খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে মুসলিম লীগের ইতিহাস জড়িত: ডিইউজে সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে মুসলিম লীগের ইতিহাস জড়িত: ডিইউজে সভাপতি

বাংলাদেশের প্রতিটি উন্নয়ন ও অর্জনের সঙ্গে মুসলিম লীগের ইতিহাস জড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মুসলিম লীগের সমৃদ্ধ ইতিহাস নতুন প্রজন্মের অনেকেরই অজানা।

উপমহাদেশের উত্থান-পতনের ইতিহাস গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে মুসলিম লীগের ইতিহাসের গভীর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাব আকরাম খাঁ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ৫১তম পুনর্গঠন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুসলিম জাতীয়তাবাদ রক্ষায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি জুবেইদা কাদের চৌধুরী।

শহিদুল ইসলাম বলেন, মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯০৬ সালে।

পরবর্তী সময়ে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিকাশে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার ইস্যুকে কেন্দ্র করে মুসলিম লীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের হীনমন্যতায় ভোগার কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের মানুষ। বাংলাদেশের প্রতি আমাদের আনুগত্য থাকবে। স্বাধীনতার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি—এটা যেমন সত্য, তেমনি ইতিহাসের কোনো অধ্যায়কে অস্বীকার করাও ঠিক নয়। পাকিস্তান আমলে এ অঞ্চলে যেসব বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলোর ধারাবাহিকতা পরবর্তী সময়েও দেখা গেছে।

ডিইউজে সভাপতি বলেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি না হলে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ভিন্ন হতে পারত। তাই ইতিহাসকে কোনো একটি দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে না দেখে সামগ্রিকভাবে জানা ও বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

মুসলিম লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ইস্যুতে হীনমন্যতায় না ভুগে সংগঠনটির ইতিবাচক ভূমিকা ও ঐতিহাসিক অবদান সামনে আনতে হবে। বাংলাদেশের তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নে তাদের সম্পৃক্ততা থাকলে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মুসলিম লীগ যদি এ দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারে এবং জনগণের প্রত্যাশা ও স্বাধীন চিন্তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে যায়, তাহলে সংগঠনটি আবারও মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা ফিরে পেতে পারে।

শহিদুল ইসলাম আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে মুসলিম লীগ আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং এ দেশের মানুষের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লে. কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের আগে ও পরের সময়ে মুসলিম লীগের ভূমিকা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। বাঙালি মুসলমানদের রাজনৈতিক ইতিহাস ও জাতীয়তাবাদ নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

ভারতের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে হাসিনুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসকে সম্মান করতে হবে। ভারতকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশের স্বার্থে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে।

তিনি ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের অর্থ যেন অন্য দেশে চলে না যায়, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। রাজনীতি যদি মানুষের কল্যাণের জন্য হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, আমার নেতারা আমাদের টাকায় চিকিৎসা করেন, আর গরিব মানুষ ওষুধ কিনতে পারে না, এটা হতে পারে না। আমাদের সবার জন্য কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দীন মতিন চৌধুরী বলেন, জুলাইয়ে আমরা যারা এই আন্দোলনে ছিলাম, আমাদের মধ্যে ফাটল ধরেছে। আমি বলব, ফাটল বন্ধ করুন। এই ফাটলের ভেতরে অন্যরা ঢুকে পড়বে, অনুপ্রবেশকারীরা সুযোগ নেবে।

সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা ক্ষমতায় আছেন, তাদের দেশ পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে। দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের কী অবস্থা ছিল, তা সবাই জানেন। বর্তমান সরকার দেশ সংস্কার করে সুন্দর পথে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এজন্য সময় দিতে হবে। সময় লাগবে, সময় দিতে হবে আমাদের সকলকে। সময় না দিয়ে আমরা কি যুদ্ধ করব? দেশটাকে অন্য সরকারের হাতে তুলে দেব—সেটি সম্ভব নয়।

ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সম্মান নিয়ে থাকতে হবে। এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়, যাতে তারা জনগণের ভালোবাসা থেকে দূরে সরে যান। সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায়। আপনারা নতুন সরকারকে সময় না দিয়ে শুধু সমালোচনা করবেন, তার উল্টো কথা বলবেন—এটা ঠিক নয়।

বর্তমান প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের বয়সের চেয়ে ছোট একজন মানুষ আজ দেশ পরিচালনা করছেন। আগামীতে তিনি সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করবেন—এটা নিয়ে সবার গর্ব করা উচিত।

সব রাজনৈতিক পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারকে সমালোচনা করা যাবে, তবে দেশের স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির বিষয়টি সবার আগে বিবেচনা করতে হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকার উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, যাদের অবদান ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ ও গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে, শিশুদের তাদের সম্পর্কে জানানো অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য শিশু-কিশোরদের উপযোগী বই, লেখনী ও চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা রচিত ‘শহিদ জিয়ার গল্প শোনো’ ও ‘ছোটদের প্রিয় খালেদা জিয়া’ বই দুটির মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য বাংলাদেশের আসল ইতিহাস এবং যাদের কারণে আমরা স্বাধীন দেশ ও গণতন্ত্র পেয়েছি, তাদের সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্মকে জানানো খুবই দরকার। কিন্তু সে অনুপাতে বই, লেখনী বা চলচ্চিত্র সেভাবে গড়ে ওঠেনি। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। এ ধরনের উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।’

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের জন্য এ ধরনের বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, এতে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম সহজেই বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ত্যাগী নেতাদের অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, “আই রিভোল্ট’ না বলতেন, তবে হয়তো আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না।’’

তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছেন। তাদের এই অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে না ধরলে কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। দেশে যেন পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সর্বস্তরের জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’-এর স্বত্বাধিকারী দীপান্ত রায়হানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, এস এম জিলানী, কে এম বাবর ও মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আক্তার টপি এবং সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন লেখক কালাম ফারায়েজি, বই দুটির লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা, কবি মিন্টু হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও তৌহিদুর রহমান আওয়াল।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দিনাজপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের চেকপোস্ট গেট থেকে শুরু করে চারমাথা মোড় হয়ে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, গত ৫ আগস্ট চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দিবসে ভারতে পলায়নকৃত স্বৈরাচার সরকার ও তাদের সহযোগীরা যে ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করার উসকানি দিচ্ছেন, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এই দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে স্বৈরাচারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

তিনি আরও বলেন, আইনে যদি তিনি খালাস পেয়ে যান, খুবই ভালো কথা। কিন্তু তাকে আইন-আদালতের মুখোমুখি হয়ে বিচারের সম্মুখীন হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলা উচিত। স্বৈরাচারের পতনের পর দেশের মানুষ অনেক ভালো আছে। অহেতুক মানুষকে উসকানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণ যেকোনো উপায়েই হোক প্রতিহত করবে।

এ সময় সেখানে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিখ্যাত বাবুনগর মাদরাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ৩টায় হেলিকপ্টার যোগে সরকারপ্রধান পেহেলগাজী দিঘীর মাঠে অবতরণ করেন। এসময় সাধারণ মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

সেখান থেকে সড়কপথে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছান তারেক রহমান।

হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর প্রধানমন্ত্রী পাশের হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন। সেখানকার আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসায় হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন সরকারপ্রধান।

এর আগে দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সহায়তা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। আর সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতাবাড়ীর গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সরকারপ্রধান।

কালের আলো/এসএকে