খুঁজুন
                               
, ,
           

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসির বাবার মৃত্যুর খবর: সত্য নাকি গুজব?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসির বাবার মৃত্যুর খবর: সত্য নাকি গুজব?

ইন্টার মায়ামি ও আর্জেন্টিনা ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর খবরকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র তোলপাড় ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসির জীবনাবসানের খবরটি ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে তৈরি হয় চরম উদ্বেগ ও কৌতূহল।

এই জল্পনার সূত্রপাত ঘটে মূলত আর্জেন্টিনার স্থানীয় কিছু সংবাদমাধ্যমের খবরের ওপর ভিত্তি করে। বিশেষ করে ‘ইনফোবে’ এবং ‘রোসারিও৩’-এর মতো কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম দাবি করে, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে প্রাণঘাতী ও জটিল ব্যাধির সাথে লড়াই করার পর নিজের জন্মশহর রোসারিওর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন হোর্হে মেসি।

পরবর্তীতে কাতালুনিয়া রেডিও-সহ বেশ কিছু আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মও আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই খবরটি প্রকাশ করে।

তবে খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এর সত্যতা নিয়ে দেখা দেয় বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন।

কারণ, গুঞ্জন শুরু হলেও এখন পর্যন্ত লিওনেল মেসি, তার পরিবার কিংবা ইন্টার মায়ামি ক্লাবের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি আন্তর্জাতিক স্তরের মূলধারার কোনো শীর্ষস্থানীয় বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যমও এই তথ্যের কোনো সত্যতা নিশ্চিত করেনি।

বিশ্ব ফুটবলের এত বড় এক তারকার বাবার জীবনাবসানের মতো খবর সরাসরি অফিশিয়াল নিশ্চিতকরণের দাবি রাখে। ফলে এখন পর্যন্ত মেসির বাবার মৃত্যুর খবরটি সম্পূর্ণ সঠিক কি না নিশ্চিত নয়।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

গুপ্তবাহিনী ১৯৯৬ সালে স্বৈরাচারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
গুপ্তবাহিনী ১৯৯৬ সালে স্বৈরাচারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে আমরা দেখছি কিছু রাজনৈতিক দল বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে। যেভাবে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। যেভাবে তারা ৮৬ সালে এই চট্টগ্রামের মাটিতে স্বৈরাচার বলেছিল, যারা নির্বাচনে যাবে তারা জাতীয় বেইমান হবে।


‎তিনি বলেন, কিন্তু সেই স্বৈরাচার ঢাকায় ফিরে গিয়ে আরেক স্বৈরাচারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল এবং তাদের সঙ্গে গুপ্ত বাহিনী জাতীয় বেইমান হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছিল। এই গুপ্ত বাহিনীকে আমরা পরবর্তীতে দেখেছি, ৯৬ সালে দেশের মানুষের সঙ্গে গাদ্দারি করে স্বৈরাচারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। গণতন্ত্রের বিপক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছিল।

‎রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

‎তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছিল। কারণ মানুষ জানে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে একমাত্র দল বিএনপি। আপনারা দেখেছেন শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছে, কীভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আপনারা আবারও আমাদের দেশ পরিচালনার সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।

‎প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক দেশ আমাদের সঙ্গে স্বাধীন হয়ে অনেক এগিয়ে গেছে৷ কিন্তু আমরা বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়েও সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, দেশের উন্নয়নে কোনো বাধা মানবো না।

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন এক অভিভাবক

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন এক অভিভাবক

রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে অভিভাবক সমাবেশে নাতির অভিভাবক হয়ে এসে বক্তব্য দেওয়ার সময় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন মো. শাহজাহান আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ। রোববার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। কলেজের শিক্ষকরা তাঁকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মো. শাহজাহান আলী পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী ছিলেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুরে। বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া এলাকায় তাঁর নিজস্ব বাড়ি রয়েছে।

শাহজাহান আলীর জামাতা ইমদাদুল হক জানান, তাঁর শ্বশুর কখনো রাজশাহী, কখনো কুষ্টিয়া আবার কখনো ঢাকায় থাকতেন। নাতির অভিভাবক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করতেন। এ কারণে রোববার রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের অভিভাবক সমাবেশে তিনি যোগ দিয়েছিলেন।

ইমদাদুল হক ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক। তাঁর ছেলে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে পড়াশোনা করে। ছেলের সঙ্গে থাকার জন্য তিনি রাজশাহী শহরে একটি বাসা ভাড়া করে দিয়েছেন। ওই বাসাতেই তাঁর শ্বশুর ও শাশুড়ি থাকতেন।

ইমদাদুল হক বলেন, ‘আমার শ্বশুর পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী ছিলেন। অনেকদিন আগেই তিনি অবসরে গেছেন। তাঁর হার্টে বাইপাস সার্জারিও হয়েছিল। রোববার অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ তিনি পড়ে যান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

 

আল্লামা আহমেদ শফীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ
আল্লামা আহমেদ শফীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসা প্রাঙ্গণে পৌঁছে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) কবরে ফাতেহা পাঠ করে জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ মাওলানা খলিল আহমেদ কুরেশী।

কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রীকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন। মাদ্রাসা থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ে মাদ্রাসার মাঠে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন।

২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান আল্লামা শাহ আহমদ শফী। তিনি দেশের কওমি অঙ্গনের একজন শীর্ষ মরুব্বী ছিলেন। প্রায় সাড়ে তিন দশক তিনি বৃহৎ কওমি মাদ্রাসা আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলামের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ইসলাম, কওমি শিক্ষা এবং সামাজিক ধর্মীয় বিভিন্ন ইস্যুতে তার ভূমিকা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে ব্যাপক আলোচিত ছিল।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) কবর জিয়ারতের আগে প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারী থেকে সড়ক পথে ফটিকছড়িতে আল-জামায়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় আসেন ও মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

কালের আলো/এসএকে