হামের প্রাদুর্ভাব নয়, টিকা সংকটের বিষয়ে সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ
হামের প্রাদুর্ভাব নয়, দেশে টিকা সংকটের বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ইউনিসেফ সতর্ক করেছিল বলে জানিয়েছেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, ২০১৯ সাল থেকে টিকা ঘাটতি নিয়ে সতর্ক করে আসছে ইউনিসেফ। ২০২৫ সালে টিকা না থাকার তথ্য সঠিক নয়, তবে টিকা সংকট ছিল। টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অর্থ ছাড় করেছিল, প্রক্রিয়াগত জটিলতায় অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হয়।
তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর বিভিন্ন রোগের ৭০ মিলিয়ন টিকা বাংলাদেশকে প্রদান করে ইউনিসেফ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল, যার ফলে শিশুরা টিকার আওতায় আসেনি। হাম বাড়বে কি, বাড়বে না; এমন বিষয়ে কিছু বলেনি ইউনিসেফ।’
রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, ‘প্রতিবছরই কিছু না কিছু শিশু হামে আক্রান্ত হয়। তবে প্রতিবছরই হাম মহামারী আকার ধারণ করে না। টিকাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে না দেওয়া কারণে হামের এই সংকট তৈরি হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, আমি বলেছি, আপনারা অনুসন্ধান করুন কেন শিশুরা টিকার আওতায় আসেনি। হামে বাংলাদেশে এতো শিশুর মৃত্যু হয়েছে, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত। শিশুদের টিকার আওতায় আনা প্রয়োজন ছিল, তবে ওই সময়ে (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) টিকা দেওয়া হয়নি।
রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, বর্তমান সরকার ভালোভাবে ভ্যাকসিন কার্যক্রম করছে। এটি খুবই ভালো দিক। সব শিশুকে ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিন নেয়া শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে সময় লাগবে। এতোদিন অপেক্ষা করতে হবে টিকার ফলাফল পেতে। ভ্যাকসিন নেয়া শিশুরা সুরক্ষা পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কমিউনিকেশন চীফ মিগেল মাতেওস মুনোজসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ


আপনার মতামত লিখুন
Array