খুঁজুন
                               
, ,
           

বেতন পাওয়ার পরই টাকা শেষ? মাসের শুরুতে করা এই ৭ ভুল বন্ধ করুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
বেতন পাওয়ার পরই টাকা শেষ? মাসের শুরুতে করা এই ৭ ভুল বন্ধ করুন

বেতন পাওয়ার দিনটিই যেন মাসের সবচেয়ে আনন্দের দিন। কিন্তু মাস শেষ হওয়ার আগেই যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স কমতে শুরু করে, তাহলে সমস্যা শুধু আয় কম হওয়ার নয়—খরচের ধরন ও টাকা ব্যবস্থাপনার ভুলও বড় কারণ হতে পারে।

আর্থিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, মাসের শুরুতেই আয় ও খরচের একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা করা এবং প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখা জরুরি। কারণ ছোট ছোট অনিয়ন্ত্রিত খরচও মাস শেষে বড় অঙ্কে পরিণত হতে পারে।

তাই বেতন হাতে পাওয়ার পর এই ৭টি ভুল এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

১. বেতন পেয়েই বড় কেনাকাটা

বেতন ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে নতুন পোশাক, গ্যাজেট, রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা অনলাইনে শপিং—এগুলোতে বেশি খরচ করে ফেললে মাসের বাকি সময়টা চাপের হয়ে উঠতে পারে।

বেতন পাওয়ার দিনই পুরো টাকা ‘খরচযোগ্য’ মনে না করে আগে মাসের প্রয়োজনীয় খরচগুলো আলাদা করে রাখুন।

২. বাজেট না করেই খরচ শুরু

‘দেখা যাবে’ ভেবে মাস শুরু করলে কোথায় কত টাকা যাচ্ছে, তা বোঝা কঠিন হয়ে যায়।

মাসের শুরুতেই বাসা ভাড়া, বাজার, বিল, যাতায়াত, ঋণের কিস্তি, সঞ্চয় ও অন্যান্য খরচ লিখে একটি বাজেট তৈরি করুন। মাসের প্রতিদিনের খরচও নোট করলে কোথায় বেশি টাকা চলে যাচ্ছে তা সহজে ধরা পড়ে।

৩. ছোট খরচকে গুরুত্ব না দেওয়া

এক কাপ কফি, রাইড শেয়ার, অনলাইন ফুড অর্ডার, অপ্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন কিংবা প্রতিদিনের ছোটখাটো কেনাকাটা—একেকবারে অল্প মনে হলেও মাস শেষে এগুলো বড় অঙ্ক হতে পারে।

তাই ‘মাত্র ১০০-২০০ টাকা’ ভেবে কোনো খরচকে একেবারে হিসাবের বাইরে রাখবেন না।

৪. বেতন থেকে সঞ্চয় না করে যা থাকে তা জমাবেন ভাবা

অনেকেই ভাবেন, মাস শেষে টাকা থাকলে সঞ্চয় করবেন। বাস্তবে মাস শেষ হওয়ার আগেই সেই টাকা খরচ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বরং বেতন পাওয়ার পরই সামর্থ্য অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে রাখুন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা স্থানান্তরের ব্যবস্থাও করা যায়।

৫. ‘নিজেকে একটু ট্রিট’ দিতে গিয়ে বাজেট ভেঙে ফেলা

বেতন পেয়েছেন—তাই বন্ধুদের সঙ্গে দামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া, ঘুরতে যাওয়া বা শপিং করতেই পারেন। কিন্তু এর জন্য আগে থেকে নির্দিষ্ট বাজেট না থাকলে আনন্দের সেই খরচই পরে আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিনোদনের জন্য আলাদা বাজেট রাখুন, কিন্তু সেই সীমা অতিক্রম না করার চেষ্টা করুন।

৬. মাসের বড় খরচগুলো আগে থেকে না ভাবা

মাসের শুরুতে শুধু নিয়মিত খরচ হিসাব করলেই হবে না। চিকিৎসা, বাড়ির মেরামত, শিক্ষার খরচ, উপহার, ভ্রমণ বা বার্ষিক কোনো বিলের মতো অনিয়মিত খরচও মাথায় রাখতে হবে।

কয়েক মাসের খরচের হিসাব দেখলে এ ধরনের কম ঘনঘন আসা খরচও বাজেটে রাখা সহজ হয়।

৭. জরুরি সঞ্চয় না রাখা

হঠাৎ অসুস্থতা, চাকরিতে সমস্যা, বাড়ির জরুরি মেরামত কিংবা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত খরচ—যেকোনো সময় আসতে পারে। জরুরি সঞ্চয় না থাকলে তখন ধার বা ক্রেডিটের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।

তাই নিয়মিত আয়ের পাশাপাশি জরুরি তহবিল তৈরির অভ্যাস করা গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য পরিমাণ দিয়েও শুরু করা যায়।

মাসের শুরুতেই করুন এই ছোট্ট পরিকল্পনা

বেতন হাতে পাওয়ার পর প্রথমেই—

প্রয়োজনীয় খরচ → সঞ্চয় → জরুরি তহবিল → ঋণ/কিস্তি → দৈনন্দিন খরচ → বিনোদন

এভাবে অগ্রাধিকার ঠিক করে নিন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কত টাকা আয় করছেন তার পাশাপাশি কত টাকা কোথায় খরচ করছেন—সেটিও জানা। নিয়মিত খরচের হিসাব রাখা ও বাস্তবসম্মত বাজেট তৈরি করলে মাসের শেষের আর্থিক চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বেতন পাওয়ার পর টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যা তাই শুধু ‘কম আয়’-এর বিষয় নয়; অনেক সময় ভুল অভ্যাস বদলালেও আর্থিক পরিস্থিতিতে বড় পার্থক্য আনা সম্ভব।

কালের আলো/এসএ

‘বিদেশে কিছু পেলে শুধু ১০% দিয়েন’—দুদকের অভিযোগে আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
‘বিদেশে কিছু পেলে শুধু ১০% দিয়েন’—দুদকের অভিযোগে আসিফ মাহমুদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারসহ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ঢাকা ওয়াসা, এলজিইডি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তা নিয়োগে মোট ১৮৭ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

দুদকের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়া এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এসব অভিযোগের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।

এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’

তার এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে দুদকের অভিযোগকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বন্ধ ইউনিট চালু, জাতীয় গ্রিডে ফিরছে আদানির বিদ্যুৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
বন্ধ ইউনিট চালু, জাতীয় গ্রিডে ফিরছে আদানির বিদ্যুৎ

কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ফের সচল হয়েছে। ফলে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ২৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বাড়িয়ে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে নেওয়া হবে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির একটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে দুটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে ঘণ্টায় এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর সরবরাহ কমে প্রায় ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এর আগে কয়লা সরবরাহ সংকটের কারণেও গোড্ডা কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। গত ৭ আগস্ট ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। পরে আগস্টের শেষ দিকে কয়লা সরবরাহ বাড়লে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়তে শুরু করে।

দিনের বেলায় কেন্দ্রটি প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় ওই সময় দেশের বিদ্যুৎব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছিল।

১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৮০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০১৭ সালে কেন্দ্রটির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ড রয়েছে।

বর্তমানে দেশে ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে পিডিবি প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে। গোড্ডা কেন্দ্রের বন্ধ ইউনিট ফের চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যোগ্যতা ও সমতার ভিত্তিতে সব নাগরিকের সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
যোগ্যতা ও সমতার ভিত্তিতে সব নাগরিকের সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই: রাষ্ট্রপতি

দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে গণতন্ত্রের নিয়মিত চর্চা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি। দেশের মানুষ একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চায়।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ দুর্বল হলে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার সুরক্ষিত রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

সাক্ষাৎকালে পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সরকারের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।

হিন্দু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা, পুরোহিত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন সন্তোষ শর্মা। এসব পদক্ষেপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সন্তুষ্টির বিষয়টি তিনি রাষ্ট্রপতিকে জানান।

এ সময় পরিষদের নেতারা হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নাগরিকদের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও সমান অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিনিধিদল আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে ভক্ত ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানায়। রাষ্ট্রপতি সাদরে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং যোগ্যতা, ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও সমতার ভিত্তিতে সব নাগরিকের জন্য ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়সহ দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি