খুঁজুন
                               
, ,
           

বিশ্ব সফর থেকে লাগোস বাদ, নতুন বিতর্কে টাইলা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
বিশ্ব সফর থেকে লাগোস বাদ, নতুন বিতর্কে টাইলা

গ্র্যামিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা টাইলা তাঁর আসন্ন বিশ্ব সফরের সূচি থেকে নাইজেরিয়ার লাগোস শহরের অনুষ্ঠান বাতিল করেছেন। তবে কেন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বা তাঁর টিম কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেননি।

সোমবার দ্বিতীয় অ্যালবাম এ পপ প্রকাশের পর শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব সফরের সূচি প্রকাশ করেন টাইলা। প্রথমে তাঁর ওয়েবসাইটে ৩৪টি শহরের তালিকায় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ ও কেপ টাউনের পাশাপাশি লাগোসের নামও ছিল। তবে শুক্রবার প্রকাশিত হালনাগাদ সূচিতে লাগোসের নাম বাদ দেওয়া হয়।

এই পরিবর্তনের সময়টি দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশিবিদ্বেষী হামলা ও অভিবাসীবিরোধী উত্তেজনার মধ্যেই এসেছে। ফলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশিদের ওপর হামলার ঘটনায় অনেক নাইজেরিয়ান ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ টাইলাকে নাইজেরিয়ায় অনুষ্ঠান না করার আহ্বানও জানিয়েছেন।

সমালোচকদের অভিযোগ, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশিবিদ্বেষী হামলার বিষয়ে টাইলা এখনো প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নেননি। নাইজেরিয়া দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত তাদের নাগরিকেরা সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরও কয়েকটি আফ্রিকান দেশও।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসনবিরোধী আন্দোলন জোরদার হয়েছে। কাগজপত্রবিহীন বিদেশিদের দেশ ছাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ চলছে এবং এর ফলে কয়েক হাজার বিদেশি, যার মধ্যে বহু নাইজেরিয়ান রয়েছেন, দেশটি ছেড়ে চলে গেছেন।

উত্তেজনা কমাতে নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি আবুজায় দুই দেশের পররাষ্ট্র কর্মকর্তাদের বৈঠকও হয়েছে। তবে বিতর্ক কূটনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার নাইজেরিয়ায় একটি অনলাইন আবেদনে দাবি করা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশিবিদ্বেষী হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত টাইলাকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত নয়। এতে ইতোমধ্যে হাজারো মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

যদিও টাইলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনও আগের সফরসূচিই দেখা যাচ্ছে। সেখানে অনেক নাইজেরিয়ান ভক্ত তাঁকে লাগোসে অনুষ্ঠান না করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং বিদেশিবিদ্বেষের ঘটনায় নীরব থাকার সমালোচনা করেছেন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি টাইলা।

বিদেশিবিদ্বেষের ঘটনায় নীরব থাকার অভিযোগ শুধু টাইলার বিরুদ্ধেই ওঠেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার কৌতুক অভিনেতা ট্রেভর নোয়াও একই ধরনের সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকজন শিল্পী আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠান হারিয়েছেন বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং বিক্ষোভের পর ৯০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার বলেছে, নিজেদের দেশে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের অধিকার তাদের রয়েছে।

এদিকে বিতর্কের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—নিজ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একজন শিল্পী কতটা দায়ী? নাইজেরিয়ার অধিকারকর্মী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ওমোইয়েলে সোওরে বলেন, বিদেশিবিদ্বেষের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বকে দায়ী করা উচিত, শিল্পীদের নয়। সংস্কৃতিবিষয়ক সাংবাদিক মায়োওয়া ইদোউরও মত, শিল্পীদের লক্ষ্যবস্তু বানালে মূল সমস্যাটি আড়াল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিশ্লেষকদের মতে, লাগোস সফরসূচি থেকে বাদ পড়ার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন আফ্রিকায় সংস্কৃতি, জনপ্রিয়তা ও রাজনীতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।

সূত্র: বিবিসি অবলম্বনে।

কালের আলো/এসএ

আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান ডিএমপির

দুই মেট্রো স্টেশনে বোমা আতঙ্ক, বস্তায় পাওয়া গেল জর্দার কৌটা-পান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
দুই মেট্রো স্টেশনে বোমা আতঙ্ক, বস্তায় পাওয়া গেল জর্দার কৌটা-পান

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শনিবার (১ আগস্ট) সকালে বোমাসদৃশ দুটি পরিত্যক্ত বস্তু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, দুটি বস্তুতেই কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক উপাদান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

 

ডিএমপি জানায়, খবর পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি সন্দেহজনক ব্যাগে বোমা রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষায় ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে ব্যাগটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়। এরপর পরীক্ষা করে দেখা যায়, ব্যাগের ভেতরে ছিল জর্দার একটি কৌটা ও পান। সেখানে কোনো বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি পরিত্যক্ত বস্তাকে ঘিরেও বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করে। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, বস্তার ভেতরে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু নেই।

ডিএমপি জানিয়েছে, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি না করে সন্দেহজনক কোনো বস্তু দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের প্রধান বাধা সিজারিয়ান সেকশন: জিয়াউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের প্রধান বাধা সিজারিয়ান সেকশন: জিয়াউদ্দিন

বাংলাদেশে সিজারিয়ান সেকশন এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের অন্যতম প্রধান বাধা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য বলেন।

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের হার ৫৫ শতাংশ দেখানো হচ্ছে। পরিসংখ্যানে যা দেখা যাচ্ছে, প্রকত চিত্র তার চেয়েও অত্যন্ত খারাপ। তবে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের মাধ্যমে ৩০-৫০ শতাংশ শিশু মৃত্যু হার কমানো সম্ভব। এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের হার আরও বাড়াতে হবে এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন (সিজারিয়ান সেকশন) বন্ধে সরকারের শক্ত অবস্থানের জানিয়ে তিনি বলেন, সি-সেকশন শুধু একজন মাকে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু বা শারীরিক সমস্যায় ফেলে না। বরং শিশুর যত্ন এবং স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের নীতিবাচক প্রভাব ফেলে। সরকার বর্তমানে অনাবশ্যক সি-সেকশনের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।

নতুন আইন পাস হলে সিজারিয়ান সেকশন কমে যাবে জানিয়ে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, যে কোনো হাসপাতালে বা ক্লিনিকে সি-সেকশন করতে হলে তার পর্যাপ্ত মেডিকেল রেফারেন্স লিপিবদ্ধ করতে হবে। যৌক্তিক ও সঠিকভাবে জাস্টিফাই করেই কেবল সি-সেকশন করা যাবে। সরকারের এই বিল পাসের উদ্যোগটি ব্রেস্টফিডিং প্রমোট করার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মাতৃদুগ্ধ শিশুর জন্য সম্পূর্ণ খাদ্য। এটি পরিপাকতন্ত্রের জন্য অসহনীয় খাদ্য এবং বাইরের সব ধরনের ভেজাল খাবার প্রতিরোধ করে। এটি সরাসরি শিশুর দেহে পানিবাহিত সকল প্রকার ইনফেকশন প্রবেশ করা থেকে রক্ষা করে। বিশুদ্ধ পানির সাথে সম্পর্কিত থালা-বাসন, গ্লাস ও হাড়ি-পাতিলের মাধ্যমে যে সংক্রামক জীবাণু ছড়ায়, তা রোধ করা সম্ভব হয়।

শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের ভূমিকা তুলে ধরে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম এমন একটি সরকার, যা স্বাস্থ্য এবং পুষ্টিকে জাতীয় সকল অগ্রাধিকারের শীর্ষে স্থান দিয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় যে ১০টি প্রধান বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে স্বাস্থ্য ছিল ২ নম্বরে। এতদিন স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির মাত্র ০.৬% থেকে ০.৭% বরাদ্দ দেওয়া হতো। সেই ধারা ভেঙে বর্তমান সরকার এই প্রথম জিডিপির ১.১% স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ করেছে।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিট চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব রাখতে যাচ্ছে। প্রতিটি ইউনিটে ৯ জন করে কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার কাজ করবেন। তারা প্রতি ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে অন্তত একবার যাবেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে যেয়ে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ (যেমন: ব্লাড প্রেসার, ব্লাড সুগার ও মেন্টাল হেলথ) পরীক্ষা করবেন।

গর্ভবতী মহিলা সনাক্ত করে বিশেষ যত্ন নেয়ার কথা জানিয়ে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, প্রতিটি মহিলা প্রেগনেন্ট কিনা তা নিশ্চিত করার পর থেকেই তাকে প্রয়োজনীয় ট্রেনিং দেওয়া হবে, যেন সন্তান প্রসবের পর তিনি প্রসূতি ও সন্তানের সঠিক যত্ন নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ রেডি থাকেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার এই পদক্ষেপ ব্রেস্টফিডিং প্রমোশনের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।

স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জুলাই আন্দোলনে গণতন্ত্রকামী সবার অবদান রয়েছে: প্রেস সচিব রুমন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
জুলাই আন্দোলনে গণতন্ত্রকামী সবার অবদান রয়েছে: প্রেস সচিব রুমন

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক দলের কৃতিত্ব নয়; বরং দেশের গণতন্ত্রকামী সকল মানুষের সম্মিলিত অবদানের ফল। এ আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে অন্যদের খাটো করার অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (০১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) আয়োজিত বুলেটের মুখে বাংলাদেশ, ফ্যাসিবাদের হলো শেষ শীর্ষক আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে কারাবরণ করেছেন, নানা ধরনের নির্যাতন সহ্য করেছেন। আবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং দীর্ঘ দেড় দশক নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। কিন্তু তারা কখনো ব্যক্তিগত ত্যাগকে সামনে এনে নিজেদের কৃতিত্ব দাবি করেননি।

তিনি বলেন, নিজেকে জাহির করার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই। বিএনপি কখনো বলেনি যে, তারাই একাই সব করেছে। যারা আজ একক কৃতিত্বের দাবি করছেন, জনগণ একদিন তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। ইতিহাসও তাদের স্থান দেবে না।

সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় অনেক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সহায়তা করেছেন। অনেক সাংবাদিক তাদের মোটরসাইকেল ও গাড়িতে তুলে আমাকে-সহ বিএনপির অনেক নেতাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়েছেন। এজন্য আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ