খুঁজুন
                               
, ,
           

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন দিল্লিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন দিল্লিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত দিনে আমরা যারা গুম ছিলাম, প্রতি মুহূর্তে আমাদের মৃত্যুর প্রহর গুনতে হয়েছে। অপেক্ষা করতে হয়েছে। এ সময়ে তাদের স্বজনরা কীভাবে সময় কাটিয়েছে, সেটি তারা ছাড়া কেউ বুঝবেন না।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দুই হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। বহু মরদেহ গায়েব করেছে। আমরা মনে করি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গুমের শিকার হওয়া মানুষের পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

গুমের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুমের শিকার ইলিয়াস আলীর স্ত্রী ও সুমনের মায়ের মানসিক অবস্থা কেউ বুঝবেন না। তার নিজের স্ত্রী-সন্তানদের কী অবস্থা হয়েছিল, সেটিও অন্য কেউ বোঝার কথা নয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগের সময়ে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী ৭০৯ জন গুমের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৫ জন ফিরে এসেছেন। আর বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুমের বিষয়ে ১ হাজার ৮৫০টি আবেদন পড়েছিল।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এ ধরনের গুম-খুনের কথা ছিল না।’ ব্রিগেডিয়ার আযমীর মতো অনেকে ফিরে এলেও পরিবারের কাউকে পাননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ মারা গেছেন। তবে তাদের হিসাব অনুযায়ী, এ সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কারণ বহু মরদেহ গায়েব করা হয়েছে এবং পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

৭৩৪ মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে দাফনের আগে ডিএনএ সংগ্রহ নেপালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
৭৩৪ মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে দাফনের আগে ডিএনএ সংগ্রহ নেপালে

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে উদ্ধার হওয়া পরিচয়হীন ও দাবিদারহীন মরদেহ দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। মরদেহ দ্রুত পচে যাওয়া এবং সেখান থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাফনের আগে প্রতিটি মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ এবং আলাদা শনাক্তকরণ নম্বর সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

গত বুধবার সকালে সুনামির মতো পানি ও কাদার প্রবল স্রোত নেপালের বিভিন্ন গ্রাম ও শহরে আঘাত হানে। এরপর এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতের সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা চিতওয়ানে সবচেয়ে বেশি ২৩৩টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

মরদেহের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিতওয়ানের হাসপাতালগুলোতে সংরক্ষণে সংকট দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় একটি বাড়িকে অস্থায়ী শীতলীকরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হলেও সেখানেও জায়গা শেষ হয়ে যায়। পরে শনিবার জেলার কর্তৃপক্ষ মরদেহগুলো দাফনের সিদ্ধান্ত নেয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত মরদেহে পচন বাড়তে থাকায় দুর্গন্ধের পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

দাফনের আগে ডিএনএ সংগ্রহ

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দাফনের আগে প্রতিটি মরদেহ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছেন কর্মকর্তারা। পাশাপাশি প্রতিটি মরদেহের জন্য স্বতন্ত্র পরিচয় নম্বর ও অবস্থানের তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১০০টির বেশি মরদেহের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মরদেহগুলো পরিচয় নম্বর লেখা ব্যাগে রাখা হচ্ছে এবং প্রায় দেড় মিটার গভীর গর্তে দাফন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে মরদেহ উত্তোলনের সুবিধার জন্য কবরগুলোর মধ্যেও নির্দিষ্ট দূরত্ব রাখা হচ্ছে।

ডিএনএ মিললেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর

নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডিএনএ নমুনা দিতে হবে। পরে এসব নমুনার সঙ্গে দাফন করা মরদেহের ডিএনএ মিলিয়ে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।

পরিচয় নিশ্চিত হলে মরদেহের সংরক্ষিত নম্বর ও নথির ভিত্তিতে কবরের অবস্থান শনাক্ত করবে পুলিশ। এরপর মরদেহ কবর থেকে তুলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে পরিচয়হীন ও দাবিদারহীন মরদেহগুলোর তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নেপাল পুলিশ। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, শতাধিক বিদেশি নাগরিকসহ দেশটিতে এখনো প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

কালের আলো/এসএ

সুইজারল্যান্ডে রেভ পার্টিতে বন্দুক হামলা, নিহত ১, আহত অন্তত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
সুইজারল্যান্ডে রেভ পার্টিতে বন্দুক হামলা, নিহত ১, আহত অন্তত ৫

সুইজারল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের আরাউ শহরে একটি রেভ পার্টিতে বন্দুক হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সময় রোববার সকালে আরাউ শহরের একটি হিপোড্রোমে আয়োজিত রেভ পার্টিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সুইস পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে পরপর কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা গেছে।

আরগাউ ক্যান্টন পুলিশ জানিয়েছে, হামলার পর সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কোনো ছবি বা ভিডিও থাকলে তা পুলিশের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সুইজারল্যান্ডে ব্যক্তিগত পর্যায়ে অস্ত্রের মালিকানার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে দেশটিতে এ ধরনের সহিংস বন্দুক হামলার ঘটনা বেশ বিরল।

২০১৯ সালে সুইজারল্যান্ড আরও কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন অনুমোদন করেছিল। সর্বশেষ হামলার ঘটনায় কী কারণে গুলির ঘটনা ঘটেছে এবং হামলাকারীর পরিচয় কী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কালের আলো/এসএ

জ্যাকলিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাতে নোরা উসকানি দিতেন, দাবি সুকেশের

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
জ্যাকলিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাতে নোরা উসকানি দিতেন, দাবি সুকেশের

বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন কারাবন্দি প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখর। জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙে দিতে নোরা তাকে উসকানি দিতেন—এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন সুকেশ।

সম্প্রতি সুকেশের নামে ভাইরাল হওয়া একটি কথিত হাতে লেখা চিঠিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই চিঠিতে নোরাকে নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ করেছেন সুকেশ। তবে চিঠিটি সত্যিই তার লেখা কি না, তা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে চিঠিতে থাকা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

কথিত চিঠিতে সুকেশ দাবি করেছেন, মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় একটি বাড়ি কেনার জন্য তিনি নোরাকে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রসাধনী, বিদেশি ব্র্যান্ডের ব্যাগ, বিলাসবহুল গাড়িসহ বিভিন্ন দামি উপহার দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। নোরার সঙ্গে তার হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের কিছু তথ্যও চিঠিতে তুলে ধরার দাবি করা হয়েছে।

চিঠির বড় একটি অংশে জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সুকেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। সুকেশের অভিযোগ, তাদের সম্পর্ক নিয়ে নোরা ঈর্ষান্বিত ছিলেন। এমনকি জ্যাকলিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার জন্য নোরা নিয়মিত তাকে উসকানি দিতেন।

এ ছাড়া নোরা তাকে বারবার ফোন করতেন এবং দিনে প্রায় ১০ বার পর্যন্ত যোগাযোগ করে বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য অর্থ দাবি করতেন বলেও দাবি করেছেন সুকেশ।

কথিত চিঠির শেষদিকে নোরাকে সতর্ক করে সুকেশ লিখেছেন, ‘আমাকে উসকানি দিয়ো না।’ পাশাপাশি তার অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজনে সেসব প্রমাণ প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।

সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ঘিরে নোরা ফাতেহি ও জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সম্পর্কের আলোচনা এর আগেও একাধিকবার সামনে এসেছে। নতুন করে ভাইরাল হওয়া কথিত চিঠির কারণে সেই পুরোনো বিতর্ক আবারও আলোচনায় এসেছে। তবে চিঠিটির সত্যতা এবং এতে করা অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কালের আলো/এসএ