খুঁজুন
                               
, ,
           

রেফারির বিরুদ্ধে ফিফার কাছে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ দিলো মিশর

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
রেফারির বিরুদ্ধে ফিফার কাছে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ দিলো মিশর

৭৮ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। সেখান থেকে অবিশ্বাস্য নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লিখল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জিতে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। তবে খেলা শেষে রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ তুলেছে মিশর। এমনকি ফিফার কাছে তার বিরুদ্ধে

মিশর ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি হানি আবু রিদা ফিফাকে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেটেক্সিয়ে ও সহকারী রেফারির পারফরম্যান্স নিয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। যেখানে মিশরের একটি গোল বাতিল, তাদের সম্ভাব্য পেনাল্টির দাবি নাকচ এবং দলের বিদায় নিশ্চিতে ভূমিকা রাখার কথা উল্লেখ করেছে তারা। এখন মিশর ফিফার প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায়।

এর আগে ম্যাচ শেষেই মিশরের তারকা মিডফিল্ডার মোস্তফা জিকো সরাসরি রেফারির পক্ষপাতী আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মিশরের বাতিল হওয়া গোলটি করেছিলেন তিনি। এ ছাড়া মিশরের কোচ হোসাম হাসানও ‘রেফারি ম্যাচ কারচুপি করেছেন এবং ব্যবসার জন্য ফিফা আর্জেন্টিনা ও মেসিকে রেখে দিতে চায়’ বলে দাবি করেন।

ওই অভিযোগে মিশর ব্যাখ্যা চাওয়ার পাশাপাশি এমন কিছু সিদ্ধান্ত তদন্তের দাবি জানিয়েছে, যাকে তারা ‘ফারাও’দের (মিশরীয় দল) বিপক্ষে নেওয়া বিতর্কিত সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো থেকে ফরাসি রেফারিকে সরিয়ে নেওয়ার জন্যও ফেডারেশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। মিশরের মতে, আর্জেন্টিনার জয়ে রেফারি লেটেক্সিয়ের ও তার দল নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছেন।

এই বিশ্বকাপের রেফারিং বা ম্যাচ পরিচালনার বিষয়ে আরও বেশ কিছু অভিযোগ ওঠার পরই নতুন করে এই বিতর্কের সৃষ্টি হলো। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন এবং উয়েফার মতো সংস্থাগুলো রেফারিংয়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সমালোচকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন যে, টুর্নামেন্টে ম্যাচ পরিচালনার সামগ্রিক মান এখন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দুপুরের মধ্যে ১৯ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
দুপুরের মধ্যে ১৯ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে

দেশের ১৯ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে উল্লিখিত এলাকার সব নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর তেলের দাম ও মার্কিন ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে ওঠানামা দেখা গেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের জুন মাসের বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ৯টা ৫ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২৫ দশমিক ৫৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে দিনের শুরুতে ২ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল স্বর্ণের দাম। অন্যদিকে আগস্ট সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দাম দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৬ দশমিক ৩০ ডলারে নেমে আসে।

টেস্টিলাইভের বৈশ্বিক সামষ্টিক অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ইলিয়া স্পিভাক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফলে বন্ডের দাম কমেছে, ডলারের মূল্য কিছুটা বেড়েছে, স্বর্ণের দাম পিছিয়েছে। তবে সংশোধনের পর বাজার এখন কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তার মতে, স্বর্ণের দাম এখন নিম্নমুখী প্রবণতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালিতে তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার পর ইরানের তেল বিক্রির অনুমতি বাতিল করে। এর ফলে শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন বৃদ্ধি পায় এবং ডলার সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থানের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনা আগে থেকেই নাজুক যুদ্ধবিরতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন সম্ভাবনা বেড়ে ৬৩ শতাংশের বেশি হয়েছে, যা মঙ্গলবার ছিল প্রায় ৫৭ শতাংশ।

এদিকে, ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির ১৬-১৭ জুনের বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শের নেতৃত্বে ভবিষ্যৎ সুদের হার কোন পথে যেতে পারে, সে বিষয়ে নতুন ইঙ্গিত পাওয়ার আশা করছেন তারা।

সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হলেও উচ্চ সুদের হার সুদবিহীন এই সম্পদের চাহিদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অন্য মূল্যবান ধাতুগুলোর মধ্যে স্পট রুপার দাম দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৪৭ ডলারে ওঠে। প্লাটিনামের দাম দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৩৫ দশমিক ৪৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৬৮ দশমিক ৬৪ ডলারে নেমে আসে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে ৮৫ স্থাপনায় হামলা ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে ৮৫ স্থাপনায় হামলা ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও ইরানের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলাকে কেন্দ্র করে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। বুধবার (৮ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দেশটির নৌ ও বিমান বাহিনী ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে নিশানা করা হয়েছে।

আইআরজিসি বলেছে, এ হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার হরমোজগান ও মাহশাহরের উপকূলীয় অঞ্চলে ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদ চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরান এ অভিযান চালিয়েছে।

আইআরজিসি আরও বলেছে, মার্কিন হামলাগুলো ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতার দাফন এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওয়াশিংটন এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে ম্লান করার চেষ্টা করছে।

এদিকে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানিয়েছে, ‘আমেরিকান সন্ত্রাসবাদের’ কোনো জবাব না দিয়ে ছাড় দেওয়া হবে না। এই নৌপথের বিষয়ে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপের প্রচেষ্টা ‘কোনো অবস্থাতেই’ মেনে নেওয়া হবে না।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর জন্য একমাত্র নিরাপদ পথ হলো ইসলামী প্রজাতন্ত্র কর্তৃক নির্ধারিত পথ।

এতে আরও বলা হয়েছে, ইরানে এ ধরনের হামলা গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অধীনে থাকা ‘যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রতি সম্পূর্ণ অবজ্ঞা’ প্রকাশ করে।

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি