খুঁজুন
                               
, ,
           

‘লক আপ ২’ বিতর্কে শ্রেয়ার কাছে ক্ষমা চাইলেন রাম কাপুরের স্ত্রী গৌতমী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
‘লক আপ ২’ বিতর্কে শ্রেয়ার কাছে ক্ষমা চাইলেন রাম কাপুরের স্ত্রী গৌতমী

রিয়েলিটি শো ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’–এর দ্বিতীয় মৌসুমে নতুন মোড় নিয়েছে রাম কাপুরকে ঘিরে বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের বিশেষ পর্বে শোতে এসে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার কাছে স্বামীর আচরণের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন অভিনেত্রী গৌতমী কাপুর।

কয়েক সপ্তাহ ধরেই শোতে রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার অভিযোগ, রাম একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত পরিসীমা লঙ্ঘন করেছেন। বিভিন্ন টাস্ক শেষে অনুমতি ছাড়া তাঁর গালে চুম্বন করায় তিনি অস্বস্তি বোধ করেন বলেও জানান।

একটি পর্বে শ্রেয়া কালরা ও সহপ্রতিযোগী শিল্পা শিন্দে রাম কাপুরকে সীমারেখা বজায় রাখার অনুরোধ করেন। শ্রেয়া বলেন, ‘আমার বাবা পর্যন্ত আমাকে এত চুমু দেন না। দয়া করে এখন আর আমাকে চুমু দেবেন না।’ এরপর থেকেই বিষয়টি দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বিতর্কের শুরুতে গৌতমী কাপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে স্বামীকে সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি রামকে ‘খুবই ভালো মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। তবে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের পর্বে তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়।

শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে শোতে প্রবেশ করে গৌতমী সরাসরি শ্রেয়ার কাছে যান এবং দুই হাত জোড় করে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, ‘আপনার যদি কোনো কষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন। রাম যদি আপনাকে অনুচিতভাবে স্পর্শ করে থাকেন, তাহলে তাঁর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।’

শুধু শ্রেয়ার কাছেই নয়, অনুষ্ঠানের অন্য কোনো নারী প্রতিযোগীও যদি রাম কাপুরের আচরণে অস্বস্তি বোধ করে থাকেন, তাঁদের কাছেও ক্ষমা প্রার্থনা করেন গৌতমী।

তবে তিনি বলেন, তিনি স্বামীর আচরণের সাফাই গাইতে চান না, তবে রামের স্বভাব এমনই। গৌতমীর ক্ষমা প্রার্থনা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন শ্রেয়া কালরা। তিনি জানান, এ ঘটনায় তাঁর মনে কোনো ক্ষোভ নেই।

রাম কাপুরকে ঘিরে বিতর্ক এখনো দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। গৌতমীর প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন শোয়ের পরবর্তী পর্বগুলোতে এ ঘটনার কী প্রভাব পড়ে, সেটিই দেখার বিষয়।

সূত্র: পিংকভিলা অবলম্বনে।

কালের আলো/এসএ

তেজগাঁও থানা আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
তেজগাঁও থানা আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আকস্মিক তেজগাঁও থানা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে পরিদর্শনকালে মন্ত্রী থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবকাঠামোগত অবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সেবা পাওয়ার মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি থানা ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে অবস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কক্ষ, ডিউটি অফিসারের কক্ষ, তদন্ত কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ, হাজতখানা এবং পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যারাক ও ডাইনিং স্পেস (মেস) ঘুরে দেখেন।

থানার ব্যারাক পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যবস্থা, মেসের সার্বিক খাদ্যের মান এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের নাইট ডিউটি ও শিফটিং ডিউটির সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ও কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।

পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেজগাঁও থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গেও সরাসরি কথা বলেন। জিডি (সাধারণ ডায়েরি) বা অভিযোগ জমা দিতে আসা ভুক্তভোগীদের সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং তাদের অভিযোগগুলো দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নিষ্পত্তির জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-সহ সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের মূল কাজই হলো জনগণের সুরক্ষা ও সেবা দেওয়া। থানাকে প্রতিটি মানুষের আস্থা ও ভরসাস্থল হতে হবে। নাগরিকরা যেন নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে থানায় আসতে পারেন এবং কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজের সমস্যা সরাসরি জানাতে পারেন আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাংলাদেশের ওপর মার্কিন শুল্ক সর্বনিম্ন: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের ওপর মার্কিন শুল্ক সর্বনিম্ন: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (পারস্পরিক শুল্ক) শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বিভিন্ন দেশের ওপরই আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ওপর সাধারণ শুল্কের বাইরে বর্তমানে ১০ শতাংশ ট্যারিফ প্রয়োগ করা হয়েছে, যা সর্বনিম্ন হারের মধ্যে একটি।

শনিবার (২২ আগস্ট) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারের কার্যালয়ে পুলিশ কমিশনার ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ভারতের যে-সব ব্যবসায়ী বাংলাদেশে এসেছেন, তাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে দেশে বিনিয়োগ করেছেন। তারা বাংলাদেশ ও ভারতের স্থলবন্দরগুলো পুরোপুরি কার্যকর করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, স্থলবন্দরগুলো বন্ধ থাকার কারণে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কাঁচামালের মূল্য বেড়ে যায় বলে তারা জানিয়েছেন। এছাড়া, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরির জন্য বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটি ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এফবিসিসিআইয়ের নেতাদের কাছে দিয়েছেন। তিনি এসব প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদলও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগের সহায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়ে তাদের কিছু প্রস্তাব ও পরামর্শ রয়েছে। সরকার সেগুলো বিবেচনায় নিয়েছে।

বাণিজ্য বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের আমদানি রফতানির তুলনায় বেশি। পৃথিবীর অনেক দেশেই আমদানি বেশি এবং রফতানি তুলনামূলকভাবে কম। এটি অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, রফতানি বাড়লে আমদানির পরিমাণও বাড়বে। রফতানি ও আমদানি মিলিয়ে দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বহুগুণ বাড়ানো প্রয়োজন। দেশের অর্থনীতির আকারের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণের সামঞ্জস্য থাকা দরকার।

তিনি বলেন, দেশটির আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলার। সেখানে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের অর্থনীতির আকারের সঙ্গে এই বাণিজ্যের পরিমাণ পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সিলেটের আইনশৃঙ্খলা কেমন আছে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমরা কেমন দেখতে চাই। প্রথম হলো, সিলেটে আমরা কোনো মাদকের আনাগোনা দেখতে চাই না। দ্বিতীয়ত, সিলেটে আমরা কোনো অনলাইন জুয়া দেখতে চাই না। সিলেটে কোনো কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা আমরা দেখতে চাই না। আমরা এ বিষয়ে এসএমপির কাছে আমাদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছি যে, আগামী দিনে মাদক, অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের কোনো তৎপরতা আমরা সিলেটে দেখতে চাই না।

এমপি মুক্তাদির বলেন, এসব সমস্যা নির্মূলে আইনের মধ্যে থেকে যা করা দরকার, তিনি তা করবেন।

চাকরিজীবীদের জীবনমান ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে প্রশ্নটি অর্থমন্ত্রীর কাছে করা উচিত। তিনি বলেন, মাননীয় অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন আপনি আমার কাছে নিয়ে এসেছেন। এই প্রশ্নের উত্তর তিনিই দেবেন।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা এবং প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মুক্তমনে প্রশ্ন করার অধিকারই সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারি সব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান, যেন প্রশাসনিক কাজে পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

এর আগে, এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ ও তার অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন মন্ত্রী। বৈঠকে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যখাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের সম্ভাব্য কাঠামো, পরিচালনা পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় এর ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে দেশের কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা, সম্ভাব্য সমস্যা, ব্যয় ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে।

পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফল পর্যালোচনার পর পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সভায় স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সমন্বিত এই ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ সহজে এর সুফল পান এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।

রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য তথ্যের নিরাপদ সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা সহজে পাওয়ার ব্যবস্থা রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্ল্যাটফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এটি যেন সহজে ব্যবহারযোগ্য, ব্যয়সাশ্রয়ী ও দীর্ঘ মেয়াদে পরিচালনাযোগ্য হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। পাইলট প্রকল্পের ফলাফল যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগে, সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে একটি তথ্যবহুল উপস্থাপনা দেন প্রকৌশলী জাকারিয়া স্বপন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ও ড. শাকিরুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব মো. মামুনুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ