খুঁজুন
                               
, ,
           

বিমানবন্দরে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
বিমানবন্দরে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভিআইপি, সিআইপিসহ সবার জন্য সমান নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়ন ঠেকাতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) প্রথম সভায় এসব নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

সভায় কমিটির সভাপতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং সহসভাপতি প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কমিটির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট অনুষ্ঠিত হবে।

এ অডিটের ফলাফলের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই আইকাওর সম্ভাব্য পর্যবেক্ষণগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ভিআইপি ও সিআইপিসহ সবার জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল সমান। বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে একই নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য উন্নত ও নির্বিঘ্ন যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়ন রোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রায় তিন বছর পর জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও স্ক্যানার পর্যাপ্ত সংখ্যায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও স্ক্যানারের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকাই উত্তম।

সভায় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আইনের ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর, সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় জোরদার, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং আইকাওর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিমানবন্দরে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সংযোজন, বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিরাপত্তা জোরদার এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে স্থাপিত আন্ডার ভেহিকেল স্ক্যানিং সিস্টেমের (ইউভিএসএস) কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

সভায় দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কনটিনজেন্সি ও ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অনিয়ন্ত্রিত লোকসমাগম, ভিক্ষুকের উপদ্রব এবং অবৈধ লাগেজ র‌্যাপিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এসব সমস্যা সমাধানে বেবিচক, এপিবিএন, পুলিশ, আনসার ও বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুপারিশ করা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে চোর সন্দেহে দুই তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন নির্যাতনকারীকে ছুরিকাঘাত

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে চোর সন্দেহে দুই তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন  নির্যাতনকারীকে ছুরিকাঘাত

রাজশাহীতে চোর সন্দেহে দুই তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনকারীকে ওই সময় ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পরে দুই তরুণকে পুলিশে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরের গৌরহাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে নগরের বোয়ালিয়া থানায় ওই দুই তরুণসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার দুই তরুণ হলেন নগরের বোয়ালিয়া থানার জোলাপাড়া লাইনপাড়া মহল্লার মো. মিজান (২৫) ও ষষ্ঠীতলা এলাকার তন্ময় তেওয়ারী (২৫)। গৌরহাঙ্গা এলাকার মাসুদ স্টিল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক মাসুদ রানা তাঁদের গাছে বেঁধে পেটান। মাসুদ রানার বাড়ি নগরের সায়েরগাছা এলাকায়।

ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী শ্যামলী খাতুন বাদী হয়ে শুক্রবার বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাসুদ স্টিল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ থেকে বিভিন্ন লোহার জিনিসপত্র প্রায়ই চুরি হয়। বৃহস্পতিবার রাতে দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি তন্ময় তেওয়ারীকে আটক করেন। পরে তন্ময় চুরির ঘটনায় জড়িত হিসেবে মিজানের নাম জানান। পরে মিজানকেও ধরে এনে তন্ময়ের সঙ্গে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

এ সময় গৌরহাঙ্গা এলাকার মো. আল-আমিন ওরফে রিমন (২২) ও মো. শুভ (২৩) নামের দুই যুবক বাধা দেন। তাঁরা মাসুদ রানার সঙ্গে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রিমন পকেট থেকে একটি চাকু বের করে মাসুদ রানার পিঠে আঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে রিমন ও তন্ময়কে আটক করে। এ সময় শুভ ও মিজান পালিয়ে যান। পরে মাসুদ রানাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

দুই তরুণকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত মাসুদ রানা নিজেও ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মোস্তারি বলেন, ‘নির্যাতনের ঘটনা জানা নেই। ছুরিকাঘাতের অভিযোগে দু’জনকে পুলিশে দিয়ে মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা আমাদের অঙ্গীকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা আমাদের অঙ্গীকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও বৈশ্বিক নাগরিক গড়ে তোলাই আমাদের ভবিষ্যতের অঙ্গীকার।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ১৪তম এফএসিডি-সিএবি (ফরেন অ্যাডমিশন অ্যান্ড ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) আন্তর্জাতিক শিক্ষামেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, অসীম সম্ভাবনার এক মঞ্চ’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে আয়োজিত এ এক্সপো দেশের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রে নিজেদের প্রস্তুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

তিনি আরও বলেন, জ্ঞান, দক্ষতা ও উদ্ভাবনই আগামী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বমানের শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা একসঙ্গে কাজ করে যাব।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক করল পুলিশ

বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ বিষয়ে জানানো করা হয়।

বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দেশি-বিদেশি সহযোগীরা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা, পুলিশ বাহিনীর মনোবল দুর্বল করা এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বার্তায় আরও বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

পাশাপাশি অন্যায় তদবির গ্রহণ না করায় অসন্তুষ্ট একটি মহল মনগড়া তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকা, সরকারি দপ্তরে অনৈতিক তদবির এবং অপপ্রচার বন্ধের শর্তে অর্থ দাবির তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।

এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য বিশ্বাস, শেয়ার বা প্রচার না করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বলেও বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি