খুঁজুন
                               
, ,
           

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৭২ , নিখোঁজ ১,৪০০-এর বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৭২ , নিখোঁজ ১,৪০০-এর বেশি

নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢলে মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। দুর্যোগের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর শুক্রবার প্রাণহানির নতুন এ তথ্য জানা গেছে।

নেপালের পুলিশ জানিয়েছে, দেশটিতে এ ঘটনায় অন্তত ৪৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছিল, তিব্বতে তিনজন মারা গেছেন। ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ৪৭২ জনে।

গত বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় আকস্মিক এ ঢল নামে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, এখনো ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শত শত বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতেই নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৫৫০-এর বেশি।

এদিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে অতিরিক্ত পানি জমে একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। হ্রদটির পানি উপচে পড়লে দ্বিতীয় দফায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে উদ্ধারকারীদের সতর্ক অবস্থায় কাজ করতে হচ্ছে।

দুর্যোগের কারণ নিয়ে এখনো বিশ্লেষণ চলছে। তবে রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, নেপালের লাংটাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথরের ধস লহেন্দেখোলা নদীতে পড়ে।

এর ফলে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে গিয়ে একটি প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়। পরে সেই বাঁধ ভেঙে গেলে পানি, বরফ, পাথর ও কাদার বিশাল স্রোত প্রবল বেগে ভাটির দিকে নেমে আসে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান এখনো চলছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ ও দুর্গম এলাকায় অভিযান চালাচ্ছেন।

কালের আলো/এসএ

মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ সামান্থা, জানালেন ১১ কেজি ওজন বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ সামান্থা, জানালেন ১১ কেজি ওজন বেড়েছে

মা হতে চলেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। মাতৃত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছেন তিনি। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে মাতৃত্বকালীন নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে অংশ নেন সামান্থা। সেখানে ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি গর্ভাবস্থায় তার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের কথাও জানান তিনি।

এক ভক্ত তার ওজন বাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সামান্থা লেখেন, ‘আমিও বুঝতে পারছি। ইতোমধ্যে ১১ কেজি ওজন বেড়ে গেছে।’

অন্য এক ভক্ত এই সময়ের মানসিক অবস্থা ও মেজাজের ওঠানামা নিয়ে জানতে চান। উত্তরে সামান্থা জানান, অনেক সময় তিনি একটি কথা বলা শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত নিজেই বুঝতে পারেন না, আসলে কী বলতে চাইছেন। একই সঙ্গে সন্তান আগমনের অপেক্ষার অনুভূতিও প্রকাশ করেন তিনি।

এক নতুন মা নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, সারা দিন সন্তানকে খাওয়ানো, ঢেঁকুর তোলানো ও কোলে নিয়ে দোলানো—একই কাজের পুনরাবৃত্তিতেই সময় কেটে যাচ্ছে।

সেই অভিজ্ঞতার জবাবে সামান্থা লেখেন, ‘শুনেই মনে হচ্ছে—এটা আসলে ২৪ ঘণ্টার চাকরি!’

এক অনুরাগী সরাসরি জানতে চান, মাতৃত্বের এই সময়টা তিনি উপভোগ করছেন কি না। উত্তরে সামান্থা জানান, মন থেকে পুরো বিষয়টি উপভোগ করছেন তিনি। তার ভাষায়, তিনি ভাবেননি মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাকে এতটা শক্তিশালী অনুভূতি দেবে।

সামান্থা জানান, আগে তার ধারণা ছিল এই সময়টায় হয়তো বেশিরভাগ সময়ই প্রচণ্ড চাপে থাকবেন। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা হয়নি। বরং পুরো অভিজ্ঞতাই তার কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারেও মা হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন সামান্থা। দীর্ঘদিন ধরেই মাতৃত্বের স্বপ্ন দেখেছেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, সামান্থা রুথ প্রভু ও তার স্বামী রাজ নিদিমোরু তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাইযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করবে। আমরা কোনোভাবে পিছপা হবো না। তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ৭৪ পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, কেউ হয়তো বলছেন সরকার তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি অন্যভাবে বলতে চাই যে গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সহযোগিতা ও সমর্থন আছে বলেই তাদের আকাঙ্খা পূরণে সরকার কাজ করতে পারছে। যতদিন আমাদের জনগণ ক্ষমতায় রাখবে ততদিন আশা করি এসব পরিবারের সমর্থন আমাদের সঙ্গে থাকবে। যতই সীমাবদ্ধতা থাকুক আমরা এসব পরিবারের পাশে থাকবো।

খুন-গুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি তা হয়তো কোনোভাবে পূর্ণ করা সম্ভব নয়। তারপরও এতটুকু বলবো আমাদের অবস্থান থেকে আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি থাকবো।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রথম গান প্রকাশিত হলো হৃতিক রোশনের বড় ছেলে হৃহান রোশনের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
প্রথম গান প্রকাশিত হলো হৃতিক রোশনের বড় ছেলে হৃহান রোশনের

বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশন ও সুজান খানের বড় ছেলে হৃহান রোশন এবার আনুষ্ঠানিকভাবে পা রাখলেন সংগীতজগতে। ২০ বছর বয়সী এই তরুণ শিল্পী প্রকাশ করেছেন তার প্রথম একক গান ‘দ্য হেভেনলি প্লেস’।

ইউটিউব, স্পটিফাই ও ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি নিজেই গিটার বাজিয়েছেন হৃহান। প্রথম গান প্রকাশের পরই তার নতুন পথচলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে পুরো রোশন পরিবার।

ছেলের গান ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে হৃতিক রোশন লিখেছেন, ‘তুমি সহজাত প্রজ্ঞা নিয়ে জন্মেছ, যা আমাকে নির্ভীক করে তোলে।’

ছেলের নতুন উদ্যোগে গর্ব প্রকাশ করেছেন মা সুজান খানও। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও হৃহানের দাদা রাকেশ রোশনও সামাজিক মাধ্যমে তার প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পরিবারের বাইরেও হৃহানের গান প্রশংসা পেয়েছে। হৃতিকের সঙ্গী সাবা আজাদ এবং সুজানের সঙ্গী আরসালান গোনি গানটির প্রশংসা করেছেন। হৃতিকের বোন সুনয়না রোশনও ভাতিজার প্রতিভা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘তোমার গানটি অসাধারণের চেয়েও বেশি কিছু, তোমার কণ্ঠই অনেক কিছু বলে দেয়।’

রোশন পরিবারের সঙ্গে সংগীতের সম্পর্ক অবশ্য বহু পুরোনো। হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রাজেশ রোশনের হাত ধরে বলিউডের সংগীতজগতে এই পরিবারের শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে।

এবার হৃহানের হাত ধরে সেই পারিবারিক ঐতিহ্যে যুক্ত হলো নতুন অধ্যায়। অভিনয়ের জগতের বদলে সংগীতকে বেছে নিয়ে নিজের আলাদা পরিচয় গড়ার পথে এগোচ্ছেন হৃতিকপুত্র।

কালের আলো/এসএ