খুঁজুন
                               
, ,
           

এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার

বর্তমান জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ না।’

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে স্পিকার বলেন, অনেক কষ্টের পরে গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে। গণতন্ত্র যাতে বহাল থাকে সেই জন্য প্রতিটা সংসদ সদস্যের দায়িত্ব রয়েছে। আপনাদের বলবো সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলে তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না।

বৃহস্পতিবার কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।’

এরপরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কীসের বাকস্বাধীনতা।’

এর পরেই সংসদে হট্টগোল শুরু হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয় বিরোধীদলের পক্ষ থেকে।

এরপরে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমার বক্তব্যে যদি এভাবে কমেন্টস করা হয়, তবে আমার বক্তব্য দেওয়ার দরকার নাই। নতুন করে এই শব্দগুলো উচ্চারণ শুরু করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজেকে কী মনে করেন। তিনি শুরু থেক্যেই সংসদে দুঃশাসন দেখিয়েছেন। তিনি শুরু থেকেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দেন। আমরা তার ছাত্র হিসেবে এখানে আমি নাই। উনি শিক্ষক হলে তিনি ইউনিভার্সিটি খুলুন, সেখানে উনি বক্তব্য দিতে পারবেন। এটা ফ্যাসিবাদের সংস্কৃতি। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি উনাকে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে।

বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পরে স্পিকার বলেন, ‘সংসদে কথা বলার স্বাধীনতা আপনাদের রয়েছে। আমি দেখলাম বিরোধীদলীয় নেতা যখন দাঁড়ালো উনার পেছনে সবাই দাঁড়িয়ে গেল। কাউকে বসানোই যায় না। সংসদ কথা বলার জায়গা। কথার মাধ্যমে একে অপরের যুক্তিকে খণ্ডন করা যাবে। আমি আজকে বিরোধীদলীয় দলের প্রস্তাব খতিয়ে দেখবো। কিন্তু আপনারা কথা বলার স্বাধীনতা হরণ করবেন না। শব্দ করে বিচারের বাণীকে স্তব্ধ করা যাবে না। আমাকে সংসদ পরিচালনা করতে দিন।’

স্পিকার বলেন, ‘আমি আমার জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে সংসদ পরিচালনার করার চেষ্টা করছি। বিগত ৪০ বছর ধরে এই জাতীয় সংসদে আছি। অতীতে অনেক খারাপ রেকর্ড আছে। আমরা বলতে পারি অতীতের তুলনায় আমরা ভালো সংসদ পেয়েছি। আমরা উভয় পক্ষকে ধৈর্য ধরার জন্য অনুরোধ জানাবো।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ১৩ মিলিয়ন ডলারের এআই হাব, দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ১৩ মিলিয়ন ডলারের এআই হাব, দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব

বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের উন্নয়ন ও দক্ষ প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে ১৩ মিলিয়ন ডলারের একটি এআই হাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তায় ঢাকায় এই হাব গড়ে তোলা হবে।

বাংলাদেশ ও কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোয়িকা) এর মধ্যে এ বিষয়ে ১৩ মিলিয়ন ডলারের অনুদান চুক্তি হয়েছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য এআই ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবল তৈরি, গবেষণা জোরদার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো।

প্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিপুলসংখ্যক কর্মী থাকলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা অ্যানালিটিকস ও উন্নত প্রযুক্তিতে বিশেষায়িত দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। নতুন এআই হাব এই ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিংয়ের সঙ্গে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার মানুষ যুক্ত এবং এই খাত থেকে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক আয় আসে। তবে এআইনির্ভর অর্থনীতিতে আরও এগোতে বিশেষায়িত দক্ষ পেশাজীবী তৈরি করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু এআই প্রযুক্তি ব্যবহার নয়, স্থানীয় পর্যায়ে এআই গবেষণা, উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তি তৈরি করার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রযুক্তিভিত্তিক কার্যক্রম বাড়ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ক্লাবের উদ্যোগে আইটি কার্নিভাল শুরু হয়েছে।

প্রযুক্তিবিদদের ধারণা, এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য দেশে ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধির খাত হিসেবে আরও শক্তিশালী হতে পারে।

কালের আলো/এসএ

উপায়ে চাকরির সুযোগ, নিয়োগ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
উপায়ে চাকরির সুযোগ, নিয়োগ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার

ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ‘উপায়’ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার’ পদে একজন যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

নিয়োগের বিস্তারিত

প্রতিষ্ঠান: ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেড (উপায়)
পদ: কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার
চাকরির ধরন: ফুলটাইম, অফিসভিত্তিক
কর্মস্থল: সিলেট
বেতন: মাসিক ৩০ হাজার টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

প্রার্থীকে ফিন্যান্স, মার্কেটিং অথবা বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে বিবিএ ডিগ্রিধারী হতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংক বা ফিনটেক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানে ৩ থেকে ৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

সিলেটের করপোরেট ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এ ছাড়া করপোরেট সেলস, চ্যানেল পার্টনারশিপ ও ডিজিটাল পেমেন্ট সলিউশন নিয়ে কাজের দক্ষতা প্রয়োজন। নির্ধারিত এলাকায় মাঠপর্যায়ে ভ্রমণ করার মানসিকতাও থাকতে হবে।

যেসব দায়িত্ব পালন করতে হবে

নির্ধারিত এলাকায় করপোরেট চ্যানেল পার্টনার খুঁজে বের করা, তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি ও সক্রিয় রাখা হবে এই পদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি করপোরেট কালেকশন ও ডিজিটাল পেমেন্ট সেবার প্রসারে কাজ করতে হবে।

নির্ধারিত মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, নতুন পার্টনারদের কেওয়াইসি যাচাই ও চুক্তি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে। পার্টনারদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ টিমের সঙ্গে সমন্বয় করেও কাজ করতে হবে।

যেভাবে আবেদন

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন ও নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ

সেপ্টেম্বরের মধ্যে হতে পারে স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
সেপ্টেম্বরের মধ্যে হতে পারে স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তবে দুর্গাপূজা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আইনগত সময়সীমাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।

নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিতে সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তফসিল ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশন মাঠে নামতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয়ের জন্যও সংশ্লিষ্ট কমিশনারকে কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে।’

তফসিলের সময় নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটা তফসিল দিতে পারব। তবে নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণে দুর্গাপূজা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আইনগত সময়সীমাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে হচ্ছে। এটা নিশ্চিত যে আমাদের এই বছরের মধ্যে শুরু করতে হবে। আইনি বিষয় আছে এখানে। এই বছরের মধ্যে শুরু করতে হবে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোট ডিসেম্বরের দিকে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা দ্রুত শেষ করা সম্ভব হলে নভেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের সময়ের স্লট খুবই শর্ট। এরপর রমজান চলে আসবে। রমজানের পরে ঈদুল আজহা, তারপর বর্ষাকাল—নানাবিধ জটিলতা আছে। সবকিছু মিলিয়েই আমাদের নির্বাচন করতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট একটি আসনের উপনির্বাচনও ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সঙ্গে যাতে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেটিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, আইনগতভাবে যেসব নির্বাচন আগে করার প্রয়োজন, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আগের ধাপের নির্বাচনগুলোর মধ্যে ২০২১ সালের ১০ জুন প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদও অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে।

নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ‘যেসব এলাকায় নির্বাচন আগে দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা আছে, সেগুলো আমাদের প্রথমে বিবেচনায় নিতে হবে। আর হিলি রিজিয়ন বা দুর্গম অঞ্চল যেখানে আছে, সেখানে যদি নির্বাচন পড়ে, সেগুলো শুকনো মৌসুমে করার চেষ্টা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছি, তার চেয়ে ভালো বই খারাপ নয়—ওই স্ট্যান্ডার্ডে আমরা কাজ করতে চাই। প্রফেশনালি, ইন্ডিপেন্ডেন্টলি এবং নিউট্রালি যাতে কাজ করতে পারি এবং আমাদের প্রত্যেকটা পদক্ষেপ যাতে ক্রেডিবল হয়, সেভাবেই কাজ করতে চাই।’

সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ আগামী নির্বাচনগুলোতে কমিশনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই এবং নির্বাচন কমিশন তার নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ