খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২১ কর্মকর্তাকে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২১ কর্মকর্তাকে বদলি

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়নে রদবদল করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজি), ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।

২৮ জুন(রবিবার) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি-পদায়ন করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে। এনএসআই পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে পদোন্নতি দিয়ে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত আইজি এবং র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিআইজি) ফারুক আহমেদকে পদোন্নতি দিয়ে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ডিআইজি পর্যায়ে প্রলয় চিসিমকে পিটিসি নোয়াখালী, মিয়া মাসুদ করিমকে এপিবিএনের এফডিএমএন কার্যালয়, মোহাম্মদ ওসমান গনিকে পিটিসি রংপুর এবং এএফএম মোশাররফ হোসেন মিয়াজীকে পিটিসি খুলনায় পদায়ন করা হয়েছে।

অতিরিক্ত ডিআইজি পর্যায়ে মোহা. আসাদুজ্জামানকে র‌্যাবে, এ কে এম আক্তারুজ্জামান ও মো. কুতুব উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরে, মো. আল মামুনকে দ্বিতীয় এপিবিএনের অধিনায়ক, সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে পিএসটিএস বেতবুনিয়া এবং মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খানকে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদায় বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল ওয়ারীশকে পিটিসি রংপুর, মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার পর্যায়ে কাজী এহসানুল কবীরকে পুলিশ সদর দপ্তর, মো. জাহিদুর রহমানকে বিপিএ সারদা, সালমা সৈয়দ পলিকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় এবং মো. শহীদুল ইসলাম ও মো. কামরুজ্জামানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌহিদ আহমদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

কুমিল্লার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার

কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
কুমিল্লার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রোজী আক্তারকে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার নিয়োগের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।

রোববার (২৮ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন।

একই প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লার বর্তমান জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শিগগিরই রোজী আক্তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন। জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি জেলা প্রশাসনের সার্বিক কার্যক্রম, আইনশৃঙ্খলা, ভূমি প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাষ্ট্র নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্র নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

সামাজিক সুরক্ষার নামে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তার দাবি, সামাজিক সুরক্ষার জন্য সরকার যে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে, মূল্যস্ফীতি ও করের চাপে তার সুফল মানুষ পাচ্ছে না। কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে আট হাজার টাকা দেওয়ার উদ্যোগও শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতির কারণে কার্যত মূল্যহীন হয়ে যাবে।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকারিতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, সরকার মানুষের হাতে নগদ অর্থ তুলে দিলেও মূল্যস্ফীতির কারণে সেই অর্থের প্রকৃত সুফল তারা পাচ্ছে না। কৃষিপণ্যের দাম বাড়লে বাজারের প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে যায়। ফলে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ব্যয়ও বাড়ে। ফুয়াদের মতে, নগদ অর্থ সহায়তার পরিবর্তে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসেবা ও অন্যান্য মৌলিক সেবার মান উন্নত করা গেলে মানুষের প্রকৃত উপকার হতো। এতে তাদের ব্যয় কমত এবং হাতে বেশি অর্থ থাকত।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বর্তমান কাঠামোর সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, সাধারণ মানুষ সহায়তার টাকার অঙ্কটি বুঝলেও মূল্যস্ফীতির কারণে সেই অর্থের ক্রয়ক্ষমতা কতটা কমে যাচ্ছে, তা অনেক সময় বিবেচনায় আসে না। একজন কৃষক, দরিদ্র পরিবার বা নারীকে যে অর্থ দেওয়া হচ্ছে, মূল্যস্ফীতির কারণে তার কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। ফলে সামাজিক সুরক্ষার নামে যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।

সরকারি দল লুটপাট ও জালিয়াতির প্রস্তাব করছে, আর বিরোধী দল টেলিভিশন-ফ্রিজ নিয়ে ব্যস্ত—এমন মন্তব্য করে ফুয়াদ বলেন, জাতীয় সংসদে বাজেট নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা হচ্ছে না। দু-একজন সদস্য ছাড়া বিরোধী দলের বেশির ভাগ সদস্যকে এ বিষয়ে সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না।

ফুয়াদ বলেন, বাজেট রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এর মাধ্যমে আগামী এক বছরে রাষ্ট্র কোন পথে এগোবে, তার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। অথচ সংসদে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব ও গভীরতা নিয়ে আলোচনা দেখা যাচ্ছে না।

আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় একজন মানুষকে এক হাজার, দুই হাজার বা আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার ফলে তার জীবনমান, আয়ক্ষমতা, স্বাস্থ্য কিংবা সন্তানদের ভবিষ্যতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে কি না, তা মূল্যায়নের কার্যকর ব্যবস্থা রাষ্ট্রের নেই। বাজেটের আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলোর ফলাফল পর্যালোচনার ক্ষেত্রেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

ফুয়াদ আরও বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও সেগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মূল্যায়নের সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। ফলে জনগণের অর্থ কতটা কার্যকরভাবে ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (সিআইপিজি) আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মো. শফিউল্লাহ। সঞ্চালনা করেন সাবেক সচিব ড. শফিকুল আলম।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ। কীনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজধানীতে নিজ বাসায় পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে নিজ বাসায় পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর লাশ

রাজধানীর সবুজবাগের একটি বাসা থেকে নিলুফার ইয়াসমিন (৩০) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৮ জুন) সকালের দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা আক্তার।

ফাতেমা আক্তার বলেন, আনোয়ার হোসেন নামে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী নিলুফার ইয়াসমিন। তার স্বামী গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) এসআই পদে কর্মরত আছেন। সকালে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসআই জানান, রোববার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কোনো একসময় তিনি মারা যেতে পারেন। তার নিজের কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ