খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালন ও রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ থেকে পদত্যাগ করে এসেছি। আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ। দলনিরপেক্ষভাবেই আমি আমার দায়িত্বপালন করে যাবো।’

বঙ্গভবনের দরবার হলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির প্রথম দরবারে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর কারো প্রতি তার কোনো রাগ-অনুরাগ থাকবে না। দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য।

তিনি যে কোনো পরিস্থিতিতে জনগণের আস্থা অর্জন, সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও আনুগত্য রাখতে হবে। এসময় তিনি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, বঙ্গভবন হলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এর মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত-সংক্রান্ত সব বিষয় অত্যন্ত কঠোরভাবে গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিচালনা করতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়। এসময় তিনি রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল এবং অপচয় রোধের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের জনগণের অর্থেই সরকারি সম্পদ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের সঠিক, দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের জীবনে শৃঙ্খলা মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত নৈতিক মনোবল ও সুন্দর চরিত্র গঠনে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একইসঙ্গে তিনি যুদ্ধপরবর্তী দেশ ও রাষ্ট্রগঠনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও কৃতিত্ব শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

একইসঙ্গে তিনি পূর্ববর্তী সব রাষ্ট্রপতির কথাও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা এখানে একটা পরিবার। সবাই একই জায়গায় কাজ করি। আমরা যখন সুযোগ পাবো, সেই সময় পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবো।’

তিনি ভবিষ্যতেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আশা প্রকাশ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নেপালের বন্যায় শোক ও সহায়তার বার্তা সংসদের, সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
নেপালের বন্যায় শোক ও সহায়তার বার্তা সংসদের, সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাব

ছাত্র-জনতার বিজয়ের স্মৃতিবাহী আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণকে স্মরণ করে শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন। অধিবেশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। একই সঙ্গে ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর বিরতিতে ২০২৬ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়াকে দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে। শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি গণতান্ত্রিক, শক্তিশালী ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সংসদ সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মহান জাতীয় সংসদ ও ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। স্পিকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুন রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা ও পারস্পরিক সহযোগিতা সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে। সংসদকে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সর্বোচ্চ উল্লেখ করে তিনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

অধিবেশনের কার্যপ্রণালী বিধির ১২(১) বিধি অনুযায়ী স্পিকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের জন্য ৫ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর নাম ক্রমানুসারে ঘোষণা করেন। মনোনীত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), জামাল নিজাম (চট্টগ্রাম-১৩), মুহাম্মদ নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), নিলুফার চৌধুরী মনি (মহিলা আসন-১০) এবং মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১)। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে তালিকায় থাকা নামের ক্রমানুসারে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা অধিবেশন পরিচালনা করবেন।

এরপর স্পিকার অধিবেশনে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সংসদ গত ১২ জুলাই প্রয়াত সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও মন্ত্রী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে। এছাড়া সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সতীশ চন্দ্র রায়, মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ জাহান চৌধুরী, সাবেক চিফ হুইপ ও প্রতিমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন মিয়াসহ মোট ১২ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক জানানো হয়। পাশাপাশি একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী, চিত্রশিল্পী মোস্তফা মনোয়ার, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং শিক্ষাবিদ ড. মকবুল হোসেনের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করা হয়।

শোক প্রস্তাবে বাদ পড়া সাবেক সংসদ সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। তিনি যশোরের ঝিকরগাছা থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আবু সাদেক মোহাম্মদ আবু সাঈদ এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে নির্বাচিত মাওলানা আব্দুল আজিজের নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করার অনুরোধ জানান।

পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রেখে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি নাটোরের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমানের নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি নেপালের সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় মহান সংসদের পক্ষ থেকে শোক ও সমবেদনা প্রস্তাবের আহ্বান জানান।

চিফ হুইপ জানান, বন্ধুপ্রতিম দেশ নেপালের এই দুর্যোগে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় উদ্ধার কাজ ও মেডিকেল টিম পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন।

সংসদে উত্থাপিত শোক প্রস্তাবসমূহ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। নেপালের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশসহ সব প্রয়াত ব্যক্তিবর্গের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। নীরবতা পালন শেষে প্রয়াতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল

জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের শব্দচয়ন নিয়ে হট্টগোল হয়েছে। এ সময় বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথার তীব্র প্রতিবাদ জানান। বিরোধী শিবিরের প্রায় সব সংসদ সদস্যই দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। পরিস্থিতি সামলাতে স্পিকারকে হিমশিম খেতে হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বের সময় এ পরিস্থিতির তৈরি হয়।

শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পরই বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ জানান। তাদের হট্টগোলের সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এটা তো আওয়ামী লীগের আমল না। আপনারা তো ইচ্ছেমতো সরকারকে ক্রিটিসাইজ করতে পারছেন।

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য দেবেন। তারপর আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে দেবো। প্রশ্নোত্তর উনি দিক, তারপর যদি তা পছন্দ না হয় আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে মাইক দেবো।

এরপরও প্রতিবাদ জানাতে থাকেন বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা। এ সময় স্পিকার বলেন, পরমতসহিষ্ণুতা না থাকলে গণতন্ত্র ব্যর্থ হবে। স্পিকারের কথা বলার সময় যে রোষটা আপনারা দেখাচ্ছেন এটা সংসদ পরিপন্থি কাজ। আমি আমার জ্ঞান বুদ্ধিমতো নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করার চেষ্টা করছি।

তখন স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে কথা বলার সুযোগ দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার যে শব্দচয়নে ওনাদের আপত্তি সেটার জবাবটা আমি দিতে পারবো। আপনারা সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আমিও পারবো। যদি কথা না বলতে দেন তাহলে কীসের বাকস্বাধীনতা।

তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলীয় কোন এমপির মামলায় আসামি গ্রেফতার হয় নাই সেটার স্পেসিফিক বর্ণনা দরকার। শুধু হাওয়াইভাবে যদি বলা হয় এসব হচ্ছে প্রতিকার কী…..স্পেসিফিক প্রশ্ন করতে হবে।

তার পরে বিরোধীদল নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন স্পিকার। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমাকে আগে সুযোগ দিলে ওনার কথাটা শুনতে পেতাম। বক্তব্য কি আপনি দেবেন না আমি দেবো? আমার বক্তব্যের সময় যদি এভাবে কমেন্টস করা হয় এটা অশোভন।

তিনি আরও বলেন, আমি সম্মান রেখেই বলতে চাই, আজকে নতুন করে তিনি এই শব্দগুলা উচ্চারণ করেন নাই। উনি নিজেকে কী মনে করেন জানি না। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই। শিক্ষকতা করতে চাইলে ইউনিভার্সিটেতে গিয়ে করুক। উনি আজকে নতুন করে হিট দিয়ে কথা বলেন নাই। ওনার বক্তব্য কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। উনি সংসদের প্রথম দিন থেকেই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলছেন।

এর আগে, কুমিল্লা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ফ্যাসিবাদ প্রতিহতে নজরুলের গান গেয়ে রাজপথে নেমেছিল শিক্ষার্থীরা: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
ফ্যাসিবাদ প্রতিহতে নজরুলের গান গেয়ে রাজপথে নেমেছিল শিক্ষার্থীরা: রিজভী

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদ প্রতিহতে শিক্ষার্থীরা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান গাইতে গাইতে রাজপথে নেমেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে জাতীয় কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদকে প্রতিহত করতে শিক্ষার্থীরা নজরুলের গান গাইতে গাইতে রাস্তায় নেমেছিল। নজরুলের গান কবিতা আমাদের নির্ভীক হতে শেখায়। নজরুলের চর্চা নতুন করে শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে নজরুল অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই নজরুল বিচরণ করেননি। সমাজের বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার ছিলেন। দ্রোহ সমস্ত কালকে পেরিয়ে যায়। তিনি শুধু সামাজিক অন্যায় নয়, সকল চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে বিপ্লবের বাণী প্রচার করেছিলেন।

রিজভী বলেন, এত বড় প্রতিভা বাংলাভাষীদের মধ্যে আর নেই। যখন আমরা জুলুমের মধ্যে পড়ি তখন আমাদের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছে নজরুলের কবিতা। অন্যায়কে প্রতিহত করে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় নজরুলই আমাদের শক্তি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ