খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা 

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমার কাছে সবই ইতিবাচক মনে হয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘খুবই ভালো লাগলো। আমরা পাবলিক ফিগার থেকে আরও বেশিদূর এগিয়ে সাক্ষাৎ করেছি, একজন কূটনীতিক হিসেবে নয়। তাহলে এটা মানুষে-মানুষে যোগাযোগের প্রতিনিধিত্ব করেছে। আমি খুবই আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার দেখা হলো। আর একদম দেখা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমনি মনে হয়নি যে প্রথমবার আমি উনার সঙ্গে দেখা করছি। আর তিনি খুবই ভালো, খুবই হাম্বল।’

তিনি বলেন, ‘খুবই ভালো, খুবই ভালো আলোচনা হলো, খুবই ভালো… লুকিং ফরওয়ার্ড। আমাদের ইনভাইটেশন তো আগে থেকে আছে।  প্রাইম মিনিস্টার অব ইন্ডিয়া লুকিং ফরোয়ার্ড এবং ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দুই নেতা একসঙ্গে বসলে আলোচনা হলে… ডেমোক্রেসিতে ইস্যু থাকবে, ইস্যু না থাকলে ওটা ডেমোক্রেসি না। আমাদের ইস্যু হবে, বাংলাদেশের ইস্যু হবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই যে ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলো উইন-উইন সিচুয়েশন। আর আমাদের যা হিস্টরিক্যাল সম্পর্ক আছে, ওইটা তো আপনি বদলাতে পারবে না। আমাদের নেইবারহুড তো বদলাতে পারবেন না। আমি সবসময় বলি যে উই ডোন্ট অনলি শেয়ার দা বর্ডার, শেয়ার ড্রিমস।’

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমার মনে হচ্ছে আগামী দিন ভালোই হবে। ইস্যুটা সর্ট আউট করতেই হবে দুদিক থেকে। আর আই এম ভেরি কনফিডেন্ট, আই এম ভেরি ভেরি কনফিডেন্ট। আমার খুবই খুবই ভালো লাগছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলো প্রথমবার। আমি দুই নেতার প্রতিই কৃতজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, আমি কনফিডেন্টলি বলতে পারি, এমন কোনো ইস্যু নেই যা আমরা বসে সমাধান করতে পারবো না। আর আমার আমার এখানটা আসা… আমার প্রধানমন্ত্রীও আমাকে সবসময় এটা বলেছেন যে সম্পর্ক ভালো থাকা বিশেষ দরকার। নাহলে আমি কেন আসি?

এসময় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নিতে ভারতে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘হবে হবে, সবই ভালো, ইতিবাচক সবকিছুই হবে।’

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: খলিলুর রহমান 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: খলিলুর রহমান 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। তবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্রিকসে দাওয়াত না দিয়ে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ঢাকা।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন‌্য সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, চেয়ারপাসন অফ বিমসটেক। এই পার্থক্যটা আপনারা বোঝবার চেষ্টা করেন। এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছেন এবং সেই চিঠিটি আমাদের সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমন্ত্রণ একটি আছে, সেটা আমরা দেখব।

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নেওয়ার বিষয়ে আজকের আলোচনা হয়েছে কিনা-জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এছাড়া, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরেক আমন্ত্রণপত্রে বাংলাদেশের সরকার প্রধানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে: জামায়াত আমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে: জামায়াত আমীর

নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান বলেছেন, নিয়োগ বাণিজ্যের জায়গাটাকে অনেকেই মধুর চাক মনে করেন। ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমীর বলেন, বর্তমানে সব জায়গায় চুরি-চামারি ও লুটপাট শুরু হয়েছে। চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে, দুর্নীতিবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে।

দেশের জন্য একবার নয়, শতবার রাজপথে নামবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যারাই যাবে, তাদের এই দেশে থাকা হবে না। এই পথ পালানোর পথ। দেশের মানুষ আর দিল্লির খবরদারি মেনে নেবে না।

কালের আলো/এসএকে

শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের স্তম্ভকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের স্তম্ভকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার ৫ আগস্টের সংলাপ রাষ্ট্রের একটি স্তম্ভের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন। আর ভারত সরকার তাকে সেই কাজটি করতে দিয়েছে।

সোমবার (১০আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

পরে সাংবাদিকরা জানতে চান, ৫ আগস্টের ঘটনা নিয়ে আমরা তো বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আগেও জানিয়েছিলাম, আমরা একটা চিঠিতে অসন্তোষ জানিয়েছিলাম। আজ এই বিষয়ে কথা হয়েছে কি না? আর তারা কি দুঃখ প্রকাশ করেছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, না, দেখুন এখানে দুঃখ প্রকাশের ব্যাপার নয় তো।

আপনাদের একটা জিনিস ভালো করে বুঝতে হবে যে আসলে কী হয়েছে। একটি রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভ থাকে– নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগ।

দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনার বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের আওতাধীন। বাংলাদেশের একটি উপযুক্ত আদালত তার বিচার করে তাকে দণ্ড দিয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কী হয়? তাকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার যদি আত্মপক্ষ সমর্থনে কিছু বলার থাকে, তবে সেটা তিনি আদালতে বলবেন।

‘কিন্তু ৫ তারিখে হাসিনা যে কাজটি করেছেন, সেটি হলো বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রতি, তথা রাষ্ট্রের একটি স্তম্ভের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন। আর ভারত সরকার তাকে সেই কাজটি করতে দিয়েছে। আমি গতকালকেও বলেছি, আমরা চাই সারা বিশ্বের সব দেশ আমাদের রাষ্ট্রের পুরো কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোক। আমরা আশা করব, ভারত সরকার আমাদের এই বিষয়টি অনুধাবন করবে। আমার ধারণা, তাদের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে তারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

আমরা আশা করব, আমাদের রাষ্ট্রের কোনো স্তম্ভকে অবমূল্যায়ন করার মতো কোনো কাজ তারা আর করবে না। এটি আমাদের প্রত্যাশা। তাদের সঙ্গে আমার যা কথা হয়েছে, তাতে আমি কিছুটা হলেও আশ্বস্ত যে এই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি হবে না।’

সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, আমরা তো দেখছি আজ প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। তার আগেই সীমান্তে দুঃখজনকভাবে আবার হত্যার ঘটনা ঘটেছে… এগুলো নিয়ে কি আজ আলোচনা হয়েছে?

এ বিষয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, এগুলো নিয়ে আমরা খুব সংক্ষেপে কথা বলেছি। এগুলো তো প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনার বিষয় নয়। এ নিয়ে গতকাল আমি তার (হাইকমিশনারের) সঙ্গে আলোচনা করেছি। যেহেতু আমরা অনুকূল পরিবেশের কথা বলছি, তাই গতকালই আমি এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছি।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আজ বেলা ১১টায় আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় হাইকমিশনারকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়েছেন।

হাইকমিশনার গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশে তার অভিজ্ঞতার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন। তিনি বাংলাদেশে এসে অত্যন্ত আনন্দিত, সে কথাও আমাদের জানিয়েছেন।

‘এছাড়া সংক্ষেপে আরও কিছু বিষয় আলোচনায় এসেছে। দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের বিষয়টি উঠে এসেছে এবং আমরা এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য তাদের বলেছি। আমরা আশা করি, ভারত এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দেবে।’

ড. খলিলুর রহমান বলেন, এছাড়া আপনারা জানেন, শহীদ হাদির সন্দেহভাজন হত্যাকারীরা ধরা পড়েছে। ভারত যেসব কাগজপত্র চেয়েছিল, আমরা তার সবকিছুই তাদের দিয়েছি। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয় এবং আমরা বলেছি, এই হত্যাকারীদের যেন যত দ্রুত সম্ভব আমাদের কাছে প্রত্যর্পণ করা হয়।

তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে অনুকূল পরিবেশ দরকার, সে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টির ব্যাপারেও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। মোটাদাগে এগুলোই ছিল আলোচনার বিষয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি