খুঁজুন
                               
, ,
           

আইপিও ছাড়াই সরাসরি তালিকাভুক্তির বিধিমালা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
আইপিও ছাড়াই সরাসরি তালিকাভুক্তির বিধিমালা অনুমোদন

পুঁজিবাজারে আইপিও ছাড়াই সরাসরি সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্তির সুযোগ দিতে নতুন বিধিমালার খসড়া অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে নতুন পণ্য হিসেবে ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস চালুর জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনাও অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

মঙ্গলবার বিএসইসির ১০২৭তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান। পরে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সভায় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডাইরেক্ট লিস্টিং অব সিকিউরিটিজ বাই স্টক এক্সচেঞ্জ) রুলস, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। খসড়াটি শিগগিরই জনমত যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানাধীন ১০ থেকে ২০ শতাংশ শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে কোনো কোম্পানি আইপিও ছাড়াই সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। তবে এ সুবিধা নিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

এ সুবিধার আওতায় সরকারি বা সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানি, নির্দিষ্ট পরিমাণ সরকারি মালিকানা রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠান, বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানাধীন কোম্পানি এবং নির্দিষ্ট মূলধন ও ব্যবসায়িক সক্ষমতাসম্পন্ন টেলিযোগাযোগ, আইসিটি, অবকাঠামো ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি এবং স্টক এক্সচেঞ্জ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও এ সুবিধা পেতে পারে।

এদিকে জেড-ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রেও পূর্বানুমোদনের নিয়ম শিথিল করেছে বিএসইসি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঋণখেলাপির কারণে শেয়ার বাজেয়াপ্ত বা কোনো শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যুর কারণে শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিএসইসির পূর্বানুমোদন আর প্রয়োজন হবে না। সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের নিজস্ব তালিকাভুক্তি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠানোর ক্ষেত্রেও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে ডাবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়ডেন্স (ডিটিএ) সার্টিফিকেট পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এবং সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের মধ্যেই ঘোষিত বা অনুমোদিত লভ্যাংশ পাঠাতে হবে।

অন্যদিকে, পুঁজিবাজারে ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস চালুর জন্য ডিএসইর কর্মপরিকল্পনাও অনুমোদন করেছে বিএসইসি। এতে নিয়ন্ত্রক কাঠামো, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, অবকাঠামো, ক্লিয়ারিং-সেটেলমেন্ট এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ‘ইনডেক্স ফিউচার’ দিয়ে ডেরিভেটিভসের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব প্রস্তুতি ঠিকভাবে এগোলে ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে ডিএসইতে এর আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হতে পারে। কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে বিএসইসি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রপ্তানি আয়ে সুখবর, আগস্টে আয় ৪.৪৩ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
রপ্তানি আয়ে সুখবর, আগস্টে আয় ৪.৪৩ বিলিয়ন ডলার

নতুন অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ মাসে দেশ থেকে মোট ৪ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।

রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতেও আগস্টে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।

২০২৫ সালের আগস্টে তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে আগস্টের প্রবৃদ্ধির ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ৮ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দুই মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

ইপিবি বলছে, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে চাহিদা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের আস্থা বাড়ায় আগস্টে রপ্তানি আয় শক্তিশালী হয়েছে।

এ ছাড়া উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যসংযোজিত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো এবং নতুন পণ্য ও বাজারে বৈচিত্র্য আনার উদ্যোগও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে ইপিবি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ডেঙ্গুতে মৃত্যু একশ ছাড়ালো

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে মৃত্যু একশ ছাড়ালো

ক্রমেই ভয়ানক হয়ে উঠছে মশাবাহিত ডেঙ্গু। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রোগটিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩২৪ জন। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও আক্রান্তের নতুন রেকর্ড।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছরে মঙ্গলবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০২ জনে। একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ৩৭ হাজার ১৭০ জন।

এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) ডেঙ্গুতে একদিনে সারাদেশে চারজনের মৃত্যু হয়। এদিন রোগটিতে আক্রান্ত হন এক হাজার ৯৭ জন, যা ছিল চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ।

প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে দুজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। বাকি তিনজনের একজন ঢাকা উত্তর সিটি, একজন চট্টগ্রামের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের।

প্রতিবেদন আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মাঝে বরিশাল বিভাগের ১২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১৩৯ জন, ঢাকা বিভাগের ২৯৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৪২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩৮ জন, খুলনা বিভাগের ২৪৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৮৭ জন, রাজশাহী বিভাগের ১১৪ জন, রংপুর বিভাগের ৩৪ জন এবং সিলেট বিভাগের ৫ জন রোগী রয়েছেন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮০ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চলতি বছরে এই সংখ্যা মোট ৩৪ হাজার ৩৮৫ জন।

এর আগে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা যান ৪১৩ জন। অন্যদিকে ২০২৪ সালে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সীমান্তে নজরদারিতে থাকবে ডিজিটাল প্রযুক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সীমান্তে নজরদারিতে থাকবে ডিজিটাল প্রযুক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানব পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সীমান্তের দুর্গম ও জনবল দিয়ে নজরদারি করা কঠিন এলাকাগুলোতে থার্মাল ও নাইট মিশন সক্ষম ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে সীমান্তের অপর প্রান্তের গতিবিধি শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট বিজিবির সেক্টর সদর দফতরে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এতে করে চোরাচালানসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ কমে আসবে।

তিনি বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার এবং মানব পাচার মোকাবিলায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এজন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে তোলা হবে।

ড্রোন প্রযুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে দেশে ড্রোন তৈরি ও সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা একসময় প্রতিরক্ষা শিল্পে রূপ নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ড্রোন প্রযুক্তি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তায় নয়, দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ সময় মন্ত্রী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম পরিদর্শন এবং ড্রোনের ব্যবহারিক প্রদর্শনী উপভোগ করেন।

প্রশিক্ষণকেন্দ্রে প্রদর্শিত আধুনিক ড্রোন সম্পর্কে তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি ধীরে ধীরে এখানে সংযোজন করা হবে এবং আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে আরও উন্নত সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম সিলেট সফর।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ