খুঁজুন
                               
, ,
           

সচিবালয়ের ১৯ তলায় সাপ এল কোথা থেকে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ের ১৯ তলায় সাপ এল কোথা থেকে?

রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের ১৯ তলায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করিডরে তিনটি সাপের দেখা মিলেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে এ ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে অফিসে প্রবেশের পর করিডরে প্রথমে একসঙ্গে দুটি সাপ দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর আরও একটি সাপ চোখে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।

পরে কর্মচারীরা সাপ তিনটি মেরে ফেলেন। সাপগুলো কালো রঙের এবং আনুমানিক দেড় ফুট লম্বা ছিল। তবে এগুলো কোন প্রজাতির, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সচিবালয়ের মতো বহুতল ভবনের ১৯ তলায় সাপগুলো কীভাবে উঠল, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, ভবনের কোনো স্টোররুম বা নির্জন স্থানে সাপের আশ্রয়স্থল তৈরি হয়ে থাকতে পারে। এমনকি সেখানে সাপ ডিম পেড়েছিল কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, ১৯ তলাতেই শিক্ষামন্ত্রী ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের অফিস কক্ষ রয়েছে। এ ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বেশ কিছু সময় আতঙ্ক বিরাজ করে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ফ্যাসিবাদ প্রতিহতে নজরুলের গান গেয়ে রাজপথে নেমেছিল শিক্ষার্থীরা: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
ফ্যাসিবাদ প্রতিহতে নজরুলের গান গেয়ে রাজপথে নেমেছিল শিক্ষার্থীরা: রিজভী

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদ প্রতিহতে শিক্ষার্থীরা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান গাইতে গাইতে রাজপথে নেমেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে জাতীয় কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদকে প্রতিহত করতে শিক্ষার্থীরা নজরুলের গান গাইতে গাইতে রাস্তায় নেমেছিল। নজরুলের গান কবিতা আমাদের নির্ভীক হতে শেখায়। নজরুলের চর্চা নতুন করে শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে নজরুল অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই নজরুল বিচরণ করেননি। সমাজের বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার ছিলেন। দ্রোহ সমস্ত কালকে পেরিয়ে যায়। তিনি শুধু সামাজিক অন্যায় নয়, সকল চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে বিপ্লবের বাণী প্রচার করেছিলেন।

রিজভী বলেন, এত বড় প্রতিভা বাংলাভাষীদের মধ্যে আর নেই। যখন আমরা জুলুমের মধ্যে পড়ি তখন আমাদের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছে নজরুলের কবিতা। অন্যায়কে প্রতিহত করে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় নজরুলই আমাদের শক্তি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ কারও কাছে মাথানত করবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ কারও কাছে মাথানত করবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করেছি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি আরও বলেন, আর কখনো বাংলাদেশ কারও কাছে মাথানত করবে না।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

এর আগে, ব্রাহ্মনবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা স্পিকাররে মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, অলোচিত মক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে সে সম্পর্কে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

জবাবে স্পিকারের প্রতি ধন্যবাদ জানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই প্যাক্টকে (চুক্তি) বাংলাদেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এটি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়।

এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

প্রায় এক বছর ধরে আলোচনার পর গত ৭ আগস্ট চুক্তিতে সই করেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

মুসলমানদের পবিত্র শহর মক্কায় এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বের পাশাপাশি এর তাৎপর্য নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, হঠাৎ-ই এই তিনটি দেশ এই ধরনের চুক্তিতে একমত হয়নি। ২০২৩ সালে গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীত সময়ে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ও পাকিস্তান পারস্পারিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সাক্ষর করেছিল। তারই ধারাবাহিকতাই এই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি।

এই চুক্তি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নানা আলোচনা চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি এই প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। তবে, এই মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হওয়া নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ধরনের বক্তব্যই পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাহাব এনাম খান বলেন, এই প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশে যুক্ত হলে সামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে, এই বাংলাদেশ যুক্ত হলে দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালন ও রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ থেকে পদত্যাগ করে এসেছি। আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ। দলনিরপেক্ষভাবেই আমি আমার দায়িত্বপালন করে যাবো।’

বঙ্গভবনের দরবার হলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির প্রথম দরবারে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর কারো প্রতি তার কোনো রাগ-অনুরাগ থাকবে না। দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য।

তিনি যে কোনো পরিস্থিতিতে জনগণের আস্থা অর্জন, সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও আনুগত্য রাখতে হবে। এসময় তিনি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, বঙ্গভবন হলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এর মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত-সংক্রান্ত সব বিষয় অত্যন্ত কঠোরভাবে গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিচালনা করতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়। এসময় তিনি রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল এবং অপচয় রোধের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের জনগণের অর্থেই সরকারি সম্পদ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের সঠিক, দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের জীবনে শৃঙ্খলা মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত নৈতিক মনোবল ও সুন্দর চরিত্র গঠনে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একইসঙ্গে তিনি যুদ্ধপরবর্তী দেশ ও রাষ্ট্রগঠনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও কৃতিত্ব শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

একইসঙ্গে তিনি পূর্ববর্তী সব রাষ্ট্রপতির কথাও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা এখানে একটা পরিবার। সবাই একই জায়গায় কাজ করি। আমরা যখন সুযোগ পাবো, সেই সময় পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবো।’

তিনি ভবিষ্যতেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আশা প্রকাশ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ