এক দফা, এক দাবি—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ; ইসিবি চত্বরে সড়ক অবরোধ
তিনি বলেন, ঢাকায় জলাবদ্ধতার সময় শিক্ষার্থীরা চেয়েছিল বাকি পরীক্ষাগুলো চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হোক। কিন্তু সে দাবি মানা হয়নি।
১৩ জুলাইয়ের পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সারাদিন পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণার অপেক্ষায় থাকলেও রাতের দিকে হঠাৎ পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরে প্রশ্নপত্রের প্যাটার্ন পরিবর্তনের কারণে দুই বছরের প্রস্তুতি নষ্ট হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রিয়াদ বলেন, কঠিন প্রশ্নে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু যে বিষয়গুলো আমাদের পড়ানো হয়নি, সেগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন অনেক শিক্ষার্থী কান্না করে কেন্দ্র থেকে বের হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগের দিনের আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে এবং রাত ১০টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান করতে হয়েছে। এরপরও পরদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
আন্দোলনরত এই শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের এখন একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। আমরা শিক্ষার্থীবান্ধব একজন শিক্ষামন্ত্রী চাই, যিনি শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করবেন।
তিনি ঘোষণা দেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দিলে ইসিবি চত্বরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।
কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

আপনার মতামত লিখুন
Array