খুঁজুন
                               
, ,
           

ইইউ নিয়ে গণভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রাথমিক ফলে এগিয়ে ‘না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ইইউ নিয়ে গণভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রাথমিক ফলে এগিয়ে ‘না’

ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করা হবে কি না—এ নিয়ে আইসল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গণভোটের প্রাথমিক ফলে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ‘না’ ভোট।

দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরইউভি রোববার (৩০ আগস্ট) ভোরে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে গণনা করা ১ লাখ ৫২ হাজার ভোটের মধ্যে ৫০ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার ইইউর সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরুর বিপক্ষে মত দিয়েছেন। অন্যদিকে, ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার আলোচনার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

আইসল্যান্ডে মোট ভোটার প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার। দুর্গম এলাকাগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সংগ্রহের জটিলতার কারণে রোববার দুপুরের আগে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।

২০০৯ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় আইসল্যান্ড প্রথমবারের মতো ইইউ সদস্যপদের জন্য আবেদন করে। তবে ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকার সেই প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক চাপের কারণে আইসল্যান্ডের ইইউ সদস্যপদের বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। দেশটিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আইসল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ৮ শতাংশ, যেখানে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

‘হ্যাঁ’ ভোটের সমর্থকদের দাবি, ইইউতে যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু হলে দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং নিরাপত্তাও আরও শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে, ‘না’ ভোটের সমর্থকদের আশঙ্কা, ইইউর সদস্য হলে আইসল্যান্ড তার সার্বভৌমত্ব এবং দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক খাত মৎস্যসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে।

আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডটিয়ার ভোটের দিনটিকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে ইইউতে যোগদানের আগে দেশটিতে আরও একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

১০১ রান করেও সেমিফাইনাল থেকে বিদায় বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
১০১ রান করেও সেমিফাইনাল থেকে বিদায় বাংলাদেশ

লিগ পর্বে ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই দাপুটে জয়। টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই সেমিফাইনালে নেমেছিল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট। কিন্তু নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র ১০১ রানে গুটিয়ে যায় দল।

তবে ছোট লক্ষ্য রক্ষা করতে গিয়ে বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমে ওঠে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমির প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ রান, বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২ উইকেট। শেষ পর্যন্ত দুই বল হাতে রেখে ১ উইকেটে জয় পায় ভিক্টোরিয়া, বিদায় নেয় বাংলাদেশ এইচপি।

১০২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ভিক্টোরিয়া শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিল। একপর্যায়ে ৪ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ছিল ৭৫ রান। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে বাংলাদেশের বোলাররা। মাত্র ২৪ রানের মধ্যে চার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে এইচপি।

শেষ ওভারে উত্তেজনা চরমে ওঠে। প্রথম বলেই রানআউটে টড মার্ফি ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়। পরের দুই বলে কোনো রান না হওয়ায় ম্যাচ সুপার ওভারে যাওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দেয়।

তবে চতুর্থ বলে সেই সম্ভাবনা শেষ করে দেন লিয়াম ব্ল্যাকফোর্ড। পয়েন্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি মেরে দুই বল হাতে রেখেই ভিক্টোরিয়ার জয় নিশ্চিত করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। জিসান আলম ও আরিফুল ইসলামের ব্যাটে পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ১ উইকেটে ৫৬ রান তোলে এইচপি। জিসান ২০ বলে ৩০ এবং আরিফুল ১০ বলে ১৯ রান করেন।

তবে পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরই দ্রুত ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। সাব্বির রহমান করেন ৫ রান। মিডল অর্ডারের অন্য ব্যাটাররাও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১০ ও আবু হায়দার রনি ১২ রান করায় কোনোভাবে ১০০ পার করে বাংলাদেশ।

ভিক্টোরিয়ার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন উইল সাদারল্যান্ড। তিনি একাই নেন ৪ উইকেট।

ছোট পুঁজি নিয়েও অবশ্য লড়াই চালিয়ে যান বাংলাদেশের বোলাররা। সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে ২৩ উইকেট নিয়ে শেষ করেন আসর।

এ ছাড়া শামীম হোসেন ১৮ রানে ২ উইকেট এবং আবু হায়দার রনি ১৬ রানে ১ উইকেট নিয়ে ভিক্টোরিয়াকে চাপে ফেলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ব্যাটারদের ব্যর্থতার খেসারত দিয়ে মাত্র ১ উইকেটের হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশ এইচপিকে।

কালের আলো/এসএ

বিজ্ঞানে ফেল করেছিলেন অমিতাভ, পরে পেশা হিসেবে বেছে নেন অভিনয়

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞানে ফেল করেছিলেন অমিতাভ, পরে পেশা হিসেবে বেছে নেন অভিনয়

বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন অভিনয় জগতে পা রাখার আগে ‘ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস’ (আইএফএস) বা পররাষ্ট্র সেবায় যোগ দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। এমনকি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসার পরিকল্পনাও ছিল তার। তবে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করতে গিয়ে একপর্যায়ে পরীক্ষায় ফেলও করেছিলেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

সম্প্রতি জনপ্রিয় কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি) ১৮-এর মঞ্চে নিজের ছাত্রজীবন ও পড়াশোনার সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসব তথ্য জানান অমিতাভ।

কেবিসির মঞ্চে প্রতিযোগী প্রগতি কল্পেকরের সঙ্গে কথোপকথনের সময় বিষয়টি সামনে আসে। প্রগতি জানান, শো থেকে পাওয়া পুরস্কারের অর্থ তিনি উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যতে আইএফএস কর্মকর্তা হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ব্যবহার করতে চান।

প্রতিযোগীর এই স্বপ্নের কথা শুনে নিজের ছাত্রজীবনের কথা স্মরণ করেন অমিতাভ। তিনি জানান, পরিবারে স্নাতক ডিগ্রিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হতো। সে কারণে তিনি বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।

তবে ক্লাস শুরু হওয়ার পরই বুঝতে পারেন, বিষয়টি তার জন্য বেশ কঠিন। স্মৃতিচারণ করে অমিতাভ বলেন, স্কুলে ১০ বছর ধরে যা পড়েছিলেন, বিজ্ঞানের প্রথম লেকচারেই যেন তার অনেকটাই শেষ হয়ে গিয়েছিল। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সিদ্ধান্তটি তার জন্য ভুল ছিল।

অমিতাভ জানান, বিজ্ঞান বিভাগের একটি পরীক্ষায় তিনি ফেলও করেছিলেন। পরে খুব সামান্য নম্বরে পরীক্ষায় পাস করেন। বিষয়টি নিয়ে অনুষ্ঠানে রসিকতাও করেন তিনি।

সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার প্রাথমিক ইচ্ছা এবং বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনার সংগ্রাম পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত অভিনয়কেই পেশা হিসেবে বেছে নেন অমিতাভ বচ্চন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় তারকায় পরিণত হয়েছেন।

কালের আলো/এসএ

প্রতারণার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, মামলা খারিজ চান সেলেনা গোমেজ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
প্রতারণার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, মামলা খারিজ চান সেলেনা গোমেজ

মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’ ঘিরে আইনি জটিলতায় মুখ খুলেছেন হলিউড তারকা সেলেনা গোমেজ। প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারীদের করা প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে মামলাটি খারিজের আবেদন করেছেন তার আইনজীবীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালে মা ম্যান্ডি টিফির সঙ্গে মিলে ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’ প্রতিষ্ঠা করেন সেলেনা গোমেজ। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদার ড্যানিয়েলা পিয়ারসনও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মামলায় কয়েকজন বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ও অবকাঠামো নিয়ে তাদের বছরের পর বছর ভুল তথ্য ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এসব আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেন।

বিনিয়োগকারীদের মামলায় প্রতারণা, চুক্তি লঙ্ঘন এবং সিকিউরিটিজ জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় সেলেনা গোমেজ, তার মা ম্যান্ডি টিফি এবং সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদার ড্যানিয়েলা পিয়ারসনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন সেলেনার আইনজীবী ম্যাথিউ এস. রোজেনগার্ট। তিনি বলেন, সেলেনা কোনো ধরনের প্রতারণা বা অসদাচরণ করেছেন—এমন ধারণা অযৌক্তিক।

তিনি আরও জানান, মামলাটি খারিজের আবেদনের পাশাপাশি সেলেনাকে অন্যায়ভাবে মামলায় জড়ানোর অভিযোগে অন্যান্য আইনি প্রতিকারের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’কে মানসিক সুস্থতা নিয়ে কাজ করা একটি উচ্চাভিলাষী প্রতিষ্ঠান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনায় ছিল একটি মোবাইল অ্যাপ, বিজ্ঞাপনভিত্তিক চুক্তি এবং তারকাদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট। সেলেনা গোমেজ প্রতিষ্ঠানটির বিপণন কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত থাকবেন বলেও বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছিল বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

তবে তাদের অভিযোগ, এসব পরিকল্পনার অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির অব্যবস্থাপনা ও গুরুতর আর্থিক সংকটের বিষয়েও বিনিয়োগকারীদের সঠিক তথ্য দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা সম্পর্কে বিনিয়োগকারীরা পরে ‘ফোর্বস’ ও ‘দ্য কাট’-এ প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানতে পারেন।

অন্যদিকে, সেলেনা গোমেজের আইনজীবীদের দাবি, মামলায় এমন কোনো নির্দিষ্ট মিথ্যা বক্তব্যের উল্লেখ নেই, যা সেলেনা ব্যক্তিগতভাবে বিনিয়োগকারীদের কাছে দিয়েছেন। আদালতে দেওয়া আবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন না।

আইনি নথি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে সেলেনা কখনো সম্মতি দেননি। এমনকি ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’-এ তার সংখ্যালঘু মালিকানাও ছিল না। তাকে মূলত পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং ‘চিফ সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অফিসার’ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

সেলেনার আইনজীবীদের আবেদনে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো অস্পষ্ট, সাধারণ ও পরস্পরবিরোধী। তাই আইনগতভাবে তাকে এই মামলা থেকে বাদ দেওয়া উচিত।

আইনি নথি অনুযায়ী, ম্যান্ডি টিফি ও ড্যানিয়েলা পিয়ারসনই প্রতিষ্ঠানটির যৌথ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’ পরিচালনা করতেন।

কালের আলো/এসএ