খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক বাড়াতে চায় ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক বাড়াতে চায় ভারত

অতীতে আটকে না থেকে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক বাড়াতে চায় ভারত। বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। পরে সাক্ষাৎ নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘দু’দেশের মধ্যে চ্যালেঞ্জ থাকবে, তবে সেসব চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অতীতকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।’

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আজকের সাক্ষাতে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়ে কথা হয়েছে।’

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যা হয়, সেটি নিয়ে কিছু বলতে চাই না এবং বলা উচিতও নয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত সরকারই জনগণের জন্য কোনটি ভালো, তা ভালোভাবে বুঝবে।’

দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আমরা সবসময় চাই। আমরা যা সিদ্ধান্ত নিই, তার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। সাধারণ মানুষের যেন ভালো হয়, সেজন্য আমাদের দায়িত্ব আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বলি, সীমান্তের সঙ্গে আমরা স্বপ্নও শেয়ার করি। সেজন্য প্রতিবেশী হিসেবে দায়িত্ব বেড়ে যায়। আমরা সমান। কেউ বড় কিংবা ছোট নই।’

বাংলাদেশ ও ভারতের সামনে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ থাকবেই। আমাদের দেখতে হবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ কী? বাংলাদেশেরও দেখতে হবে ভারতের কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। চ্যালেঞ্জগুলো মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে।’

অতীতের সম্পর্ক ও ঘটনাপ্রবাহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অতীত আমরা ভুলতে পারি না, কিন্তু অতীতে আটকে যাওয়ারও কোনো জায়গা নেই। অতীতে আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১৫ বছর পর অ্যাপলের সিইও পদ ছাড়লেন টিম কুক, দায়িত্বে জন টার্নাস

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
১৫ বছর পর অ্যাপলের সিইও পদ ছাড়লেন টিম কুক, দায়িত্বে জন টার্নাস

অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে ১৫ বছরের দায়িত্ব শেষে বিদায় নিলেন টিম কুক। ৩১ আগস্ট ছিল সিইও হিসেবে তার শেষ কর্মদিবস। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন দীর্ঘদিনের অ্যাপল নির্বাহী জন টার্নাস।

বিদায়ের আগে অ্যাপলের কর্মীদের উদ্দেশে একটি চূড়ান্ত মেমো পাঠান কুক। এতে তিনি নেতৃত্ব হস্তান্তরকে বিদায় হিসেবে নয়, বরং নতুন নেতৃত্বের প্রতি গভীর আস্থার প্রকাশ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

কুক জানান, তিনি অ্যাপল ছাড়ছেন না; শুধু এমন একটি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন, যে দায়িত্ব তিনি গভীরভাবে ভালোবেসেছেন। সিইও হিসেবে কাজকে তিনি কতটা মিস করবেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন বলেও উল্লেখ করেন। তবে সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি পুরোপুরি স্বস্তিতে রয়েছেন।

উত্তরসূরি জন টার্নাসের প্রশংসা করে কুক বলেন, বিশ্ব বদলে দিতে পারে—এমন পণ্য তৈরিতে কী প্রয়োজন, তা তার মতো খুব কম মানুষই বোঝেন।

অ্যাপলের নতুন যুগে হার্ডওয়্যার ও পণ্য উন্নয়নে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। টার্নাস আইফোন, ম্যাক, এয়ারপডসসহ অ্যাপলের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার পণ্যের উন্নয়নে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

সম্প্রতি তার নেতৃত্বে অ্যাপল আল্ট্রা-থিন ‘আইফোন এয়ার’, তুলনামূলক কম দামের ‘ম্যাকবুক নিও’ এবং শ্রবণস্বাস্থ্য সুবিধাসম্পন্ন এয়ারপডস বাজারে এনেছে।

চূড়ান্ত মেমোতে কুক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), চীননীতি বা নিয়ন্ত্রক চ্যালেঞ্জের মতো নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেননি। বরং তিনি অ্যাপলের সংস্কৃতিকেই প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন।

কুক লিখেছেন, ‘সংস্কৃতিই সবকিছুর ওপর জয়ী হয়।’ একই সঙ্গে অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের ‘মহাবিশ্বে একটি দাগ রেখে যাওয়ার’ ধারণার কথাও স্মরণ করেন তিনি।

সিইও পদ ছাড়লেও কুক অ্যাপলে থাকছেন। তিনি এখন থেকে প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কালের আলো/এসএ

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ পদে নিয়োগ, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ পদে নিয়োগ, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, প্রশাসনিক ও বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট ১৬টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

যেসব পদে নিয়োগ

সহযোগী অধ্যাপক:
আইন বিভাগে ১টি এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১টি পদ। গ্রেড-৪ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৫০,০০০ থেকে ৭১,২০০ টাকা।

সহকারী অধ্যাপক:
আইন বিভাগে ১টি এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১টি পদ। গ্রেড-৬ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৩৫,৫০০ থেকে ৬৭,০১০ টাকা।

প্রভাষক:
আইন বিভাগে ১টি এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১টি পদ। গ্রেড-৯ অনুযায়ী বেতন স্কেল ২২,০০০ থেকে ৫৩,০৬০ টাকা।

প্রোগ্রামার:
১টি পদ। গ্রেড-৬ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৩৫,৫০০ থেকে ৬৭,০১০ টাকা।

সহকারী গ্রন্থাগারিক:
১টি পদ। গ্রেড-৭ অনুযায়ী বেতন স্কেল ২৯,০০০ থেকে ৬৩,৪১০ টাকা।

মেডিকেল অফিসার:
১টি পদ। গ্রেড-৯ অনুযায়ী বেতন স্কেল ২২,০০০ থেকে ৫৩,০৬০ টাকা।

নার্স (মহিলা):
১টি পদ। গ্রেড-১০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ১৬,০০০ থেকে ৩৮,৬৪০ টাকা।

ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট:
১টি পদ। গ্রেড-১৫ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৯,৭০০ থেকে ২৩,৪৯০ টাকা।

বুক সর্টার:
২টি পদ। গ্রেড-১৮ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,৮০০ থেকে ২১,৩১০ টাকা।

অফিস সহায়ক:
১টি পদ। গ্রেড-২০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

নিরাপত্তা প্রহরী:
১টি পদ। গ্রেড-২০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী:
১টি পদ। গ্রেড-২০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

যেভাবে আবেদন

শিক্ষক পদে আগ্রহী প্রার্থীদের ৮ সেট এবং প্রশাসনিক পদে আগ্রহীদের ৬ সেট আবেদনপত্র সরাসরি অথবা ডাকযোগে জমা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

আবেদন পাঠানোর ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়, বাইপাস সড়ক, বরুনকান্দি মোড়, নওগাঁ-৬৫০০।

আবেদন ফি

আবেদন ফি ৬০০ টাকা

আবেদনের শেষ সময়

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কাল মুখোমুখি পুঠিয়া-দুর্গাপুর

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কাল মুখোমুখি পুঠিয়া-দুর্গাপুর

রাজশাহীতে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আগামীকাল বুধবার মুখোমুখি হবে পুঠিয়া উপজেলা ফুটবল দল ও দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে দুই দলই মাঠে নামবে জয়ের প্রত্যয় নিয়ে।

রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিকেল ৪টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেমিফাইনাল। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচকে ঘিরে দুই দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে এরই মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ম্যাচটি হাড্ডাহাড্ডি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে প্রত্যাশা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

পুঠিয়া উপজেলা দলের কোচ জিতেন জানিয়েছেন, সেমিফাইনালকে সামনে রেখে তাঁর দলের প্রস্তুতি ভালো। আগের ম্যাচের মতো এবারও দলে কোনো বিদেশি খেলোয়াড় রাখা হয়নি। স্থানীয় খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের ওপরই তাঁরা আস্থা রাখছেন।

দলের আরেক কোচ ইমনও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দলের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। এখন মাঠে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই মূল বিষয়। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।

অন্যদিকে, দুর্গাপুর উপজেলা দলের কোচ বাবু জানিয়েছেন, ফাইনালে উঠতে তাঁর দল সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। দলের শক্তি বাড়াতে মিশরের ফুটবলার মোস্তফাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দুই দলের প্রস্তুতি, কৌশল ও খেলোয়াড়দের সামর্থ্য বিবেচনায় বুধবারের ম্যাচটি জমজমাট হওয়ার প্রত্যাশা করছেন আয়োজক ও দর্শকরা। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মাঠে দুই দলের লড়াই দেখতে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে উল্লেখযোগ্য দর্শক সমাগম হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি