খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন সেতুমন্ত্রী

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, প্রতিবছর দেশে প্রায় চার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার কাজ করছে। আনফিট যানবাহন, অদক্ষ চালক ও জনসচেতনতার অভাব—এই তিন কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে।

শুক্রবার (২২ মে) কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড আয়োজিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় চেক বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিনি এটিকে কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বলতে চান না। যেসব পরিবার তাদের স্বজন হারিয়েছে, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। গত ঈদের আগে একটি বড় দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থতার দায় এড়াচ্ছে না। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তনে সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, চালক ও সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, আনফিট বাস বা ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন রাস্তায় নামানো যাবে না। দক্ষ চালকের হাতেই যানবাহন তুলে দিতে হবে। শুধু জনগণকে সচেতন হওয়ার কথা বললে হবে না, পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ এবং ইউটার্ন সুবিধা বাড়ানো গেলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আরও সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র হয়তো তাদের স্বজন ফিরিয়ে দিতে পারবে না, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকবে। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নিহত হলে সেই পরিবারকে কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার তা নিয়ে ভাবছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চাকরি ও অন্যান্য সেবায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা করা হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি জনগণকে সড়ক ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়েও সবাইকে ভাবতে হবে।

এর আগে ঈদযাত্রাকে নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা (দাউদকান্দি টোল প্লাজা) পরিদর্শন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এ সময় তিনি টোল প্লাজার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন এবং যাত্রীসেবা আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পরিবেশ দূষণ করে নেগোশিয়েশন করার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
পরিবেশ দূষণ করে নেগোশিয়েশন করার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী 

পরিবেশ দূষণ করে বা ছাড়পত্রের নিয়ম অমান্য করে নেগোশিয়েশনের মাধ্যমে আর কোনো প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নে শিল্পকারখানার বর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে তিনশত একর ফসলি জমি পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিগত সরকার ১৫ বছর কী করেছে তা নিয়ে কথা বলতে চাইনা। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছেন। শিল্প কারখানার রাসায়ানিক বজ্য খাল, নদী ও কৃষকের জমিতে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। কৃষকরা ফসলী জমিতে কারখানার বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়েছেন। আর কোনো শিল্পের বর্জ্য যাতে নদী, খাল, বিল ও কৃষকের জমিতে না যায় সকলকে ঐক্য বদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

পানি দূষণ বন্ধে ইটিপির ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী, চেষ্টা করব নতুন করে মিল কারখানার কোনো দূষিত বর্জ্যের পানি আশপাশের কৃষকের জমিতে না যায়। তার জন্য কারখানার এলাকায় টিম গঠন করার পরামর্শ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

পরিদর্শনকালে পরিবেশ আইন ভঙ্গের দায়ে ‘এক্সপেরিয়েন্স’ কারখানার একটি অবৈধ বর্জ্য আউটলাইন সিলগালা করা হয়েছে। পুনরায় ওপেন করা হলে ওই কারখানা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই কারখানার দূষিত বর্জ্যে খাল, নদী, আশপাশের জমিসহ কোনো জলাশয়ে যেন ফেলা না হয়। আমরা চাইনা কোনো পক্ষের প্রতিপক্ষ হতে। এখানে ডায়িং ফ্যাক্টরীসহ অন্যান্য যে সব শিল্প কারখানা আছে সেগুলো অবশ্যই কেমিক্যাল ব্যবহার করছে। এগুলো কোনো অবস্থাতেই অপরিশোধিত ভাবে নদী খাল বিল ও জলাশয়ে ফেলা যাবে না।

আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো এই বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ রাখার জন্য। এ ক্ষেত্রে পরিবেশের কর্মকর্তারা যদি সহযোগিতা না করে তাহলে তাদেরকে আমরা এখানে রাখবো না। অবশ্যই পরিবেশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন করে আরেক জনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, যিনি সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো ফিরোজ হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা শাখার সাধারণ সাংবাদিক কামরুল হাসান পাঠান কামাল, উপজেলা যুবদল সধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান রাসেল, কৃষক প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার মো. রুহুল আমীন, মো. শামছুদ্দিন মন্ডল, মোহাইমেনুল ইসলাম তালুকদার, আবুল বাশারসহ এক্সপেরিয়েন্স কারখানার আইন উপদেষ্টা এজাজ উদ্দিন, মুলতাজিম মিলের প্রতিনিধি পুলকময় মজুমদার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

কালের আলো/এসএকে

বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানীদের বাজেটনির্ভর গবেষণার পরিবর্তে খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী ও মানসম্মত গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী গবেষণার পেটেন্ট গ্রহণ এবং কৃষিকে যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষি এগিয়ে গেলেই দেশ এগিয়ে যাবে। নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের অভাব নেই; অভাব রয়েছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের।তাই সরকার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যের কারণে মৎস্য ও কৃষি খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মাছের খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল নিরাপদভাবে উৎপাদন করা জরুরি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববাজারে স্বাদুপানির মাছের চাহিদা তুলনামূলক কম। তাই নিরাপদ ও মানসম্মত উপায়ে উৎপাদন বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মাছ চাষে কৃষি খাতের মতো বিদ্যুতের বাণিজ্যিক হারের পরিবর্তে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মৎস্যচাষীদের এ দাবি যৌক্তিক। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এর আগে সকালে মন্ত্রী বিএফআরআইয়ের বিভিন্ন হ্যাচারি পরিদর্শন করেন। তিনি সুবর্ণ রুই, মেকং পাঙ্গাশ, মহাশোল, ছোট মহাশোল, স্বাদুপানির মুক্তা, খোকসা মাছ, ঢেলা মাছ, দেশি সরপুটি, বাইন মাছ, ভাগনা মাছ, দেশি তিতপুঁটি, ঘাউড়া, মনোসেক্স তেলাপিয়া, গুঁড়া চিংড়ি, গলদা চিংড়ি ও কুচিয়া মাছের হ্যাচারি এবং খাঁচায় শিং, গুলশা, পাবদা ও মাগুর মাছের চাষাবাদ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, ময়মনসিংহ বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) ড. মো. লতিফুল ইসলাম, পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. আমিরুল ইসলাম, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামসহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন দপ্তর এবং বিএফআরআইয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জাপানের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় বড় সংস্কার আনা হবে: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
জাপানের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় বড় সংস্কার আনা হবে: প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, দক্ষতা-ভিত্তিক ও শিশু-বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এ লক্ষ্যে জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থার সফল অভিজ্ঞতা, কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা নেওয়ার উদ্যোগ চলছে।

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকোর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের কাজ চলছে। এতে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে সিভিক এডুকেশন, ক্রীড়া শিক্ষা, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জাপানের নাগরিক শিক্ষা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও নাগরিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জাপানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ম্যাথ ল্যাব’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান ল্যাবের মতো গণিত শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ধাপে ধাপে ম্যাথ ল্যাব স্থাপন করা হবে। এ ক্ষেত্রে জাইকার কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থাইল্যান্ড ও তুরস্কের শিক্ষা প্রশাসন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করছে। মাঠপর্যায়ের দপ্তরগুলোর দায়িত্ব, জবাবদিহিতা, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন ও মনিটরিং ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাইকা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, শিক্ষা প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিশু-বান্ধব শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মোখলেছুর রহমান, যুগ্মসচিব (পরিকল্পনা) মো. ছাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইকবাল হাসান, জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রতিনিধি মনিকাওয়া ইউকোসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ