খুঁজুন
                               
, ,
           

জাতিসংঘে ২০ হাজার কিমি খাল খননের পরিকল্পনা জানাল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
জাতিসংঘে ২০ হাজার কিমি খাল খননের পরিকল্পনা জানাল সরকার

Oplus_131072

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ।

শনিবার (১১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়।

ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আবদুল আউয়াল জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সেচব্যবস্থা জোরদার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং গ্রামীণ ও শহুরে জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয়জল নিশ্চিত করতে সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়।

ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আবদুল আউয়াল জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সেচব্যবস্থা জোরদার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং গ্রামীণ ও শহুরে জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয়জল নিশ্চিত করতে সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে।

পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, ওষুধশিল্প, চামড়াশিল্প, ডিজিটাল এবং সৃজনশীল শিল্পখাতে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিও আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে এবং টেকসই ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার অনুকূল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

আউয়াল উল্লেখ করেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/এসএকে

ইতিহাসে প্রথমবার র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
ইতিহাসে প্রথমবার র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে

সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তাতে ইতিহাস তৈরি হয়েছে। ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে উঠেছে।

সবার আগে ফ্রান্স মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে। তারা ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের তিনে থেকে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। তারপর স্পেন ২-১ গোলে বেলজিয়ামকে হারায় আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে। তারা র‌্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বরে থেকে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। ইংল্যান্ড ২-১ গোলে নরওয়েকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে। চার নম্বরে থেকে তারা বিশ্বকাপ খেলতে নেমেছিল। আর আর্জেন্টিনা ছিল শীর্ষে।

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফার নিয়মে একটি পরিবর্তনের কারণে স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের জন্য এই পথটি সহজ হয়েছিল। তাদের ড্রয়ের আলাদা আলাদা কোয়াড্রেন্টে রাখা হয়েছিল। যাতে সেমিফাইনালের আগে তারা একে অপরের মুখোমুখি না হতে পারে। সেটা ঘটার জন্য তাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হতে হতো, হয়েছেও।

ড্রয়ের এই ভিন্ন বিন্যাসের কারণে ফাইনালের আগে স্পেনের সাথে আর্জেন্টিনার দেখা হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। এছাড়া, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সকে নকআউটের বিপরীত পাশে রাখা হয়েছিল। যাতে তারা সবাই এগিয়ে গেলে সেমিফাইনালে স্পেন অথবা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে পারে।

এখন সেমিফাইনালে মঙ্গলবারে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও স্পেন এবং বুধবারে লড়বে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা।

উল্লেখ্য, ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৯৯৪ সালে চালু হলেও সে বছরের টুর্নামেন্টে এটি ব্যবহার করা হয়নি। এর আগে বেলজিয়াম (২০২২), জার্মানি (২০১৮), স্পেন (২০১৪), ইতালি (২০১০) ও ফ্রান্স (২০০২) শীর্ষ চারে থাকা সত্ত্বেও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। ১৯৯৮ সালের পর থেকে বাকি বিশ্বকাপগুলোতেও শীর্ষ র‌্যাঙ্কিংয়ের সব দল একসাথে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক, ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক, ভোগান্তি চরমে

সারাদেশের ন্যায় রাজধানী ঢাকাতেও টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক। মূল সড়ক থেকে শাখা সড়ক- সবখানে শুধু থইথই পানি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী, পথচারী, কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে মিরপুর ১০, ১১, মিরপুর ২, কাজীপাড়া রোড, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁওসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়।

জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সড়কে যানবাহন চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল পানিতে বিকল হয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। অফিসগামীদের অনেকেই বৃষ্টির পানিতে হেঁটে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হওয়ায় সড়কে রিকশা ও গণপরিবহনের সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিতেই মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, খাল ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার না করা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে বছরের পর বছর এই দুর্ভোগ চললেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

‎কাজীপাড়ার এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক রিপন বলেন, ‘একটু ভারী বৃষ্টি হলেই মিরপুর ১০ থেকে শুরু করে আগারগাঁও পর্যন্ত সড়ক ডুবে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও কর্মজীবী মানুষদের।

তিনি আরও বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পানি আটকে থাকে সড়কে। সরকারের কাউকে এ নিয়ে কোনো ভূমিকা রাখতে দেখা যায় না। সরকার চাইলে এর স্থায়ী একটি সমাধান করে নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে রক্ষা করতে পারে।’

‎শনিবার দিবাগত রাত থেকে হওয়া ভারী বৃষ্টিতে নিচতলার অনেক দোকানে বৃষ্টির পানি ঢুকে পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ে পানি প্রবেশ করায় বাসিন্দারাও পড়েছেন চরম বিপাকে।‎‎

নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবীব বলেন, কেবল ড্রেন পরিষ্কার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। রাজধানীর প্রাকৃতিক জলাধার ও খাল রক্ষা, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে প্রতি বর্ষায় রাজধানীবাসীকে একই দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হবে।

‎তিনি আরও বলেন, এসব বিষয়গুলো আমরা গত কয়েক বছর ধরে সরকারকে বলে আসছি। নগর সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য সংস্থাকে বলছি। এরপরও কেউ শক্তভাবে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বিশেষ করে রাজধানীতে যেসব খাল দখল করা হয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে নগরীতে জলাবদ্ধতা দূর হবে।’

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও দুই দিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ ছড়ালো রোমাঞ্চ ও নাটকীয়তা। সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচে হট ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল সুইসরা। শুরুতেই গোল করে এগিয়েও গিয়েছিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। লিওনেল মেসির কর্ণার কিক থেকে দুর্দান্ত এক হেডারে জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়ে ম্যাচের ১০ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এরপর প্রথমার্ধে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে ইউরোপিয়ানরা। গোলের পর দশ জনের দলে পরিণত হলেও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আর জালের দেখা পেতে দেননি গ্রানিত শাকারা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মুহূর্মুহু আক্রমণ সামলে ম্যাচ টাইব্রেকারে নেওয়ার আভাস দিচ্ছিল সুইসরা। তবে ১১ তম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত এক শটে লিড পায় স্কালোনির শিষ্যরা। পরে আরও এক গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। এ দুজনের গোলের শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানের জয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছেন মেসিরা।

কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই গোছানো ফুটবল খেলছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুরুতেই গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা।  সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছেন ম্যাক আলিস্টার। মেসির কর্নার থেকে পাওয়া বলকে হেডে জালের ঠিকানা দেখান এই লিভারপুল মিডফিল্ডার।

এদিকে শুরতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়া সুইসরা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে লড়াই করেছে। তবে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ড এবং রক্ষণভাগ সুইজারল্যান্ডের আক্রমণ সফল হতে দেয়নি।

ফলে প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের খুব বেশি পরীক্ষা নিতে পারেনি সুইসরা। বল দখলে বেশ এগিয়ে থাকলেও প্রথম ৪৫ মিনিটে গোলের লক্ষ্যে কেবল ১টিই শট নিতে পেরেছে সুইসরা। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি ইউরোপিয়ান দলটি।

এদিকে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর পর সমতায় ফিরতে আবার মরিয়া লড়াই শুরু করে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৫০ মিনিটে দারুণ এক সুযোগও পেয়েছিল দলটি। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দারুণ ডিফেন্ডিং এবং নিজেদের ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলটি পায়নি সুইসরা।

এরপর ৬৭ মিনিটে গোলের খাতা খোলে সুইসরা। রুণ এক আক্রমণে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফিরিয়েছেন ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন এনদোয়ে। তবে সমতায় ফেরার পরই দুঃসংবাদ পায় ইউরোপিয়ান দলটি।

৭২ মিনিটে ডাইভ দিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর লাল কার্ড দেখেন ব্রিল এমবোলো। এর ফলে তাঁকে ফাউলের অভিযোগে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ডটি বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে প্রতিপক্ষ দশজনের দলে পরিণত হওয়ার পর সুইসদের উপর ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের বাকি সময়টা একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে জমাট রক্ষণে গোলের দেখা পায়নি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত তাই ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।

অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের প্রথমার্ধেও সুইজারল্যান্ডের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ শাণিয়েছেন মেসিরা। তবে কোনোভাবেই সুইস রক্ষণ ভেঙে গোলের দেখা পাচ্ছিল না দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ডেডলক ভাঙেন আলভারেজ। লোপেজের পাস থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে জালের দেখা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার। লিড নেওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে আরও এক গোল করেন মার্তিনেজ। এই গোলে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

কালের আলো/এসআর/এএএন