খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্র নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্র নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

সামাজিক সুরক্ষার নামে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তার দাবি, সামাজিক সুরক্ষার জন্য সরকার যে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে, মূল্যস্ফীতি ও করের চাপে তার সুফল মানুষ পাচ্ছে না। কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে আট হাজার টাকা দেওয়ার উদ্যোগও শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতির কারণে কার্যত মূল্যহীন হয়ে যাবে।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকারিতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, সরকার মানুষের হাতে নগদ অর্থ তুলে দিলেও মূল্যস্ফীতির কারণে সেই অর্থের প্রকৃত সুফল তারা পাচ্ছে না। কৃষিপণ্যের দাম বাড়লে বাজারের প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে যায়। ফলে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ব্যয়ও বাড়ে। ফুয়াদের মতে, নগদ অর্থ সহায়তার পরিবর্তে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসেবা ও অন্যান্য মৌলিক সেবার মান উন্নত করা গেলে মানুষের প্রকৃত উপকার হতো। এতে তাদের ব্যয় কমত এবং হাতে বেশি অর্থ থাকত।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বর্তমান কাঠামোর সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, সাধারণ মানুষ সহায়তার টাকার অঙ্কটি বুঝলেও মূল্যস্ফীতির কারণে সেই অর্থের ক্রয়ক্ষমতা কতটা কমে যাচ্ছে, তা অনেক সময় বিবেচনায় আসে না। একজন কৃষক, দরিদ্র পরিবার বা নারীকে যে অর্থ দেওয়া হচ্ছে, মূল্যস্ফীতির কারণে তার কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। ফলে সামাজিক সুরক্ষার নামে যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।

সরকারি দল লুটপাট ও জালিয়াতির প্রস্তাব করছে, আর বিরোধী দল টেলিভিশন-ফ্রিজ নিয়ে ব্যস্ত—এমন মন্তব্য করে ফুয়াদ বলেন, জাতীয় সংসদে বাজেট নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা হচ্ছে না। দু-একজন সদস্য ছাড়া বিরোধী দলের বেশির ভাগ সদস্যকে এ বিষয়ে সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না।

ফুয়াদ বলেন, বাজেট রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এর মাধ্যমে আগামী এক বছরে রাষ্ট্র কোন পথে এগোবে, তার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। অথচ সংসদে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব ও গভীরতা নিয়ে আলোচনা দেখা যাচ্ছে না।

আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে ফুয়াদ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় একজন মানুষকে এক হাজার, দুই হাজার বা আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার ফলে তার জীবনমান, আয়ক্ষমতা, স্বাস্থ্য কিংবা সন্তানদের ভবিষ্যতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে কি না, তা মূল্যায়নের কার্যকর ব্যবস্থা রাষ্ট্রের নেই। বাজেটের আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলোর ফলাফল পর্যালোচনার ক্ষেত্রেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

ফুয়াদ আরও বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও সেগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মূল্যায়নের সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। ফলে জনগণের অর্থ কতটা কার্যকরভাবে ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (সিআইপিজি) আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মো. শফিউল্লাহ। সঞ্চালনা করেন সাবেক সচিব ড. শফিকুল আলম।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ। কীনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হজের বিমান ভাড়া আরও কমানোর চিন্তা করা হবে: সংসদে মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
হজের বিমান ভাড়া আরও কমানোর চিন্তা করা হবে: সংসদে মন্ত্রী

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘হজের জন্য বিমান ভাড়া প্রায় ২ লাখ টাকা ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম অবস্থায় সেটি কমিয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা করেছিল। আমরা গতবার প্রথম হজ পেয়েছি। তখন হিসাব করে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নির্ধারণ করতে পেরেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘এবার ডাইনামিক প্রাইসিংয়ের মাধ্যমে হিসাব করে হজের বিমান ভাড়া ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। আগামী দিনে আরও কমানোর জন্য চিন্তা-ভাবনা করব।’

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমান কেনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বিমানের রুটগুলো সম্পূর্ণভাবে চালু হলে আয়ও বাড়বে। তখন হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়ে চিন্তা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য এয়ারলাইনস যেভাবে পরিচালিত হয়, সেগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমানের টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

গুম প্রতিরোধ বিল সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত, ২ সদস্যের ওয়াকআউট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
গুম প্রতিরোধ বিল সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত, ২ সদস্যের ওয়াকআউট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এ বৈঠক হয়।

বৈঠকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই বিল প্রণয়ন ও উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানায় কমিটি।

বৈঠকে কমিটির দুই সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেন। এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, কমিটির সদস্যদের কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটিই তাঁদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।

বৈঠকে বলা হয়, গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একই সময়ে মব তৈরির চেষ্টা চললেও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেনি বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

মিরাজ শেখের অপহরণের দায় সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ ধরনের দোষারোপের রাজনীতি বা ব্লেম গেম পরিহার করা উচিত বলে মত দেন সদস্যরা।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন অংশ নেন।

এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরগুলোর মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ক্ষতি কমাতে প্রতি ঘণ্টায় যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ক্ষতি কমাতে প্রতি ঘণ্টায় যা করবেন

অফিসে কাজের ব্যস্ততায় টানা কয়েক ঘণ্টা চেয়ারে বসে থাকা অনেকেরই নিয়মিত অভ্যাস। কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার ফলে শরীরে নানা ধরনের অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ঘাড়, কাঁধ ও কোমরে ব্যথা, পেশিতে শক্তভাব এবং শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে কাজের ফাঁকে সামান্য নড়াচড়া ও কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ক্ষতিকর প্রভাব কিছুটা কমানো সম্ভব।

প্রতি ঘণ্টায় চেয়ার ছাড়ুন

একটানা বসে না থেকে অন্তত প্রতি ঘণ্টায় কয়েক মিনিটের জন্য চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ানোর অভ্যাস করুন। অফিসের ভেতরে একটু হাঁটাহাঁটি করা, পানি আনতে যাওয়া কিংবা সহকর্মীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে ডেস্ক থেকে উঠে যাওয়া—এ ধরনের ছোট ছোট নড়াচড়াও কাজে আসতে পারে।

হালকা স্ট্রেচিং করুন

দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে ঘাড়, কাঁধ ও পিঠের পেশিতে চাপ পড়ে। তাই প্রতি ঘণ্টায় কিছুক্ষণ ঘাড় ডানে-বাঁয়ে ঘোরানো, কাঁধ ওঠানো-নামানো এবং হাত-পা হালকা স্ট্রেচ করা যেতে পারে। এতে শরীরের জমে থাকা অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

কয়েক মিনিট হাঁটুন

সম্ভব হলে প্রতি ঘণ্টায় কয়েক মিনিট হাঁটার চেষ্টা করুন। অফিসে ছোট কোনো কাজ থাকলে লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করা কিংবা দূরের প্রিন্টার থেকে কাগজ নিয়ে আসার মতো কাজগুলোও নড়াচড়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

চোখকে বিশ্রাম দিন

দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা ল্যাপটপের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে ক্লান্তি তৈরি হতে পারে। তাই কাজের ফাঁকে কিছুক্ষণ পর্দা থেকে চোখ সরিয়ে দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকানো এবং নিয়মিত চোখের পলক ফেলার অভ্যাস করা ভালো।

সঠিক ভঙ্গিতে বসুন

শুধু বিরতি নেওয়াই নয়, বসার ভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পিঠ ভালোভাবে সমর্থন পায়। কম্পিউটারের পর্দা চোখের কাছাকাছি সমতলে রাখা এবং কিবোর্ড-মাউস ব্যবহারের সময় হাত ও কবজিকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখার চেষ্টা করুন।

পানি পান করুন

ডেস্কে বসে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করতে ভুলে যান। কাছে পানির বোতল রাখলে নিয়মিত পানি পান করার অভ্যাস তৈরি করা সহজ হয়। একই সঙ্গে পানি নিতে উঠে যাওয়াও আপনাকে কিছুটা নড়াচড়ার সুযোগ দেবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অফিসের কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও দীর্ঘ সময় একটানা বসে না থাকা। প্রতি ঘণ্টায় মাত্র কয়েক মিনিটের বিরতি, সামান্য হাঁটাহাঁটি ও স্ট্রেচিংয়ের মতো সহজ অভ্যাস দীর্ঘ সময়ের ডেস্কভিত্তিক কাজকে তুলনামূলকভাবে সক্রিয় করে তুলতে পারে।

কালের আলো/এসএ