খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

যারা ফ্যামিলি কার্ডকে ভুয়া বলেছিলেন, তারাই এখন কার্ডের জন্য উদগ্রীব: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
যারা ফ্যামিলি কার্ডকে ভুয়া বলেছিলেন, তারাই এখন কার্ডের জন্য উদগ্রীব: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নির্বাচনের আগে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের প্রতিশ্রুতিকে যারা ‘ভুয়া’ বলে সমালোচনা করেছিলেন, তারাই এখন এসব কার্ড পাওয়ার জন্য উদগ্রীব বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, মুখে স্বীকার না করলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনার সফলতা বিরোধীরাও উপলব্ধি করছেন।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব বলেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারকে মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হলে তা শুধু পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতেই ভূমিকা রাখবে না, এর ইতিবাচক প্রভাব পুরো গ্রামীণ অর্থনীতিতে পড়বে। এই অর্থ গ্রামের মুদি দোকান, ওষুধের দোকানসহ স্থানীয় বাজারে ব্যয় হবে, ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। ৪০ লাখ পরিবার এ সুবিধার আওতায় এলে বাংলাদেশ আরও শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাজেটের প্রশংসা করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি শুধু সময়োপযোগী বা মানবিক বাজেট নয়, বরং একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার প্রতিফলন। তার ভাষায়, গত ১৭ বছরে অর্থনীতি, শিক্ষা ও অন্যান্য খাত পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতেই এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

বাজেটের আকার নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সবাই উন্নয়ন চান, কিন্তু বড় বাজেটের সমালোচনা করেন। উন্নয়ন করতে হলে বাজেটের পরিধিও বড় হতে হবে। বাসায় ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়ার আশা করা যায় না। তিনি বলেন, সবাই বেহেশতে যেতে চায়, কিন্তু কেউ মরতে চায় না। একইভাবে সবাই নিজের এলাকায় উন্নয়ন চান, কিন্তু বড় বাজেট মেনে নিতে চান না।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে ইয়াসের খান বলেন, তারা সংসদে হাসপাতাল, সড়কসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের দাবি তুলছেন। এর মধ্য দিয়েই প্রমাণ হয়, সরকার ও অর্থমন্ত্রীর প্রতি তাদের আস্থা রয়েছে এবং তারা জানেন, এ সরকারই এসব উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরে ইয়াসের খান দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণায় বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আবারও মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছে।

নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য ফিফার কাছ থেকে সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হয়েছিল ৪৭ কোটি টাকায়। পরে তা বেসরকারি খাতে বিক্রি করে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে প্রায় বিনামূল্যেই দেশের দর্শকরা বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবেন। তিনি বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিনের দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভাঙতে সক্ষম হয়েছে এবং তরুণ-শিশুদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বুয়েটের যেমন সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে সৃজনশীলতা, মেধা, বুদ্ধি এবং দেশ বিনির্মাণের ভূমিকা রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে অনেক অবদান। শনিবার (২৭ জুন) বিকালে বুয়েট অডিটোরিয়ামে ২০২৫-২৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মাহদী আমিন বলেন, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে আমরা চিন্তা করতে পারি, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই কিন্তু বুয়েটের ফ্যাকাল্টি মেম্বার্সদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের যত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন না কেন, দেখবেন সেখানে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা রয়েছেন তারা সেখানে হয় পড়াশোনা করছেন অথবা কেউ না কেউ শিক্ষকতা করছেন। অর্থাৎ আজকে বুয়েটে ভর্তির মাধ্যমে আপনারা খুব রিয়েল একটা লেগেসি পাচ্ছেন, যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেই ঐতিহ্য বর্তমানে বাংলাদেশের বাইরেও বিশ্বের অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, নতুন সরকার মাত্র চার মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেখানে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র কোনো সার্টিফিকেট অর্জন করবে না, শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য থেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একজন মানুষ যার ন্যায়, নীতি, সততা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম থাকবে। এবং একই সঙ্গে সেই দক্ষতা এবং যোগ্যতা নিয়ে তিনি গড়ে উঠবেন। যেখানে আগামীর বাংলাদেশের কর্ণধার হিসেবে তারা চাকরির জন্য, ব্যবসার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য সে প্লাটফর্মগুলোতে সুযোগ পাবেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে বুয়েটকে অবশ্য বড় একটা ভূমিকা রাখতে হবে। যেহেতু আপনারা দেশের শীর্ষ মেধাবী, সবচেয়ে বেশি সৃজনশীলতা নিয়ে আপনারাই তো আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন, সেটাই স্বাভাবিক।

আপনারা যারা রয়েছেন, জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসকেও প্রাধান্য দেওয়া উচিত।স্পোর্টস কালচারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। পুথিগত বিদ্যা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনাদের ইন্টারপার্সোনাল স্কিলস, ট্রান্সফারেবল স্কিলস, টিম স্কিল, লিডারশিপ এই প্রত্যেকটা তৈরি করতে হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা যেমন বলি- ‘গ্রেট পাওয়ার কামস গ্রেট রেসপন্সিবিলিটি’ আপনাদের ক্ষেত্রেও একই। আপনাদের অনেক স্বীকৃতি আছে। এর মানে, আমাদের এটাকে আরও এক হাত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে কীভাবে একটা শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারি, সেখানে আপনারা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।

সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন- তিনি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন, কীভাবে বুয়েটে গবেষণার জন্য আরও বেশি ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। এত বড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভিসি স্যারকে বলছিলাম অডিটোরিয়ামের এ অবস্থা কেন? আমাদের মনে হয় সরকারের দিক থেকেও আরও বেশি সহযোগিতা করার প্রয়োজন রয়েছে এবং আমরা ইনশাআল্লাহ সেটা করব।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আমি আজকে যখন আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছি এটা শুধু ওরিয়েন্টেশনের শিক্ষার্থীর সামনে না, দাঁড়িয়ে রয়েছি আগামী বাংলাদেশ যারা বিনির্মাণ করবে, আগামীর বাংলাদেশের যারা কান্ডারি, সেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে। আগামীর ভবিষ্যৎ ইনশাআল্লাহ আপনারা নির্মাণ করবেন। সরকারের দিক থেকে যা করণীয়, যা সহযোগিতার প্রয়োজন হবে, আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা দিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াব।

এ সময় শহীদ আবরার ফাহাদের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদ সেই মানুষটা কিন্তু আপনাদেরই পূর্বে ছিলেন এ বুয়েটের। আমরা চাই আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সুনাগরিক হয়ে ওঠার যে আকাঙ্ক্ষা সেটাকে ধারণ করে, আগামী বাংলাদেশের বুয়েট এবং বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন, তাদেরকে মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্লাটফর্মটা তৈরি করে দিতেন।

মাহদী আমিন বলেন, জনগণের সরকার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন সেই কাজটা করতে যাব, অবশ্যই মূল গড়ে উঠার ভিত্তি হবেন আপনারা। আপনারা যারা ছাত্র-ছাত্রী রয়েছেন, আগামীর বাংলাদেশে যখন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠবেন, ভালো ভালো জায়গায় নিজেদের কর্মসংস্থান হবে, হাজারো, লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান আপনারা তৈরি করবেন। আগামীর বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ আপনারা সেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাসিব চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এন এম গোলাম জাকারিয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ

ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ,

সংবাদমাধ্যম বিবিসি শনিবার (২৭ জুন) এক প্রতিবেদনে বলেছে, কার্লোস এদোয়ার্দো নামে ৩১ বছর বয়সী ওই যুবক ভূমিকম্পের পর আটকা পড়ে যান। গত দুইদিন ধরে তাকে জীবিত পাওয়ার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তারা এখনো তার কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

এরমধ্যে আজ তিনি সামান্য শব্দ করেছেন। তার এক চাচাত ভাই বিবিসিকে বলেছেন, “প্রায় দেড় ঘণ্টা বা তার কম বেশি সময় আগে আমরা তার কাছ থেকে (শব্দ) শুনতে পাই। যদিও সে কোনো কথা বলেনি। কিন্তু সে গোঙানির শব্দ করেছে। আমরা তার জন্য খুবই দুশ্চিন্তা নিয়ে অপেক্ষা করছি। ওই গোঙানির পর সে আর কোনো উত্তর দেয়নি।”

পরিবারের সদস্যরা শব্দ শুনতে পাওয়ার কথা জানানোর পর সেখানে একটি স্প্যানিশ উদ্ধারকারী দল এসেছিল। তারা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে ভবনটিতে তল্লাশি চালায়। তবে তারা জীবনের কোনো সন্ধান পাননি। এরপর তারা চলে যান।

কিন্তু কার্লোস এদোয়ার্দোর আত্মীয়রা হাল ছাড়তে চান না। তারা হাত দিয়েই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যাচ্ছেন। তাদের আশা কার্লোসকে জীবিত উদ্ধার করে আনতে পারবেন।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রভার উপদেশ: কখনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
প্রভার উপদেশ: কখনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না

প্রভা বলেন, “মেয়েরা শোনো, আমার ছোট-বড় প্রত্যেককে একটা অনুরোধ করি, যত কিছুই হোক, কোনোভাবেই একটা বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়া যাবে না। যতই ছেলে বলুক, ‘বউ ভালো না, সমাজের জন্য, সন্তানের জন্য সংসার রাখতে হচ্ছে’; এদের স্ক্রিপ্ট একই।

এসব শুনবে না, বিশ্বাসও করবে না। বিশ্বাস করে যদি এরকম কোনো কিছুতে জড়িত হও, তাহলে সারাজীবন নিজেকে মাফ করতে পারবা না। সুতরাং কখনো কোনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না, যতই ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করুক না কেন।”

প্রভা জানান, তিনি নিজেও কিছুদিন আগে এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। সেটার উদাহরণ টেনে বলেন, ‘তোমাকে (মেয়েদের) অনেক কথা শুনতে হবে, কিছু দিন আগে আমাকেও শুনতে হয়েছে এরকম কথা; আমার অলরেডি মুখস্থ হয়ে গেছে, এরা কী কী বলে।

আমি তাকে সোজা বলে দিয়েছি, আপনার যদি ওই সংসারে এত সমস্যা থাকে, ডিভোর্সের প্রসেসিং যদি চলতেই থাকে, তাহলে সেটা আগে শেষ করে আসেন। তারপর ভেবে দেখব, আমরা একে-অন্যের জন্য মানানসই কিনা। এখন সে লোক বলে বেড়ায়, আমি নাকি সাইকো! আই অ্যাম হ্যাপি টু বি আ সাইকো। আই অ্যাম গ্ল্যাড, ওই সংসারে ঢুকিনি

সংসারে অশান্তির অজুহাত দেখিয়ে ওইসব ব্যক্তি মেয়েদের সঙ্গে সখ্য করার চেষ্টা করে বলে মনে করেন প্রভা। সে জন্য এরকম ছেলের সঙ্গে প্রেম তো দূর, বন্ধুত্ব করতেও বারণ করেছেন অভিনেত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি