খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মোদি-মেলোনি ‘জনপ্রিয় জুটি’, ট্রাম্প বললেন ‘আমিই বস’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
মোদি-মেলোনি ‘জনপ্রিয় জুটি’, ট্রাম্প বললেন ‘আমিই বস’

ফ্রান্সে চলমান জি৭ সম্মেলনের বিভিন্ন সেশনের ফাঁকে বিশ্বনেতাদের বেশ খোশমেজাজে সময় কাটাতে দেখা গেছে। গম্ভীর রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে বিশ্বনেতাদের পারস্পরিক রসিকতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোই এখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মূল আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার কিছু হালকা মুহূর্ত সম্মেলনজুড়ে বেশ হাস্যরসের খোরাক জুগিয়েছে।

সম্মেলনের গ্রুপ ছবি তোলার সময় সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে নরেন্দ্র মোদি ও জর্জিয়া মেলোনির মধ্যকার সংক্ষিপ্ত এক আলাপচারিতা। মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের দুজনের বিপুল জনপ্রিয়তার প্রসঙ্গ তুললে মেলোনি হেসে জবাব দেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি।’

এর আগে ২০২৩ সালে বালির জি২০ সম্মেলন এবং পরবর্তীতে দুবাইয়ের কপ২৮ সম্মেলনে মেলোনির পোস্ট করা সেলফি ও ‘মেলোডি’ ক্যাপশনকে ঘিরে দুই নেতার রসিকতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিম ও ভিডিও আকারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সম্প্রতি মোদির রোম সফরে মেলোনিকে ভারতের বিখ্যাত ‘মেলোডি’ টফি উপহার দেওয়ার ঘটনাটি সেই আলোচনাকে আরও উসকে দেয়।

এদিকে সম্মেলনের তৃতীয় দিনে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার(১৭ জুন) সকালের অধিবেশনে যোগ দিয়েই তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে এক চোট রসিকতা করে নেন। আয়োজক দেশ হিসেবে ম্যাখোঁ এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করলেও ট্রাম্প কক্ষে ঢুকেই উচ্চস্বরে বলে ওঠেন, ‘আমিই বস।’

সাবেক এই রিয়েলিটি শো উপস্থাপকের এমন চটজলদি মন্তব্যে উপস্থিত অন্য বিশ্বনেতাদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁও বিষয়টিকে বেশ ইতিবাচক ও রসিকতা হিসেবেই গ্রহণ করেন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের প্রাথমিক চুক্তি চূড়ান্ত করার পর নিজের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করা ট্রাম্পের এমন চেনা মেজাজের কারণে ফ্রান্সের অবকাশ শহর এভিয়ঁ লে বেঁ-তে অনুষ্ঠিত এবারের জি৭ সম্মেলনটি প্রথাগত গাম্ভীর্য পেরিয়ে বেশ উৎসবমুখর ও হালকা মেজাজে রূপ নিয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিক্ষোভ, দু’পক্ষের হাতাহাতি

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিক্ষোভ, দু’পক্ষের হাতাহাতি

রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি দেখে নেতাকর্মীদের বড় অংশই ক্ষুব্ধ। তারা এই কমিটি প্রত্যাখান করে বিক্ষোভ করেছেন। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরে সিটি কলেজ শাখার ৯ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আবু সাঈদ হাসানকে আহ্বায়ক ও শামানুল হক হৃদয়কে সদস্য সচিব করা হয়। এই কমিটি নিয়েই নেতাকর্মীদের ক্ষোভ ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নবগঠিত আংশিক কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে ছাত্রদলের একাংশের নেতাকর্মীরা বিকেলে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় সড়কের পাশে টায়ার জ্বালিয়ে তারা প্রতিবাদ জানান। পরে নবগঠিত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা ঘটনাস্থলে এলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষকে শান্ত করে। বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ঘোষিত আংশিক কমিটিতে টিকটকার, চাঁদাবাজ ও মাদকসেবীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা এ কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিচ্ছেন। বলছেন, অর্থের বিনিময়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। অবিলম্বে এ কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন বলেন, ‘আমি রাজশাহীর বাইরে আছি। কমিটি দিয়েছে কেন্দ্র, আমরা কিছু জানি না। তবে নতুন কমিটি দেখেছি। এখানে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীরা বাদ পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে আমরা কেন্দ্রে কথা বলেছি। এখন দেখা যাক তারা কী সিদ্ধান্ত দেন।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ, আজ থেকেই কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ, আজ থেকেই কার্যকর

অবশেষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। শুক্রবার (১৯ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন ও ইসরায়েলি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, দিনের শুরুতে চরম উত্তেজনার পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সহায়তায় এই সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েলি সৈন্যরা দক্ষিণ লেবাননের ‘বাফার জোনে’ অবস্থান করবে, যেখানে তারা বর্তমানে একটি বিশাল এলাকা দখল করে রেখেছে।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন, হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলে হামলা করে, তাহলে তারা আবারো যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে।’

মূলত, যুদ্ধের অবসানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে লেবাননে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ থাকলেও সেখানে হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল। এর প্রতিবাদে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে আজ শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে মার্কিন আলোচকদের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানি প্রতিনিধি দল।

ইরান বরাবরই বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ চুক্তির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ লেবাননের কাফার তেবনিতের কাছে একটি অভিযান চলাকালে তাদের ট্যাংকে হামলা হলে চারজন সৈন্য নিহত হয়েছেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর একই এলাকায় আরও পাঁচ সেনা আহত হয়েছে। জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে নাবাতিয়া শহর ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে ইসরায়েলি বোমা হামলায় অন্তত ২৪ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে ইরানে হামলা শুরু করার পর ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। এরপর থেকে চলমান ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চাঁদাবাজি থামাতে না পারলে দেশ চালানোর অধিকার নেই: জামায়াত আমির

মুন্সীগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজি থামাতে না পারলে দেশ চালানোর অধিকার নেই: জামায়াত আমির

রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে সারাদেশে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সরকারি দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কোনো দল যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে না পারে, তবে সেই দলের দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার থাকে না।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে মুন্সীগঞ্জের পুরাতন কাচারি চত্বর এলাকায় এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। রয়েল পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়াতের বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলন উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

জামায়াত আমির বলেন, অতীতের তিন বার সংবিধান উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার গণভোটের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও- ২০২৬-এর নির্বাচনের গণভোটকে বিএনপি অস্বীকার করছে।

শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিলেও বিএনপি সরকার গঠনের পরে যেভাবে প্রতারণা করেছে গণভোটকে অস্বীকার করে, তা দেশের মানুষকে ব্যথিত করেছে। ফলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য শেষ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ডা.শফিকুর রহমান বলেন, সারা দেশে চাঁদাবাজির মতো বিষফোঁড়া ধ্বংস করে দিলেই- সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে। কারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তা জনগণ জানে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি কমছে না, বরং বাড়ছে।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা টিকে আছে। কোনো দল যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে না পারে, তবে সেই দলের দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার থাকে না। তিনি বলেন, যে দল নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তারাই সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

জামায়াত আমির বলেন, সরকার বিভিন্ন পণ্যে কর কমালেও সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে না। কারণ বাজারের বিভিন্ন খাত সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া কখনোই কোনো সিন্ডিকেট টিকে থাকতে পারে না বলে উল্লেখ করে।

ব্যবসায়ীদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, কিছু গোষ্ঠীর কারণে অনেক ব্যবসায়ী স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন না। চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে তারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

গণমাধ্যম প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকদের উচিত সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরা। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারলে সমাজে অন্যায়, দুর্নীতি ও পেশিশক্তির আধিপত্য টিকতে পারে না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা দলের ভুল থাকলে তা সাহসের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে।

ডা. শফিক বলেন, সাংবাদিকরা সৎ ও কর্মক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখলে, আগামীর বাংলাদেশ হবে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন। সেখানে গরিব-ধনী নির্বিশেষে সবাই সমান বিচার পাবে। রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ