খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

গভর্নরকে সচেতন গ্রাহক ফোরামের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
গভর্নরকে সচেতন গ্রাহক ফোরামের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে ৭ দফা দাবি আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা না হয় তাহলে আগামী বুধবার (২৪ জুন) সংবাদ সম্মেলন করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে থেকে এই আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক।

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মতিঝিলে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে সচেতন গ্রাহ ফোরামের ব্যানারের মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, মিছিলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে সেটি থামিয়ে দেওয়া হয়।

আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের ৭ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা জানতে পেরেছেন, তাদের দাবি উপেক্ষা করে বিতর্কিত এস আলম গ্রুপ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংকটির পর্ষদে বসানোর পাঁয়তারা চলছে। কিন্তু, তারা সেটি হতে দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দেন।

অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, তিন কোটি গ্রাহকের এই ব্যাংকটিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হলে তাদের আবেগকে সম্মান জানাতে হবে। যদি গ্রাহকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পর্ষদ গঠন করা না হয়, তবে গ্রাহকরা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই পর্ষদকে পুনরায় প্রতিহত করতে বাধ্য হবে।

বর্তমানে ব্যাংকটিতে পরীক্ষা ছাড়া এবং অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্তরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে জানিয়ে, তা কঠোর হস্তে দমন করার আহ্বান জানান এই গ্রাহক নেতা। পাশাপাশি আজকে সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে যে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে, তা সম্বলিত স্মারকলিপি আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে নিজেদের ৭দফা দাবি সম্পর্কে ব্রিফিং করেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক।

সচেতন গ্রাহক ফোরামের দাবিগুলো হলো-

১. যোগ্য, অভিজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন পেশাদার বোর্ড অফ ডিরেক্টরস গঠন করতে হবে।

২. ২০১৭ সালে গায়ের জোরে কেড়ে নেওয়া মালিকানা ব্যাংকের প্রকৃত ও আদি মালিকদের কাছে অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে।

৩. এস আলম গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও পাচার করেছে, তাদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

৪. ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বন্ধ করতে হবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার রোধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫. বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং এস আলমের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে।

৬. ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮(ক) ধারা সংশোধন করে চিহ্নিত লুটপাটকারী ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংকিং খাতের পরিচালনা পর্ষদে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে।

৭. জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বিভ্রান্তিকর বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

মেসি এখন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
মেসি এখন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা

ডালাসে ম্যাচের শুরুতেই আধিপত্য বিস্তার করে এগিয়ে গেল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির এক নান্দনিক ও চোখধাঁধানো গোলে অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ ভেঙে ১–০ ব্যবধানে লিড নিলো আলবিসেলেস্তেরা।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডদের চেনা ছন্দ ও নিখুঁত পাসের সমন্বয়ে গড়া এই গোলটি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো সমর্থককে উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়।

এই গোলের মাধ্যমে মেসি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন। বিশ্বকাপে মেসির এখন ২৮ ম্যাচে গোলসংখ্যা ১৭টি। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ডটি এখন মেসির দখলে।

দলের এই দারুণ মুহূর্তটি গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করছেন আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা নায়ক মারিও কেম্পেস।

তবে ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি মিস করেন মেসি। ৭ম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি শটটি গোলবারের ডানদিকে দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়।

সন্ধানী বার্তা/এসআর/এএএন

মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেই চূড়ান্ত ফর্মে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সে দুর্দান্ত ফর্মে থেকেই আজ গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এ ম্যাচের শুরুতেই গোল করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হওয়ার দারুণ এক সুযোগও এসেছিল তাঁর সামনে। তবে মেসি যেন প্রমাণ করলেন, ফুটবল জাদুকর হলেও তিনিও মানুষ। ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। তবে স্পটকিক কাজে লাগাতে না পারলেও ৩৮ মিনিটের মাথায় জালের দেখা পান তিনি, করেন ঐতিহাসিক গোল, মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে হয়ে যান বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক।

এরপর ম্যাচের একেবারে শেষ মূহুর্তে ইনজুরি টাইমে আরও এক গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলএমটেন। তাঁর জোড়া গোলেই অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই অস্ট্রিয়ার ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন লাউতারো মার্তিনেজ। শুরুতে রেফারি বাঁশি না বাজালেও মার্তিনেজকে চোটে কাতরাতে দেখে খেলা থামান রেফারি।

এরপর ভিএআর চেকের সিদ্ধান্ত হয়। ভিএআরে চেক করে দেখার পর পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। আর স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন লিওনেল মেসি। তবে দলকে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

স্পটকিক হালকা চালে শট নিলেও তা লক্ষ্যে পাঠাতে পারেননি। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির নেওয়া শট চলে যায় গোলপোস্টের ডান দিকে বেশ বাইরে দিয়েই। পেনাল্টি মিস করে লজ্জার এক রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। ফিফার এ টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ডে এখন সবার উপরে আর্জেন্টাইন জাদুকরের নাম।

বিশ্বকাপে এতদিন ঘানার আসামোয়া জিয়ানের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ দুটি পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি। আজ অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে অনাকাঙ্খিত রেকর্ডটি রেকর্ডটি একার দখলে নিলেন। বিশ্বকাপে এখন সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ড মেসির। ২০১৮ বিশ্বকাপে আইসল্যান্ড, ২০২২ বিশ্বকাপে পোল্যান্ড এবং এবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করলেন। প্রথম দুবার গোলকিপার তাঁর শট ঠেকান। এবার মেরেছেন পোস্টের বাইরে।

এদিকে মেসির পেনাল্টি মিসের পর গোলের দেখা পেতে মরিয়া হয়ে লড়াই শুরু করে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়াও জমাট রক্ষণে আলবিসেলেস্তেদের পরাস্ত করতে থাকে। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি অস্ট্রিয়ানরাও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল, তবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি দলটি।

এদিকে গোলের লক্ষ্যে মরিয়া আর্জেন্টিনা ১৯ মিনিটে গোলের দারুণ এক সুযোগ পায়। ম্যাচের ১৯ মিনিটে দারুণ এক পাসে মেসিকে বল এগিয়ে দিয়েছিলেন মার্তিনেজ। প্রতিপক্ষের বক্সের ভেতরে শট নেওয়ার সুযোগও ছিল আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির। তবে শেষ পর্যন্ত নিতে না পারায় গোলের সুযোগ বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা। এরপর ম্যাচের ৩১ মিনিটেও মেসি ও এঞ্জো ফার্নান্দেজের রসায়নে আর্জেন্টিনার গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর আর তা হয়নি।

এদিকে একের পর এক সুযোগ হারানোর পর অবশেষে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। বাঁ দিকের উইং থেকে দারুণ এক পাসে বল ডি বক্সে এগিয়ে দেন থিয়াগো আলমাদা। মাঝে ফাকুন্দো মেদিনার শট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি না নিয়ে ডামি ক্রসে বল মেসির পায়ে দেন। আর দারুণ এক শট জালের ঠিকানা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। সেই সঙ্গে ক্লোসাকে তপকে হয়ে যান বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি, ১৭টি গোলের মালিক। মেসির এই গোলেই এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

বিরতির পর ম্যাচের ৫৭ মিনিটে শুরুর একাদশে পরিবর্তন আনেন লিওনেল স্কালোনি। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোকে উঠিয়ে মাঠে নামান নিকোলাস ওতামেন্দিকে। এরপর ৬৪ মিনিটে দলে আরও দুই পরিবর্তন আনেন আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড। লাওতারো মার্তিনেজ ও থিয়াগো আলমাদার বদলে মাঠে নামান হুলিয়ান আলভারেজ ও নিকো গঞ্জালেজকে। অস্ট্রিয়াও শুরুর একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনে।

এদিকে দুই দলই একাদশে পরিবর্তন আনলেও দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের আগে তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কেউ। পানি পান বিরতির পর ৭৪ মিনিটে ম্যাচে প্রথম কর্ণার পায় আর্জেন্টিনা। মেসির বাড়িয়ে দেয়া বলে গোলের সুযোগ এসেছিল নিকো গঞ্জালেজের সামনে। তবে তিনি তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ৮১ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল অস্ট্রিয়ার। তবে মেদিনা কর্ণারের বিনিময়ে তা প্রতিরোধ করেন। ৮২ মিনিটে ডি পল এবং মেদিনার বদলে লিয়ান্দ্রো পারাদেস ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে মাঠে নামান স্কালোনি।

দুই দলই একাধিক পরিবর্তন আনলেও ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ যেন কিছুটা ঝিমিয়েই পড়েছিল। আর ঝিমিয়ে পড়া সেই ম্যাচ শেষের একেবারে আগমূহুর্তে ফের প্রাণ ফিরিয়ে আনেন মেসি। ইনজুরি টাইমের একেবারে শেষে দলের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে তখন অস্ট্রিয়া বক্সের ভেতরে ছোটখাটো একটা ঝড়ই বয়ে গেল তখন। সেই ঝড়ে শেষ পর্যন্ত মেসির মুখেই ফুটল শেষ হাসি। প্রথমে আলভারেজের শট অস্ট্রিয়া ডিফেন্ডারের গায়ে লাগল। ফিরতি বলটা পেলেন মেসি। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তাঁর শট ঠেকান আরেক ডিফেন্ডার। আবারও ফিরতি বলে মেসির শট এবং গোল করেন এলএমটেন। তাঁর এই গোলেই দ্বিগুণ হয় ব্যবধান। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা মাঠ ছাড়ে ২-০ গোলের দারুণ এক জয় নিয়ে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে বসে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। দু’জনেরই বিশ্বকাপে গোল ১৬টি করে। আর একটি গোল করতে পারলেই এককভাবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন তিনি।

ম্যাচের ৯ম মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিলেন। কিন্তু পোস্টের ডান পাশে মেরে দিয়ে সেই রেকর্ড গড়া থেকে বঞ্চিত হলেন তিনি। এরপর আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলেন। নিশ্চিত গোল মিস হলো। অস্ট্রিয়ার ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক তাকে গোল করতে দিলেন না।

অবশেষে ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করলেন তিনি। আলমাদার কাছ থেকে বল পেয়ে মেদিনা সেটা এগিয়ে দেন মেসির কাছে। সঙ্গে সঙ্গেই বাঁ-পায়ের বুলেট গতির শট। অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক জায়গা থেকে নড়ারই সুযোগ পেলেন না। গোল হয়ে গেলো। বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে লিওনেল মেসির গোল এখন ১৭টি। এককভাবে তিনিই এখন উঠে গেলেন শীর্ষে।

আর্জেন্টিনাও এগিয়ে গেলো ১-০ গোলে। এ বিশ্বকাপে মেসির গোল হলো ৪টি।

কালের আলো/এম/এএইচ