খুঁজুন
                               
, ,
           

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া এখনো নিখোঁজ আছেন আরও ২ হাজার ৪৯৮ জন।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে দেশটির সরকার সর্বশেষ আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে। নিখোঁজের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে আরও অনেক বেশি বলে জানা গেছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। যেগুলো বন্যাকবলিত বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া গেছে।

এরমধ্যে চিতাওয়ানে সর্বোচ্চ ২৫৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর রয়েছে পূর্ব নাওয়ালপারাসি। সেখানে পাওয়া গেছে ১৮৪টি মরদেহ। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে।

আর গোর্খায় পাওয়া গেছে ৫৮টি মরদেহ। নুয়াকোটে এ সংখ্যা ৫২। ধাধলিংয়ে ৫০, তানাহুনে ৩৬ এবং রাসুয়া থেকে ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে রাসুয়া জেলায়। তবে এটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে মরদেহগুলো ভাসতে ভাসতে কয়েকশ মাইল দূরে চলে গেছে।

অপরদিকে এখন পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৮ হাজার ১৮৬ জনকে। জীবিতদের উদ্ধারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে হেলিকপ্টার। বন্যার কারণে কিছু কিছু জায়গা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে চারদিন পার হলেও সেখানে এখনো পায়ে হেঁটে বা গাড়িতে করে উদ্ধারকারীরা যেতে পারেননি। সেসব স্থানে যাওয়ার একমাত্র উপায় হলো হেলিকপ্টার।

এদিকে গতকাল নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, এখন পর্যন্ত উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর মধ্যে মাত্র ২০টি শনাক্ত করা হয়েছে। যেহেতু মর্গে আর স্থান নেই এবং মরদেহগুলো রাখার জন্য পর্যাপ্ত ফ্রিজারও নেই; তাই এগুলো এখন সমাহিত করা হবে। এরআগে মরদেহগুলো থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করে রাখা হবে। যেন পরবর্তীতে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের শনাক্ত করতে পারে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে উত্তর কোরিয়ার সামরিক নেতৃত্বে কিমের বড় পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে উত্তর কোরিয়ার সামরিক নেতৃত্বে কিমের বড় পরিবর্তন

উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের রদবদল এনেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। এর অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে নো কোয়াং চোলকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কোরিয়ান পিপলস আর্মির জেনারেল পলিটব্যুরোর প্রধান কিম সং গি।

রোববার (৩০ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানায়।

কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, কাঠামোগত পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শনিবার (২৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কিম জং উন সামরিক নেতৃত্বে এসব পরিবর্তনের অনুমোদন দেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ হারানো নো কোয়াং চোলকে ক্ষমতাসীন দলের অস্ত্রশিল্প বিভাগের প্রথম উপ-পরিচালক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পাক জং চোনকে কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং ক্ষমতাসীন দলের পলিটব্যুরোর সদস্য করা হয়েছে।

সামরিক প্রযুক্তি ও নতুন যুদ্ধাস্ত্র ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য গবেষক ও কর্মকর্তাদের প্রশংসা করার পরপরই এই সামরিক রদবদল করা হলো। কেসিএনএ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র গবেষণাকেন্দ্র সম্প্রতি এমন কিছু নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যা দেশটির সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শেষ হওয়ার পরই উত্তর কোরিয়ার সামরিক নেতৃত্বে এই পরিবর্তনের খবর সামনে এলো। পিয়ংইয়ং দীর্ঘদিন ধরে এসব মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দাবি করে আসছে।

তবে এ বছর মহড়াটি নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়ার প্রতি এ ধরনের সামরিক মহড়াকে ‘উসকানিমূলক’ হিসেবে দেখার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

এর মধ্যেই কিম জং উনের সঙ্গে আলোচনায় বসার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রেখেছেন ট্রাম্প। প্রথম মেয়াদে কিমের সঙ্গে দুই দফা বৈঠকের পর চলতি বছরও উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে নতুন করে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ার আলোচনা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের এমন উদ্যোগে পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

বরং উত্তর কোরিয়া নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি আগামী ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের কাছে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের যৌথ ‘ফ্রিডম এজ’ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক নেতৃত্বে এই রদবদল এবং নতুন অস্ত্র প্রযুক্তির ওপর জোর দেওয়ার বিষয়টি উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দিতে পারে।

কালের আলো/এসএ

জেলা দায়িত্ব বণ্টন: মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
জেলা দায়িত্ব বণ্টন: মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বিরোধী দলের ১১ জন সংসদ সদস্য এ রিট আবেদন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ২০০১ সালেও একই ধরনের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীদের জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তখন হাইকোর্টে রিট করা হয়। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্ট বিভাগ দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত ওই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান, রুলস অব বিজনেস এবং উচ্চ আদালতের পূর্ববর্তী রায়ের আলোকে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত আইনগত কর্তৃত্বের বাইরে এবং বেআইনি।

রিট আবেদনে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন। এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি দীর্ঘদিন ধরে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার এই নিয়োগের ফলে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বর্তমানে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ জনে।

শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ