খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মালয়েশিয়া-চীন সফরের অর্জন দেশের মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়া-চীন সফরের অর্জন দেশের মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া এবং চীন সফরে যদি ভালো কিছু অর্জন হয়ে থাকে— এটি বাংলাদেশের অর্জন, দেশের মানুষের অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এসব কথা বলে। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে এই সংসদের পক্ষ থেকে, তার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং আন্তরিকভাবে সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এখানে মূল বিষয় যেটি, এটি হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার জন্য।

আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি, সেটি হচ্ছে যে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’। যে কাজটি করার চেষ্টা করেছি, আমার অবস্থান থেকে আমি আমার দেশের, আমার দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে আমাদের কারোরই কোনো ব্যক্তিগত কোন বিষয় নেই। যদি কিছু অর্জন হয়ে থাকে, ভালো কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকে— এটি বাংলাদেশের অর্জন। এই সফরের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের কোনো অর্জন হয়ে থাকে, সেটি দেশের মানুষের অর্জন।

তারেক রহমান আরও বলেন, যেহেতু সংসদের সকল সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা- উনিও উৎসাহ প্রদান করেছেন দেশের জন্য, দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য— সেজন্য আবারো আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সকল সদস্য, বিরোধীদলীয় নেতাসহ সকল সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, এজন্য বিশেষ প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যাচ্ছে বিশেষ শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, এ নিয়ে বড় প্রকল্প প্রস্তুত ও প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৩০ জুনে পাস হতে যাওয়া নতুন জাতীয় বাজেটে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ ও হ্রাসের জন্য সুনির্দিষ্ট ও বিশেষ অর্থনৈতিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘সিএসএফ সেন্টার’ এর সেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনার বিকাশে প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ, পুনর্বাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কেন্দ্রটি তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।

সমাজের প্রতিটি পিছিয়ে পড়া মানুষের মানবিক উন্নয়ন ও সম-অধিকার নিশ্চিত করাই আসল অগ্রগতি বলে মন্তব্য করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তার নীতি প্রণয়ন, বাজেট এবং ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন এনে দেশের প্রতিটি প্রতিবন্ধী মানুষকে অন্য সকল নাগরিকের সমতুল্য অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক সময় উন্নয়ন বলতে বুঝি অনেক টাকা হওয়া কিংবা বড় বড় বিল্ডিং বানানো। কিন্তু শুধু বিল্ডিং দিয়ে তো সমাজের আসল উন্নয়ন হবে না, মানবিক উন্নয়ন হবে না।

মানুষ হিসেবে যদি আমরা উন্নত হতে চাই, তবে সমাজে যে মানুষটির সামান্য অসুবিধা বা প্রতিবন্ধিতা আছে, তার প্রতি আমাদের মমত্ববোধ থাকতে হবে। অন্যথায় কেবল ইটের দালানকোঠার উন্নয়ন হবে, সমাজের প্রকৃত রূপান্তর ঘটবে না।

সরকারকে একটি অত্যন্ত ‘মানবিক সরকার’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জন্মগতভাবে বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত শিশুরা যাতে অবহেলায় হারিয়ে না যায় এবং সমাজের মূলস্রোতে মিশে লেখাপড়া, কর্মসংস্থান ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে, সেজন্য রাষ্ট্র তার কাঠামোতে স্থায়ী পরিবর্তন আনছে। আগামী ৩০ জুনে পাস হতে যাওয়া নতুন জাতীয় বাজেটে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ ও হ্রাসের জন্য সুনির্দিষ্ট ও বিশেষ অর্থনৈতিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

প্রান্তিক পর্যায়ে প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ইতিমধ্যে একটি সমন্বিত প্রকল্প প্রণয়নের কাজ শেষ করেছে, যার মূল লক্ষ্য হলো শহর, নগর কিংবা দূরবর্তী গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে থাকা প্রতিটি বিশেষ শিশু যেন সরাসরি সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, একই সাথে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কেবল স্বাস্থ্যসেবাই নয়, বরং শিক্ষাক্ষেত্রেও সম-অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা যাতে অন্য সব স্বাভাবিক শিশুদের মতোই সমান মর্যাদা নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পায়, সেজন্য শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই স্কুলগুলোর পরিবেশ ও অবকাঠামো বিশেষ শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

কড়াইল বস্তির সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান এই কড়াইলে এসে যে ‘শিশু স্বর্গ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন, সেই মানবিক উদ্যোগটি বছরব্যাপী সচল থাকবে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্র ও ইনস্টিটিউট থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা নিয়মিত এই সিএসএফ সেন্টারে এসে প্রান্তিক শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী ও সিএসএফ সেন্টারের জেনারেল সেক্রেটারী আবু ঈসা মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর

সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে নতুন করে উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ৭৮৯ জনের মধ্যে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিদফতরের প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৬১৫ জন মারা শিশু মারা গেছে।

প্রতিবেদন আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৭৮৯ জনের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৪৫ জন এবং উপসর্গ রয়েছে ৭৪৪ জনের শরীরে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৫৯৪ জন। অন্যদিকে একই সময় পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৮ হাজার ২৬৬ জন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ জন শিশু আর হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। এই সময়ে ৮৬০ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

এ রোগের প্রধান উপসর্গগুলো হলো- অতিরিক্ত জ্বর, সর্দি ও কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া (কনজাংটিভাইটিস), মুখের ভেতরে সাদা দাগ (কপলিক স্পটস), শরীর ও মুখমণ্ডলে লাল ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ ওঠা।

হামের কারণে শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, কানে সংক্রমণ এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনা মূলত এ কারণেই ঘটে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

হাবিবসহ ৫ পুলিশের মানবতাবিরোধী মামলার রায় রোববার, সরাসরি দেখাবে বিটিভি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
হাবিবসহ ৫ পুলিশের মানবতাবিরোধী মামলার রায় রোববার, সরাসরি দেখাবে বিটিভি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের পাঁচজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হবে রোববার (২৮ জুন)। রায়ের এ কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

তিনি বলেন, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পঞ্চম রায় ঘোষণা হবে ২৮ জুন। পাঁচজনের বিরুদ্ধে এ রায় দেবেন ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ের পুরো কার্যক্রম বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৩ জন।

এর আগে, গত ১৫ জুন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। ওই দিন প্রথমেই রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। এ ঘটনার সঙ্গে তার মক্কেলের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি। তবে মামলার পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৮ জুন দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ১০ জুন পুনরায় সাফাই সাক্ষ্য দেন রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার। জবানবন্দিতে এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে অভিযোগও আনেন তিনি। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি প্রথম ধাপে সাক্ষ্য দেন এই আসামি।

এ মামলায় চঞ্চল ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

গত ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু নতুন করে ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স জমা দেওয়ার আবেদন করে প্রসিকিউশন। এরপর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া আমির হোসেনকে পুনরায় সাক্ষ্য দিতে হয়।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ৭ আগস্ট ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

কালের আলো/এসএকে