খুঁজুন
                               
, ,
           

‘আই ওয়ান্ট ইয়োর সেক্স’–এর ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে ছিল ‘পেইন স্কেল’, জানালেন ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
‘আই ওয়ান্ট ইয়োর সেক্স’–এর ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে ছিল ‘পেইন স্কেল’, জানালেন ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর

যৌনতা, ক্ষমতার সম্পর্ক ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত গ্রেগ আরাকির নতুন ইরোটিক থ্রিলার আই ওয়ান্ট ইয়োর সেক্স মুক্তির আগেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছবির ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলো কীভাবে নিরাপদ ও বাস্তবসম্মতভাবে ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে কথা বলেছেন ছবির ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর ইয়েহুদা ডুয়েনিয়াস।

লস অ্যাঞ্জেলেসে ছবির প্রিমিয়ারে ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডুয়েনিয়াস জানান, কিছু দৃশ্যে চরিত্রের সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলতে শারীরিক আঘাতের অভিনয় প্রয়োজন হয়েছিল। এ সময় অভিনেতা অলিভিয়া ওয়াইল্ড ও কুপার হফম্যান ১ থেকে ১০ পর্যন্ত একটি ‘পেইন স্কেল’ ব্যবহার করে আগে থেকেই ব্যথার সহনীয় মাত্রা নির্ধারণ করতেন।

ডুয়েনিয়াসের ভাষ্য, এই পদ্ধতি অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ সহজ করেছে এবং দৃশ্যগুলো বাস্তবসম্মতভাবে ধারণের পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করেছে।

ছবিতে কুপার হফম্যান অভিনয় করেছেন সদ্য কলেজ শেষ করা তরুণ এলিয়ট চরিত্রে। তিনি এক প্রভাবশালী গ্যালারিমালিক এরিকা ট্রেসির, যার ভূমিকায় রয়েছেন অলিভিয়া ওয়াইল্ড, সঙ্গে জটিল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই ছবির মাধ্যমেই প্রথমবার কোনো অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেন কুপার।

নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কুপার হফম্যান বলেন, শুরুতে ভয় কাজ করলেও নতুন কিছু করার জন্য সেই ভয়কে অতিক্রম করতে হয়েছে। তাঁর মতে, চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সাহস না থাকলে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব নয়।

ডুয়েনিয়াস জানান, কুপার শুরু থেকেই জানতেন কাজটি কঠিন হবে। তবে তিনি ভয়কে বাধা হতে না দিয়ে প্রতিটি দৃশ্য আরও ভালোভাবে কীভাবে করা যায়, সে বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন।

পরিচালক গ্রেগ আরাকি দীর্ঘদিন ধরেই সাহসী বিষয়বস্তুর চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য পরিচিত। তবে এবারই প্রথম তিনি কোনো ছবিতে ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন স্যাগ-আফট্রার স্বীকৃতি পাওয়ার পর হলিউডে এই পেশার গুরুত্ব ও ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ডুয়েনিয়াসের মতে, একজন ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব অনেকটা স্টান্ট সমন্বয়কারীর মতো। তিনি বলেন, অ্যাকশন দৃশ্যের মতোই অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা, পরিকল্পনা এবং পারস্পরিক সম্মতির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও জানান, ছবির সবচেয়ে জটিল অংশ ছিল তিন চরিত্রকে নিয়ে ধারণ করা একটি দৃশ্য। বিভিন্ন ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল, অভিনেতাদের অবস্থান এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো সমন্বয় করতে সেই দৃশ্যেই সবচেয়ে বেশি সময় লেগেছে।

ডুয়েনিয়াসের ভাষ্য, পরিচালক গ্রেগ আরাকির লক্ষ্য এমন একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা, যা সম্পর্ক, যৌনতা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের সূচনা করবে।

সূত্র: ভ্যারাইটি অবলম্বনে।

কালের আলো/এসএ

‘লক আপ ২’ বিতর্কে শ্রেয়ার কাছে ক্ষমা চাইলেন রাম কাপুরের স্ত্রী গৌতমী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
‘লক আপ ২’ বিতর্কে শ্রেয়ার কাছে ক্ষমা চাইলেন রাম কাপুরের স্ত্রী গৌতমী

রিয়েলিটি শো ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’–এর দ্বিতীয় মৌসুমে নতুন মোড় নিয়েছে রাম কাপুরকে ঘিরে বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের বিশেষ পর্বে শোতে এসে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার কাছে স্বামীর আচরণের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন অভিনেত্রী গৌতমী কাপুর।

কয়েক সপ্তাহ ধরেই শোতে রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার অভিযোগ, রাম একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত পরিসীমা লঙ্ঘন করেছেন। বিভিন্ন টাস্ক শেষে অনুমতি ছাড়া তাঁর গালে চুম্বন করায় তিনি অস্বস্তি বোধ করেন বলেও জানান।

একটি পর্বে শ্রেয়া কালরা ও সহপ্রতিযোগী শিল্পা শিন্দে রাম কাপুরকে সীমারেখা বজায় রাখার অনুরোধ করেন। শ্রেয়া বলেন, ‘আমার বাবা পর্যন্ত আমাকে এত চুমু দেন না। দয়া করে এখন আর আমাকে চুমু দেবেন না।’ এরপর থেকেই বিষয়টি দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বিতর্কের শুরুতে গৌতমী কাপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে স্বামীকে সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি রামকে ‘খুবই ভালো মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। তবে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের পর্বে তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়।

শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে শোতে প্রবেশ করে গৌতমী সরাসরি শ্রেয়ার কাছে যান এবং দুই হাত জোড় করে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, ‘আপনার যদি কোনো কষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন। রাম যদি আপনাকে অনুচিতভাবে স্পর্শ করে থাকেন, তাহলে তাঁর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।’

শুধু শ্রেয়ার কাছেই নয়, অনুষ্ঠানের অন্য কোনো নারী প্রতিযোগীও যদি রাম কাপুরের আচরণে অস্বস্তি বোধ করে থাকেন, তাঁদের কাছেও ক্ষমা প্রার্থনা করেন গৌতমী।

তবে তিনি বলেন, তিনি স্বামীর আচরণের সাফাই গাইতে চান না, তবে রামের স্বভাব এমনই। গৌতমীর ক্ষমা প্রার্থনা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন শ্রেয়া কালরা। তিনি জানান, এ ঘটনায় তাঁর মনে কোনো ক্ষোভ নেই।

রাম কাপুরকে ঘিরে বিতর্ক এখনো দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। গৌতমীর প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন শোয়ের পরবর্তী পর্বগুলোতে এ ঘটনার কী প্রভাব পড়ে, সেটিই দেখার বিষয়।

সূত্র: পিংকভিলা অবলম্বনে।

কালের আলো/এসএ

বিগত ৬ বছরে ঢাকার সড়কে ঝরেছে ১ হাজার ৩৮৪ প্রাণ, শীর্ষে পথচারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
বিগত ৬ বছরে ঢাকার সড়কে ঝরেছে ১ হাজার ৩৮৪ প্রাণ, শীর্ষে পথচারী

Oplus_131072

গত সাড়ে ছয় বছরে রাজধানী ঢাকায় ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহী।

শনিবার (১ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৪ জন পুরুষ, ২১৯ জন নারী এবং ১৩১ জন শিশু। নিহতদের ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ পথচারী, ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ মোটরসাইকেল আরোহী এবং ১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রী ছিলেন।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে রাতে। মোট নিহতের ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ রাতের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া, সকালে ১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ, দুপুরে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ, বিকেলে ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ভোরে ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং সন্ধ্যায় ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের হার ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। এরপর মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা-সিএনজিচালিত রিকশা-লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, রাতে রাজধানীতে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল, দীর্ঘ যানজটের কারণে চালকদের অসহিষ্ণুতা, অপ্রতুল সড়ক, একই সড়কে বিভিন্ন গতির যানবাহনের চলাচল, ফুটপাত দখল এবং নিরাপদ পারাপার ব্যবস্থার ঘাটতি দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড ও বিমানবন্দর সড়ককে দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি উন্নয়নে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু, পাশাপাশি বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

কালের আলো/এসএকে

বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করল ফিফা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করল ফিফা

বিশ্বজুড়ে ফুটবল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। শনিবার এক বিবৃতিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।

ইনফান্তিনো বলেন, ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত করাই ফিফার মূল লক্ষ্য। তাই ব্যাপক মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় প্রস্তাবটি আর এগিয়ে নেওয়া হবে না।

গত মঙ্গলবার ফিফা ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) নামে একটি বাণিজ্যিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গঠনের প্রস্তাব দেয়। এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল। সংস্থাটির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার। বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকত এই প্রতিষ্ঠান।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শুরুতে ফিফার ২১১টি সদস্যদেশকে এককালীন ২ কোটি মার্কিন ডলার করে দেওয়া এবং ২০২৭-২০৩০ মেয়াদের উন্নয়ন তহবিল ৮০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি ডলারে উন্নীত করার কথা ছিল।

তবে পরিকল্পনা ঘোষণার পর থেকেই ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এর তীব্র বিরোধিতা করে। উয়েফা জানায়, প্রস্তাব বহাল থাকলে তাদের কোনো সদস্যদেশ ফিফার টুর্নামেন্টে অংশ নেবে না। পরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কনফেডারেশন (কনক্যাকাফ) একই অবস্থান নেয়।

উয়েফা এক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপ কোনো বাণিজ্যিক বিনিয়োগ পণ্য নয় এবং এর কোনো অংশই বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়।

বিতর্ক আরও বাড়ে যখন ফিফা সভাপতির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো পদত্যাগ করেন। তিনি এ পরিকল্পাকে ফিফা ও বিশ্ব ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন। এদিকে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কনমেবল সভাপতি আলেহান্দ্রো ডমিনগুয়েজও প্রকল্পের কাঠামো ও সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দাবি করেন।

পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণায় ইনফান্তিনো বলেন, সদস্যদেশগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেলেই তা বাস্তবায়ন করা হতো। তবে সব পক্ষের মতামত বিবেচনায় দেখা গেছে, প্রস্তাবটি ফুটবল পরিবারে বিভাজন তৈরি করছে, যা ফিফার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এএফসিও এক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপ বয়কটের মতো বিষয় প্রকাশ্যে আলোচনায় আসা ফুটবলের জন্য উদ্বেগজনক এবং এ পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর সমালোচনা করে বলেন, তিনি ফিফা পরিচালনার জন্য ‘ভুল ব্যক্তি’।

চলমান বিতর্কের পর ইনফান্তিনো জানান, এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য সব পক্ষকে আবার এক টেবিলে এনে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা এবং বিশেষ করে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোতে ফুটবলের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

কালের আলো/এসএ