খুঁজুন
                               
, ,
           

আড়াই মাসে ভোটার বাড়ল তিন লাখ ৯ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
আড়াই মাসে ভোটার বাড়ল তিন লাখ ৯ হাজার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে মনোনয়নপত্র বিতরণ। প্রথম দিনে বিএনপি প্রতিনিধি দলের কাছে দুটি মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। একইসঙ্গে দেশে বর্তমানে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৬ লাখ ছাড়িয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোববার (০৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসি সচিব।

আখতার আহমেদ বলেন, আজকে থেকে আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬-এর আলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছি। সকালে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল এসে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে নিয়ে গেছে। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এই দুইজন এসে দুটি ফরম নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়নি।

ভোটার তালিকার হালনাগাদ তথ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আমরা বলেছিলাম, ৩১ জুলাই পর্যন্ত যারা নিবন্ধিত হয়েছেন, তাদের নিয়েই আমাদের বর্তমান কার্যক্রম। সেই অনুযায়ী ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ জন। গত ১৪ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন করে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন যদি ঘোষিত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়, তবে এই খসড়া ভোটার তালিকা ব্যবহার করা হবে। তবে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যদি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন হয়, সে ক্ষেত্রে পরবর্তী আপডেটেড তালিকা সম্পূরক ভোটার তালিকা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালার অগ্রগতি সম্পর্কে সিনিয়র সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি সংশ্লিষ্ট ফাইল আজ আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ এই পাঁচ ধাপের নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা রয়েছে। এছাড়া আইন সংক্রান্ত অন্যান্য নথি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে; যা সম্পন্ন হওয়া মাত্রই আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

কালের আলো/এসএকে

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ভারতীয় আম্পায়ার ছাড়াই হকি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ভারতীয় আম্পায়ার ছাড়াই হকি

প্রায় তিন দশক পর বিরল এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারতীয় হকি। দীর্ঘ ২৮ বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো ভারতীয় আম্পায়ার ছাড়াই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হকি বিশ্বকাপ।

সবশেষ ১৯৯৮ সালে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে কোনো ভারতীয় আম্পায়ার ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন না। এবারও নেদারল্যান্ডসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নেই ভারতের কোনো আম্পায়ার।

আগামী ১৪ আগস্ট নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের যৌথ আয়োজনে শুরু হবে হকি বিশ্বকাপের ১৬তম আসর। টুর্নামেন্টের ‘ডি’ পুলে পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের সঙ্গে খেলবে ভারত। ১৫ আগস্ট ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা।

হকির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রায় প্রতিটি বিশ্বকাপেই অন্তত একজন ভারতীয় আম্পায়ার ছিলেন। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল ১৯৯৮ সালের আসর।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র চারজন ভারতীয় আম্পায়ার ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁরা হলেন অমরজিত সিং বাওয়া, তারলক সিং ভুলার, সতীন্দর শর্মা ও রঘু প্রসাদ।

অমরজিত সিং বাওয়া ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করেন। এরপর ১৯৯৪ সালে দায়িত্ব পালন করেন তারলক সিং ভুলার। সতীন্দর শর্মা ২০০২, ২০০৬ ও ২০১০ সালের বিশ্বকাপে আম্পায়ার ছিলেন। আর রঘু প্রসাদ ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করেন।

ভারতীয় আম্পায়ারিংয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল নামগুলোর একটি রঘু প্রসাদ। এশিয়ার প্রথম আম্পায়ার হিসেবে ২০০টি আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ পরিচালনার কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের পর গত বছর বাঁশি তুলে রাখেন তিনি।

রঘু প্রসাদের অবসরের পর ভারতীয় হকির আম্পায়ারিংয়ে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও আন্তর্জাতিক প্যানেলভুক্ত আম্পায়ারের ঘাটতিই এবার বিশ্বকাপের আম্পায়ারিং প্যানেলে ভারতের প্রতিনিধিত্ব না থাকার অন্যতম কারণ।

আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন (এফআইএইচ) ঘোষিত ১৬ সদস্যের আম্পায়ারিং প্যানেলে ইউরোপীয় আম্পায়ারদের প্রাধান্য রয়েছে। সেখানে কোনো ভারতীয় আম্পায়ারের নাম না থাকায় দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েছে।

ভারতের জন্য বিষয়টি আরও হতাশার, কারণ ১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে দেশটির কোনো আম্পায়ার ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পাচ্ছেন না।

একদিকে বিশ্বকাপে খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের অংশগ্রহণ থাকছে, অন্যদিকে আম্পায়ারিংয়ে থাকছে না কোনো প্রতিনিধিত্ব। ফলে ১৪ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে ভারতীয় হকির জন্য এটি হতে যাচ্ছে এক বিরল ও হতাশাজনক অধ্যায়।

কালের আলো/এসএ

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৯ লাশ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ৮ হাজারের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৯ লাশ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ৮ হাজারের বেশি

গাজা সিটিতে ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি আবাসিক ভবনের নিচে চাপা পড়া ১৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। গাজার সিভিল ডিফেন্স এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে। গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে লাশ উদ্ধারের জন্য ধীরগতির ও কায়িক শ্রমনির্ভর চলমান অভিযানের এটি সর্বশেষ ঘটনা।

ভাঙা কনক্রিট সরাতে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র সংকটের কারণে এ ধরনের উদ্ধার তৎপরতা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

উদ্ধার কাজের তদারকি করা মোহাম্মদ আবু দান জানান, গাজার পশ্চিমাঞ্চলের ‘কারাম’ ভবনে টানা চার দিন ধরে তল্লাশি চালানোর পর সেখানে উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে।

তিনি জানান, উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু করার জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসক ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা এখন গাজা সিটির অন্য কোনো নতুন স্থানে যাবেন।

সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা বারবার জানিয়েছেন, উদ্ধারকর্মীরা অত্যন্ত সাধারণ সরঞ্জাম ও কায়িক শ্রমের ওপর ভরসা করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর অবশিষ্ট কংক্রিটের স্ল্যাবগুলো ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে সরানো যাচ্ছে না।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফিলিস্তিনজুড়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো আট হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অন্তত ১,২৫৪ জন নিহত হয়েছেন, ৪১২১ জন আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮০৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত সামগ্রিক মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩,৩০০ জনে দাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি মানুষ।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি হামলায় গাজার সাবরা এলাকার একটি আবাসিক ব্লক ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আবু শারিয়া ও আল-হাসায়না পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার গাজা সিটিতে তাদের গণজানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যার পরপরই এই সর্বশেষ উদ্ধার অভিযানটি পরিচালিত হলো।

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ। জনগণের সমর্থন থাকলে আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।

আমরা চাই ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করতে। আমাদের কাজ করতে হবে।ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রপাড়ে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়দিন আগে বন্যা হলো অতিবৃষ্টির কারণে।

এই বন্যায় বহু মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। আল্লাহর রহমতে ১০০ বাড়ির চাবি তুলে দিতে পারছি। কিছু দুস্থ মহিলাকে আমরা চাল দিয়ে সহযোগিতা করেছি। বর্তমান সরকারকে আপনারা নির্বাচিত করেছেন, এ বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচিত করেছে। এ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এ দেশের মানুষের পাশে থাকা, সুখে দুঃখে থাকা, মা-বোনদের পাশে থাকা, সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা,

তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। এ জন্যই নির্বাচনের সময় আমরা বলেছিলাম, বিএনপি যদি আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের ভোটে সরকার গঠনে সক্ষম হয় তাহলে আমরা মূল কয়েকটি কাজে হাত দেব। তার মধ্যে একটি কাজ ছিল এদেশের মায়েদের সহযোগিতার জন্য, এদেশের নারীরা যাতে স্বাবলম্বী হতে পারে সে জন্য আমরা বলেছিলাম ফ্যামিলি কার্ড ঘরে ঘরে পৌঁছাব।

যেটি আমির খসরু সাহেব উনার বক্তব্যে বলেছেন। আপনারা দেখেছেন, সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই আমরা সেই ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্টের কাজে হাত দিয়েছিলাম এবং আল্লাহর রহমতে পাইলট প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়ে গেছে। এ মাসের ১৬ তারিখ থেকে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করছি। সমগ্র দেশে এ বছর প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেব।

এ উপজেলার মধ্যে ১০-১২ হাজার পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড আগামী অর্থবছরের মধ্যে তুলে দেব এবং আগামী চার বছর ধরে এটি চলবে। আরও অনেক মা-বোনেরা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল ভাইদের পাশাপাশি যাতে বোনেরাও সংসারের হাল ধরতে পারে।

একটি স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলতে পারে, সন্তানদের লেখাপড়া করাতে পারে, স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারে। সেই জন্য মা’দের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এ ব্যবস্থা করছি। ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ডেরও ব্যবস্থাও করেছি। আলোচনা করে আমরা লবণের মূল্য নির্ধারণ করেছি। কিছু দিনের মধ্যে সেই দামটি জানিয়ে দেব।

তিনি বলেন, মাতারবাড়ী দেখে এলাম। মীরসরাই থেকে সমগ্র অঞ্চল হেলিকপ্টারে দেখেছি। বিশাল সমুদ্রের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। এই সমুদ্রকে কীভাবে ব্যবহার করে বাংলাদেশের জীবনমান উন্নত করা যায়, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায় সেজন্য মাতারবাড়ী গিয়েছিলাম।

চট্টগ্রামে চীনকে বড় একটা জায়গা দিয়েছি। সেখানে তারা কয়েকশ মিল কারখানা তৈরি করবে। সেখানে চট্টগ্রামের মানুষ কাজ করার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারব। সেই মুদ্রা দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে পারব।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের পূর্বশর্ত দেশে শান্তি শৃঙ্খলা। বাজারে গণ্ডগোল হলে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা চাইবে, সঠিকভাবে বন্দর থেকে যেন কাঁচামাল আসতে পারে। তাই আমাদের সচেতন থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। যারা শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ।

সমাবেশে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা আবদুল করিম।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি