খুঁজুন
                               
, ,
           

১১ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
১১ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও সমন্বয় করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে স্বর্ণের এ নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে শনিবারও নতুন এই দামেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই বস্তুটি।

নতুন দাম অনুযায়ী, শনিবার (১১ জুলাই) দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণ ভ্যাটসহ (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের দাম পড়বে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ৯ জুলাই সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়; যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন দুপুর সোয়া ১২টা থেকেই।

দেশের বাজারে এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৪ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বারস্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিসিপিএস সভাপতিকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
বিসিপিএস সভাপতিকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলকে দেখতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর একটি হাসপাতালে গিয়ে তিনি ডা. পাভেলের চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি বিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় রোগীর চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার কথা বলেন ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু। একই সঙ্গে তিনি অধ্যাপক ডা. পাভেলের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করেন।

হৃদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালনে আকস্মিক জটিলতার কারণে অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বর্তমানে ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক পাভেল বর্তমানে বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

চিকিৎসায় দেশে-বিদেশে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘সার্ক আইকন অব সার্জন’ সম্মানে ভূষিত হন খ্যাতনামা এই সার্জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি ঢামেক ক্যাম্পাসে পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’ এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। তার এ সফরকে ঘিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকা মুখর হয়ে উঠে। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল, স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পাঁচ জেলায় ভূমিধসের শঙ্কা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ জেলায় ভূমিধসের শঙ্কা

অতি ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ভূমিধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, ভারতের মধ্য উত্তর প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ১১ থেকে ১২ জুলাই দেশের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

এসময় কক্সবাজার, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গাণিতিক মডেলের বিশ্লেষণ অনুযায়ী অতি বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনকে আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা, জরুরি বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা এবং দ্রুত জনগণের মধ্যে সতর্কবার্তা প্রচারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ঢাল ও বসতি থেকে দ্রুত নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পূর্বাভাসে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, টর্চলাইট, মোমবাতি, ম্যাচ, অন্তত তিন দিনের কাপড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোন চার্জ দিয়ে রাখা ও পাওয়ার ব্যাংক প্রস্তুত রাখতেও বলা হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় পরিবার, প্রতিবেশী, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি নদী ও ঝিরির কাছাকাছি অবস্থান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

একইসঙ্গে ঘরের আশপাশের নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার রাখা এবং গবাদিপশু ও পোষা প্রাণীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত আবহাওয়া ও দুর্যোগের পূর্বাভাস পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি