঘর।

আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘বীরত্বগাথা’ ও আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করে জুলাই যোদ্ধা এবং জুলাইয়ে নিহত পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য দেবেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাসভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের অংশগ্রহণে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পরিবেশনার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিজন, জুলাই যোদ্ধা, জুলাইয়ে নিহত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তি, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

৫ আগস্ট রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫০ পূর্বাহ্ণ
৫ আগস্ট রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা

রাজধানীর শাহবাগের ৩৬ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উন্মুক্ত কনসার্ট এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে শাহবাগ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত এলাকায় যান চলাচল সীমিত থাকবে।

ট্রাফিক ব্যবস্থা সচল রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) (৫ আগস্ট) ভোর ৫টা থেকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া পর্যন্ত বিকল্প ট্রাফিক রুট নির্ধারণ করেছে।

শাহবাগ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানমুখী যানবাহনের জন্য

ফার্মগেট থেকে শাহবাগ: হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং থেকে বামে মোড় নিয়ে হেয়ার রোড বা মিন্টো রোড ব্যবহার করতে হবে।

গোলাপশাহ মাজার, হাইকোর্ট ও মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ: কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে।

সায়েন্সল্যাব থেকে শাহবাগ: মিরপুর রোড–নিউ মার্কেট–আজিমপুর–চাঁনখারপুল–বকশীবাজার ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে যেতে হবে। অথবা বাটা ক্রসিং/কাটাবন ক্রসিং থেকে ডানে বা বামে মোড় নিয়ে হাতিরপুল বা নীলক্ষেত-পলাশী ক্রসিং ব্যবহার করতে হবে।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও শেরেবাংলা নগর এলাকার জন্য:

মিরপুর রোড থেকে ফার্মগেট/সোনারগাঁও: গণভবন ক্রসিং থেকে বামে মোড় নিয়ে লেক রোড–উড়োজাহাজ ক্রসিং–বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেটের দিকে যেতে হবে।

ফার্মগেট থেকে ইন্দিরা রোড হয়ে গণভবন: খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং–বামে মোড় নিয়ে লেক রোড হয়ে গণভবন ক্রসিংয়ের দিকে যেতে হবে।

ধানমন্ডি ২৭ থেকে ফার্মগেট: আসাদগেট–গণভবন ক্রসিংয়ে ডানে ইউটার্ন নিয়ে লেক রোড–উড়োজাহাজ ক্রসিং–বিজয় সরণি হয়ে ফার্মগেট যেতে হবে।

আসাদগেট থেকে ফার্মগেট: গণভবন ক্রসিং থেকে ডানে মোড় নিয়ে লেক রোড–উড়োজাহাজ ক্রসিং–বিজয় সরণি হয়ে ফার্মগেট পৌঁছাতে হবে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড থেকে ধানমন্ডি: খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং–বামে মোড় নিয়ে লেক রোড–বামে মোড় নিয়ে আসাদগেট হয়ে সোজা ধানমন্ডির দিকে যেতে হবে।

মিরপুর রোড থেকে ধানমন্ডি ২৭: শ্যামলী–শিশুমেলা–গণভবন–আসাদগেট হয়ে সরাসরি ধানমন্ডি ২৭-এর দিকে যাতায়াত করা যাবে।

এছাড়া উড়ালসড়ক (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) ব্যবহারকারীদের যানজট ও দুর্ভোগ এড়াতে ফার্মগেট এক্সিট র‌্যাম্পের পরিবর্তে এফডিসি (হাতিরঝিল) র‌্যাম্প ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে ডিএমপি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি