খুঁজুন
                               
, ,
           

হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দিনাজপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের চেকপোস্ট গেট থেকে শুরু করে চারমাথা মোড় হয়ে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, গত ৫ আগস্ট চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দিবসে ভারতে পলায়নকৃত স্বৈরাচার সরকার ও তাদের সহযোগীরা যে ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করার উসকানি দিচ্ছেন, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এই দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে স্বৈরাচারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

তিনি আরও বলেন, আইনে যদি তিনি খালাস পেয়ে যান, খুবই ভালো কথা। কিন্তু তাকে আইন-আদালতের মুখোমুখি হয়ে বিচারের সম্মুখীন হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলা উচিত। স্বৈরাচারের পতনের পর দেশের মানুষ অনেক ভালো আছে। অহেতুক মানুষকে উসকানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণ যেকোনো উপায়েই হোক প্রতিহত করবে।

এ সময় সেখানে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্নিগ্ধা চৌধুরীর অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
স্নিগ্ধা চৌধুরীর অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন

বিতর্কিত মডেল ও তথাকথিত অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীর বিলাস বহুল জীবনযাত্রার আয়ের উৎস অনুসন্ধান ও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মইনুদ্দিন আহমদ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর এ আবেদন করেন।

দুদকের প্রাপ্তি শাখায় জমা পড়া ওই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, দৃশ্যমান কোনো বড় আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও স্নিগ্ধা চৌধুরী বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। এ পর্যন্ত তিনি ‘রাস্তা’ ও ‘প্রেশার কুকার’ নামে মাত্র দুটি সিনেমায় কাজ করেছেন, যার একটিও এখনো মুক্তি পায়নি।

‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় তার নিজেরও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে বলে জানা গেছে। হাতে গোনা কয়েকটি বিজ্ঞাপন ও র‍্যাম্প শোতে অংশ নিলেও তিনি কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি ব্যবহার করেন এবং বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ব্লাকমেইলিং, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি এই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এছাড়া দেশ-বিদেশের একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে তার সখ্য রয়েছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

সাম্প্রতিক একটি ভিডিও বার্তার প্রসঙ্গ টেনে অভিযোগে বলা হয়, স্নিগ্ধা চৌধুরী প্রকাশে দাবি করেছেন তার মূল্যবান গাড়ি মিরপুরের মতো এলাকায় চলার উপযুক্ত নয়। পাশাপাশি সবসময় সঙ্গে বডিগার্ড রাখা এবং তার প্রভাবশালী বয়ফ্রেন্ড দেশের শাসনব্যবস্থাকে পরোয়া করে না এমন উসকানিমূলক ও অবমাননাকর মন্তব্যও করতে দেখা গেছে তাকে।

এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটাচ্ছেন উল্লেখ করে, তার অর্জিত অবৈধ সম্পদের উৎস দ্রুত অনুসন্ধানপূর্বক আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহের নেপথ্যে 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহের নেপথ্যে 

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। আলোচনায় মির্জা ফখরুল, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন, এমনকি ড. ইউনূসসহ একাধিক নাম। কে হতে চলেছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি? জানার আগ্রহ সবার।

এই আলোচনার মাঝেই রোববার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে সরকারি দল বিএনপির দুজন জ্যেষ্ঠ নেতা। তারা হলেন- দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও সংসদের সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান দুই নেতার মনোনয়নপত্র সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কিন্তু দুটি মনোনয়নপত্র কেন সংগ্রহ করল বিএনপি?

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পদে একই ব্যক্তির নামে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার বিধান আছে। কারণ, একটি মনোনয়নপত্রে কোনো ভুল–ত্রুটি থাকলে যাতে অন্যটি বিবেচনায় নেওয়া যায়। সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নির্বাচনের সময়ও এমনটা করা হয়েছিল।

তাহলে রুহুল কবির রিজভী এবং নুরুল ইসলাম মনি দুটি মনোনয়নপত্র কার জন্য তুললেন? উঠেছে সেই প্রশ্ন। যদিও আপাতত প্রশ্নটির উত্তর মিলছে না। হয়তো সময়ই বলে দেবে, কার জন্য দুটি মনোনয়নপত্র তুলেছে সরকারি দল।

প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। সচারচর ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হন। বিরোধী দল সাধারণত এ পদে প্রার্থী দেয় না। তাই ভোটাভুটিরও দরকার পড়ে না।

তবে এবার ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এক বৈঠকে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদকে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

সবশেষ ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কক্ষে উপস্থিত হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যদিও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী- মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা নেই। তবে প্রার্থীর সই করা মনোনয়নপত্রে নিয়ে প্রস্তাবক বা সমর্থক উপস্থিত থাকলেই হবে।

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করায় মেয়াদপূর্তির আগেই এ নির্বাচনের আয়োজন করতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে।

সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এসময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

শেষ পর্যন্ত একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সেদিনই জানা যাবে, কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিএনপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
বিএনপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত মির্জা ফখরুল

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। এর মধ্য দিয়ে দেশের আগামী রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে অনেকটা নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে গেলেন তিনি।

রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছেন এ তথ্য।

ওই নেতা বলেছেন, মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্তের বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অবশ্য, বিএনপির আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে যোগাযোগের পর তারা বলছেন, প্রার্থী চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত এককভাবে তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে এবং তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তার সিদ্ধান্তের কথা জানেন না।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিএনপি। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে দলটি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এর আগে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলীয় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব দেয় দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া অনেকটা নিশ্চিত।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ওই দিন জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।

তবে, মির্জা ফখরুল একমাত্র বৈধ প্রার্থী হলে সংসদে ভোটের প্রয়োজন হবে না। সে ক্ষেত্রে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হতে পারে।

কালের আলো/এসএকে