খুঁজুন
                               
, ,
           

জুলাই গণহত্যার বিচার দাবি সাংবাদিক নেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
জুলাই গণহত্যার বিচার দাবি সাংবাদিক নেতাদের

জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত পলাতক শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ বিজয় র‌্যালি শেষে আয়োজিত সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কোনো মনস্তত্ত্ব ছিল না; বরং তিনি চরম ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করতে চেয়েছিলেন। তবে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতা তাকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।

সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে শেখ হাসিনা একদলীয় শাসন কায়েম করেছিলেন। কিন্তু জুলাইয়ের অভূতপূর্ব অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে, নিপীড়ন চালিয়ে কোনো ফ্যাসিবাদী সরকার টিকে থাকতে পারে না।

আন্দোলনে শহীদ ও আহত সাংবাদিকদের স্মরণ করে বক্তারা বলেন, ফ্যাসিবাদের অবসান হলেও তার ‘পেতাত্মারা’ এখনো সক্রিয় রয়েছে। তাই জুলাই গণহত্যার প্রধান হোতা শেখ হাসিনাসহ তার সহযোগীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে ফাঁসির রায় কার্যকরের দাবি জানান তারা।

সমাবেশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, সহসভাপতি খায়রুল বাশার ও এ কে এম মহসীন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, যুগ্ম সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক রফিক লিটন,

নির্বাহী সদস্য রাজু আহমেদ, নিজামুদ্দিন দরবেশ, তালুকদার রুমি, আব্দুল্লাহ মজুমদার, কাজী ফখরুল ইসলাম, সাবেক নির্বাহী সদস্য এইচ এম আলামিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে অদ্য রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ ছাড়াই ‘সুইটমিট (মিষ্টি)’ এবং নবায়ন ব্যতিরেকে ‘ফার্মেন্টেড মিল্ক (দই) ও ঘি’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করায় এবং পণ্যের

উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখসহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য সম্বলিত লেবেল না থাকায় নগরীর ভদ্রা মোড় সংলগ্ন আরাফাত মিষ্টি প্রতিষ্ঠানটিকে ২০,০০০/- (বিশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুরুল আবছার সবুজ এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।

এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের 

ভারতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় এবার দেশটিকে কড়া এক বার্তা দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

ভারত সরকার যদি এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ না করে এবং দলটির কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ অব্যাহত রাখে, তাহলে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাজধানী নয়াদিল্লিতে ৫ আগস্ট আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন শামা ওবায়েদ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী একটি দলকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত ভারতেরই নিতে হবে। তবে, বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি ও বাস্তবতাকে ভারতের বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ভারত কী করবে, না করবে, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু, বাংলাদেশের জনগণের সেন্টিমেন্টকে ভারতের বুঝতে হবে।

শামা ওবায়েদ আরও অভিযোগ করেন, অতীতে সংঘটিত গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়গুলো আড়াল করতে আওয়ামী লীগ পুরোনো সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের তত্ত্ব সামনে আনছে। আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এমন প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ভারত সরকার যদি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সীমিত না করে, তাহলে তা দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে পুনরায় মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে বাংলাদেশ ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচির ওপর নির্ভর করবে। তার সিডিউল অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কালের আলো/এসএকে

স্কুলে ভর্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
স্কুলে ভর্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অভিভাবকদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হবে পরীক্ষার মাধ্যমে, জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়ন করা হবে। তবে পরীক্ষার ধরন ও পদ্ধতি পরে জানানো হবে।

একই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি বাতিল করে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। তবে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের ব্যাপক আপত্তির মুখে সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শিশুদের ওপর অল্প বয়সে পরীক্ষার চাপ, কোচিংনির্ভরতা বৃদ্ধি, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ভর্তিতে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের কারণে ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি চালু করা হয়। পরে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

করোনা মহামারির সময় ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয় এবং এতদিন সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হচ্ছিল।

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর শিক্ষাবিদদের একটি বড় অংশ এর বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, এত কম বয়সে শিশুদের পরীক্ষার মুখোমুখি করা মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর এবং এতে সামাজিক বৈষম্য বাড়তে পারে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, ভর্তি পরীক্ষা কোচিংনির্ভরতা বাড়ায় এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের শিশুরা এতে পিছিয়ে পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। এতে কোচিং বাণিজ্য বাড়বে এবং শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি হবে।

কালের আলো/এসএকে