খুঁজুন
                               
, ,
           

কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন হাজারো মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠেছে পুরো সমাবেশস্থল।

চারপাশে মানুষের কোলাহল, স্লোগান আর ব্যানার-ফেস্টুনে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। এখন অপেক্ষা শুধু কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্তের।

প্রধানমন্ত্রী কখন এসে পৌঁছাবেন সমাবেশস্থলে।

রোববার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকা থেকে দলে দলে, মিছিলে মিছিলে মানুষ সমাবেশস্থলে যোগ দেন।

সকাল গড়িয়ে বেলা নামতেই সমাবেশস্থলের নির্ধারিত জায়গায় মানুষের তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

অনেকের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা।

কারও হাতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড, আবার কেউ বহন করছেন নানা স্লোগান লেখা ব্যানার। সমাবেশস্থলের আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গাতেও অবস্থান নিয়েছেন অনেকে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে বাঁশখালীতে তৈরি হয়েছে ভিন্ন আবহ। স্থানীয়দের মধ্যে যেমন উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে, তেমনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের দুর্ভোগের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।

সমাবেশস্থলের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি করা হচ্ছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেতে সকালেই সমাবেশস্থলে চলে এসেছেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে তীব্র রোদের মধ্যে অপেক্ষা করতে কোনও কষ্ট নেই।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: খলিলুর রহমান 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: খলিলুর রহমান 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। তবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্রিকসে দাওয়াত না দিয়ে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ঢাকা।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন‌্য সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, চেয়ারপাসন অফ বিমসটেক। এই পার্থক্যটা আপনারা বোঝবার চেষ্টা করেন। এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছেন এবং সেই চিঠিটি আমাদের সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমন্ত্রণ একটি আছে, সেটা আমরা দেখব।

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নেওয়ার বিষয়ে আজকের আলোচনা হয়েছে কিনা-জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এছাড়া, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরেক আমন্ত্রণপত্রে বাংলাদেশের সরকার প্রধানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা 

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমার কাছে সবই ইতিবাচক মনে হয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘খুবই ভালো লাগলো। আমরা পাবলিক ফিগার থেকে আরও বেশিদূর এগিয়ে সাক্ষাৎ করেছি, একজন কূটনীতিক হিসেবে নয়। তাহলে এটা মানুষে-মানুষে যোগাযোগের প্রতিনিধিত্ব করেছে। আমি খুবই আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার দেখা হলো। আর একদম দেখা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমনি মনে হয়নি যে প্রথমবার আমি উনার সঙ্গে দেখা করছি। আর তিনি খুবই ভালো, খুবই হাম্বল।’

তিনি বলেন, ‘খুবই ভালো, খুবই ভালো আলোচনা হলো, খুবই ভালো… লুকিং ফরওয়ার্ড। আমাদের ইনভাইটেশন তো আগে থেকে আছে।  প্রাইম মিনিস্টার অব ইন্ডিয়া লুকিং ফরোয়ার্ড এবং ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দুই নেতা একসঙ্গে বসলে আলোচনা হলে… ডেমোক্রেসিতে ইস্যু থাকবে, ইস্যু না থাকলে ওটা ডেমোক্রেসি না। আমাদের ইস্যু হবে, বাংলাদেশের ইস্যু হবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই যে ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলো উইন-উইন সিচুয়েশন। আর আমাদের যা হিস্টরিক্যাল সম্পর্ক আছে, ওইটা তো আপনি বদলাতে পারবে না। আমাদের নেইবারহুড তো বদলাতে পারবেন না। আমি সবসময় বলি যে উই ডোন্ট অনলি শেয়ার দা বর্ডার, শেয়ার ড্রিমস।’

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমার মনে হচ্ছে আগামী দিন ভালোই হবে। ইস্যুটা সর্ট আউট করতেই হবে দুদিক থেকে। আর আই এম ভেরি কনফিডেন্ট, আই এম ভেরি ভেরি কনফিডেন্ট। আমার খুবই খুবই ভালো লাগছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলো প্রথমবার। আমি দুই নেতার প্রতিই কৃতজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, আমি কনফিডেন্টলি বলতে পারি, এমন কোনো ইস্যু নেই যা আমরা বসে সমাধান করতে পারবো না। আর আমার আমার এখানটা আসা… আমার প্রধানমন্ত্রীও আমাকে সবসময় এটা বলেছেন যে সম্পর্ক ভালো থাকা বিশেষ দরকার। নাহলে আমি কেন আসি?

এসময় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নিতে ভারতে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘হবে হবে, সবই ভালো, ইতিবাচক সবকিছুই হবে।’

কালের আলো/এসএকে

ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে: জামায়াত আমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে: জামায়াত আমীর

নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান বলেছেন, নিয়োগ বাণিজ্যের জায়গাটাকে অনেকেই মধুর চাক মনে করেন। ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমীর বলেন, বর্তমানে সব জায়গায় চুরি-চামারি ও লুটপাট শুরু হয়েছে। চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে, দুর্নীতিবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে।

দেশের জন্য একবার নয়, শতবার রাজপথে নামবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যারাই যাবে, তাদের এই দেশে থাকা হবে না। এই পথ পালানোর পথ। দেশের মানুষ আর দিল্লির খবরদারি মেনে নেবে না।

কালের আলো/এসএকে