খুঁজুন
                               
, ,
           

ঢাকার আকাশ মেঘলা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার আকাশ মেঘলা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

ঢাকায় আজ দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দুপুর পর্যন্ত দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার পাশাপাশি গরমের অনুভূতিও কিছুটা বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। শুক্রবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর শনিবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় নগরবাসীকে আবহাওয়ার পরিবর্তনের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে, শনিবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য কোনো সতর্কবার্তা নেই। এ সময় নদীবন্দরগুলোকে কোনো সংকেত দেখাতে হবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সারাদেশের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

মুসলিম ঐক্যের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
মুসলিম ঐক্যের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর নেতা ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।

এ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মহানবী (সা.)-কে মানবিক পূর্ণতার সর্বোচ্চ আদর্শ এবং সমগ্র মানবতার পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

পেজেশকিয়ান বলেন, মহানবী (সা.) সমগ্র মানবতার জন্য শান্তি ও নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে এসেছিলেন। তার ধর্ম শান্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং তিনি সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, মহানবী (সা.)-এর মহৎ চরিত্র নৈতিকতা ও সৎ গুণাবলির সর্বোত্তম প্রতিফলন। ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠা বিশ্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার জীবন ও আদর্শ মানবতার জন্য পথনির্দেশনা দিতে পারে।

তিনি মুসলিমদের প্রতি মহানবী (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ইসলামী উম্মাহর মধ্যে ঐক্য ও সংহতি আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর প্রচারিত মূল্যবোধ অনুসরণ করে বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোতে নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার আহ্বান জানান পেজেশকিয়ান।

ইরানের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন, বিশ্বের মুসলমানদের অভিন্ন বিশ্বাস, দৃঢ়তা ও সংকল্প মুসলিম উম্মাহর সদস্যদের মধ্যে আরও বেশি ঐক্য ও সংহতি গড়ে তুলবে। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ইসলামের অগ্রগতি ও বিকাশেও তা ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

কালের আলো/এসএ

‘ভারতে মুসলিমদের থাকা উচিত নয় মনে করলে সে আর হিন্দু নয়’: মোহন ভাগবত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
‘ভারতে মুসলিমদের থাকা উচিত নয় মনে করলে সে আর হিন্দু নয়’: মোহন ভাগবত

মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই এবং সব ধর্মীয় পথ একই লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়—এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেছেন, কোনো হিন্দু যদি মনে করেন ভারতে কোনো মুসলমানের থাকা উচিত নয়, তাহলে তিনি আর হিন্দু থাকবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ‘এক বিশ্ব এক মানবতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে রোববার (৩০ আগস্ট) তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মোহন ভাগবত বলেন, বিভিন্ন সময়ে মুসলিম প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় তারা আরএসএসের লক্ষ্য এবং ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে ভারত থেকে মুসলিমদের বের করে দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নও তাকে করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ভাগবতের ভাষায়, হিন্দু রাষ্ট্রের অর্থ মুসলিমদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া নয়। এটি হিন্দুত্বের সংজ্ঞার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, কোনো হিন্দু যদি মনে করেন ভারতে মুসলিমদের কোনো জায়গা নেই, তাহলে সেই ব্যক্তি আর হিন্দু থাকেন না।

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শিক সহযোগী হিসেবে পরিচিত আরএসএস। সংগঠনটির বিরুদ্ধে দেশটিতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি ও মুসলিমবিরোধী কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ভারতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর সহিংসতা ও নিপীড়নের ঘটনাতেও সংগঠনটির নাম উঠে এসেছে।

এদিকে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মোহন ভাগবতের নিউইয়র্ক সফরের বিরোধিতা করে একাধিক স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তবে প্রতিবাদের মধ্যেই পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন আরএসএস প্রধান।

ভাগবতের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে সংগঠনটির ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ধারণা এবং ভারতে ধর্মীয় সহাবস্থান নিয়ে তার অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

ইইউ নিয়ে গণভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রাথমিক ফলে এগিয়ে ‘না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ইইউ নিয়ে গণভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রাথমিক ফলে এগিয়ে ‘না’

ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করা হবে কি না—এ নিয়ে আইসল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গণভোটের প্রাথমিক ফলে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ‘না’ ভোট।

দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরইউভি রোববার (৩০ আগস্ট) ভোরে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে গণনা করা ১ লাখ ৫২ হাজার ভোটের মধ্যে ৫০ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার ইইউর সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরুর বিপক্ষে মত দিয়েছেন। অন্যদিকে, ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার আলোচনার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

আইসল্যান্ডে মোট ভোটার প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার। দুর্গম এলাকাগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সংগ্রহের জটিলতার কারণে রোববার দুপুরের আগে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।

২০০৯ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় আইসল্যান্ড প্রথমবারের মতো ইইউ সদস্যপদের জন্য আবেদন করে। তবে ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকার সেই প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক চাপের কারণে আইসল্যান্ডের ইইউ সদস্যপদের বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। দেশটিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আইসল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ৮ শতাংশ, যেখানে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

‘হ্যাঁ’ ভোটের সমর্থকদের দাবি, ইইউতে যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু হলে দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং নিরাপত্তাও আরও শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে, ‘না’ ভোটের সমর্থকদের আশঙ্কা, ইইউর সদস্য হলে আইসল্যান্ড তার সার্বভৌমত্ব এবং দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক খাত মৎস্যসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে।

আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডটিয়ার ভোটের দিনটিকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে ইইউতে যোগদানের আগে দেশটিতে আরও একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এসএ