খুঁজুন
                               
, ,
           

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ পদে নিয়োগ, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ পদে নিয়োগ, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, প্রশাসনিক ও বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট ১৬টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

যেসব পদে নিয়োগ

সহযোগী অধ্যাপক:
আইন বিভাগে ১টি এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১টি পদ। গ্রেড-৪ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৫০,০০০ থেকে ৭১,২০০ টাকা।

সহকারী অধ্যাপক:
আইন বিভাগে ১টি এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১টি পদ। গ্রেড-৬ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৩৫,৫০০ থেকে ৬৭,০১০ টাকা।

প্রভাষক:
আইন বিভাগে ১টি এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১টি পদ। গ্রেড-৯ অনুযায়ী বেতন স্কেল ২২,০০০ থেকে ৫৩,০৬০ টাকা।

প্রোগ্রামার:
১টি পদ। গ্রেড-৬ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৩৫,৫০০ থেকে ৬৭,০১০ টাকা।

সহকারী গ্রন্থাগারিক:
১টি পদ। গ্রেড-৭ অনুযায়ী বেতন স্কেল ২৯,০০০ থেকে ৬৩,৪১০ টাকা।

মেডিকেল অফিসার:
১টি পদ। গ্রেড-৯ অনুযায়ী বেতন স্কেল ২২,০০০ থেকে ৫৩,০৬০ টাকা।

নার্স (মহিলা):
১টি পদ। গ্রেড-১০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ১৬,০০০ থেকে ৩৮,৬৪০ টাকা।

ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট:
১টি পদ। গ্রেড-১৫ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৯,৭০০ থেকে ২৩,৪৯০ টাকা।

বুক সর্টার:
২টি পদ। গ্রেড-১৮ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,৮০০ থেকে ২১,৩১০ টাকা।

অফিস সহায়ক:
১টি পদ। গ্রেড-২০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

নিরাপত্তা প্রহরী:
১টি পদ। গ্রেড-২০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী:
১টি পদ। গ্রেড-২০ অনুযায়ী বেতন স্কেল ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

যেভাবে আবেদন

শিক্ষক পদে আগ্রহী প্রার্থীদের ৮ সেট এবং প্রশাসনিক পদে আগ্রহীদের ৬ সেট আবেদনপত্র সরাসরি অথবা ডাকযোগে জমা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

আবেদন পাঠানোর ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়, বাইপাস সড়ক, বরুনকান্দি মোড়, নওগাঁ-৬৫০০।

আবেদন ফি

আবেদন ফি ৬০০ টাকা

আবেদনের শেষ সময়

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ

ইসির বড় পরীক্ষা ইউপি ভোটে

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
ইসির বড় পরীক্ষা ইউপি ভোটে

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এবার তৃণমূলে ভোটের পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেপ্টেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল এবং নভেম্বরে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কমিশন। তবে ব্যালটের লড়াইয়ের আগেই ইসির সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে মাঠের আইনশৃঙ্খলা। কারণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে, বিশেষ করে ইউপি ভোটে, সংঘাতের ঝুঁকি ঐতিহাসিকভাবেই বেশি।

এই বাস্তবতা মাথায় রেখে ভোটের বেশ আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ইতোমধ্যে পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। জানতে চেয়েছেন দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাঠপর্যায়ে বাহিনীর সক্ষমতা এবং নির্বাচনের সময় কতটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পুলিশকে সারা দেশের জেলা-উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনও দিতে বলা হয়েছে।

আগেভাগেই মাঠের হিসাব নিতে চায় কমিশন
গত ১৮ আগস্ট নির্বাচন ভবনে পুলিশ প্রধান আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিইসি। সেখানে জেলা-উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সমন্বয় এবং একটি সমন্বিত সেল গঠনের বিষয় উঠে আসে। পুলিশের পক্ষ থেকে শিগগিরই ইসিকে পরিস্থিতির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

এরপর ২৭ আগস্ট সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় আরও ভালো নির্বাচন করার অঙ্গীকারে কোনো ঘাটতি নেই। তাঁর ভাষায়, স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রা সাধারণত বেশি থাকে—এ বিষয়টি কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে। ইসির প্রস্তুতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পুলিশের বিদ্যমান মনিটরিং ব্যবস্থাকে নির্বাচনের মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কাজে লাগানো। ১৯ আগস্ট আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক এবং ২৪ আগস্ট বিজিবির মহাপরিচালকের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন সিইসি। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, শিগগিরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবে কমিশন। নির্বাচনের সময় বাহিনীগুলো কীভাবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করবে, সে বিষয়ে তাদের মতামত ও পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

ভরসা পুলিশ-বিজিবি-আনসারে
এবারের ইউপি নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে রাখার পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনার মাছউদের মতে, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পুলিশ, আনসার ও বিজিবিই যথেষ্ট। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, কমিশন এখনই পরিস্থিতিকে সংকটজনক হিসেবে দেখছে না। বরং সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করে আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে চাইছে। ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনাও সেই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ।

অতীতের ইউপি ভোটই বড় সতর্কবার্তা
ইসির উদ্বেগের পেছনে অবশ্যই বাস্তব কারণ রয়েছে। অতীতের ইউপি নির্বাচনগুলোতে ভোটের মাঠ পরিণত হয়েছে সংঘাতের কেন্দ্রে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানি ছিল ভয়াবহ। নির্বাচন কমিশন ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) তথ্য অনুযায়ী, ওই নির্বাচনে ২৩৬ জন নিহত এবং আট হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনেও সহিংসতার ধারাবাহিকতা থামেনি। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপে সংঘাতে অন্তত ১১৬ জন নিহত হন। শুধু ২০২১ সালেই ইউপি নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় ১১৩ জন নিহত হওয়ার তথ্য রয়েছে। এসব নির্বাচনে সংঘাতের বড় কারণ ছিল দলীয় প্রতীক। একই দলের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই এবং প্রতিপক্ষের ওপর হামলা বহু এলাকায় সহিংসতা বাড়িয়েছিল।

দলীয় প্রতীক না থাকায় কমতে পারে সংঘাত
এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় আগের চিত্র কিছুটা বদলাতে পারে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীমের মতে, অতীতে দলীয় প্রতীক স্থানীয় নির্বাচনকে অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক আধিপত্যের লড়াইয়ে পরিণত করেছিল। এবার সেই কাঠামো না থাকায় সহিংসতা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঝুঁকি পুরোপুরি উধাও হচ্ছে না। বিশেষ করে কোনো বিতর্কিত বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রার্থী মাঠে এলে পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হতে পারে। আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী অংশ নিলে অন্য রাজনৈতিক পক্ষ তাদের রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে প্রতিরোধের চেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কার কথাও বলেছেন তিনি। তাই প্রার্থী যাচাই থেকে শুরু করে প্রচার ও ভোটের দিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আসল পরীক্ষা ভোটের মাঠে
ইসি বলছে, সংঘাতমুক্ত নির্বাচনই তাদের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় নির্ভরতা থাকবে মাঠের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ওপর। কারণ স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক সময় সরাসরি ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত বিরোধে রূপ নেয়। জাতীয় নির্বাচনের মতো বৃহৎ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে এখানে ভোটের সঙ্গে যুক্ত থাকে স্থানীয় আধিপত্য, সামাজিক সম্পর্ক ও দীর্ঘদিনের বিরোধ। ইসি কমিশনার মাছউদও স্বীকার করেছেন, সংঘাতমুক্ত নির্বাচন করতে গেলে নানা বাধা আসবে। সেসব বাধা আগেই চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তবে শতভাগ সংঘাতমুক্তির নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

কালের আলো/এম/এএইচ

ইলন মাস্কের এক্সকে চ্যালেঞ্জ, ‘টুইটার’ নামেই নতুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
ইলন মাস্কের এক্সকে চ্যালেঞ্জ, ‘টুইটার’ নামেই নতুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সকে (X) অস্বাভাবিক এক চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে নতুন একটি স্টার্টআপ। সাবেক টুইটার ট্রেডমার্ক আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ‘টুইটার’ নামেই নতুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াভিত্তিক স্টার্টআপ অপারেশন ব্লুবার্ড পরিচালনা করছে নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘Twitter.now’। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন টুইটারের সাবেক ট্রেডমার্ক কাউন্সেল স্টিফেন কোটস।

তবে নতুন প্ল্যাটফর্মটির যাত্রা শুরুতেই আইনি জটিলতায় পড়েছে। টুইটার নাম ও সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্কের মালিকানা নিয়ে অপারেশন ব্লুবার্ডের সঙ্গে এক্সের বিরোধ চলছে। এক্স ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা করেছে এবং ‘টুইটার’ নাম ব্যবহার করে প্ল্যাটফর্ম চালু করা ঠেকাতে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।

অপারেশন ব্লুবার্ডের দাবি, পুরোনো টুইটার ব্যবসার নাম পরিবর্তন করে এক্স করার পর ‘Twitter’ ও ‘Tweet’সহ সংশ্লিষ্ট কিছু ট্রেডমার্কের অধিকার ছেড়ে দিয়েছে এক্স। তবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এক্স।

পুরোনো টুইটারের আদলে নয়

নতুন প্ল্যাটফর্মটি কেবল পুরোনো টুইটারের পুনরাবৃত্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরছে না। বরং ব্যবহারকারীরা তাদের ফিডে কী ধরনের পোস্ট দেখতে চান, সে বিষয়ে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

এই পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ব্যবস্থা ‘VERA’। এটি বিভিন্ন পোস্টে থাকা দাবির সত্যতা যাচাই, প্রাসঙ্গিক তথ্য ও সূত্র সরবরাহ এবং পোস্টের সঙ্গে ‘ট্রাস্ট স্কোর’ যুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

অপারেশন ব্লুবার্ড জানিয়েছে, পরবর্তী সংস্করণে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই নির্ধারণ করতে পারবেন কোন মাত্রার বিশ্বাসযোগ্যতার পোস্ট তারা ফিডে দেখতে চান।

আপাতত বন্ধ Twitter.now

নতুন প্ল্যাটফর্মটি চালুর পরই অবশ্য আরেক সমস্যায় পড়েছে। বর্তমানে Twitter.now ওয়েবসাইটটি অফলাইনে রয়েছে। সাইটে প্রবেশ করলে একটি বার্তা দেখানো হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে, তারা সাময়িকভাবে সেবা দিতে পারছে না এবং দ্রুত তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

বার্তায় বলা হয়েছে, ‘আমরা ডাউন। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। ইতোমধ্যে কঠিনভাবে কিছু শিক্ষা নিচ্ছি।’

সাইটটি যত দ্রুত সম্ভব আবার চালু করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বার্তার শেষে ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে লেখা হয়েছে, ‘Love you guys ।’

ফলে একদিকে ‘টুইটার’ নামের ট্রেডমার্ক নিয়ে এক্সের সঙ্গে আইনি লড়াই, অন্যদিকে নতুন প্ল্যাটফর্মের প্রযুক্তিগত সমস্যার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে Twitter.now। এখন দেখার বিষয়, পুরোনো টুইটারের ব্র্যান্ড-পরিচয় ব্যবহার করে নতুন এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আদৌ কতটা এগোতে পারে।

কালের আলো/এসএ

 

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বরফ খুঁজবে চীন, জটিলতম চন্দ্র মিশন ‘চ্যাং’ই-৭’

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বরফ খুঁজবে চীন, জটিলতম চন্দ্র মিশন ‘চ্যাং’ই-৭’

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জমে থাকা বরফের সন্ধানে নতুন অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে চীন। দেশটির এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রযুক্তিনির্ভর চন্দ্র মিশন ‘চ্যাং’ই-৭’-এর মাধ্যমে চাঁদের স্থায়ী ছায়ায় থাকা গর্তগুলোতে পানির অণু খুঁজে দেখা হবে।

রয়টার্সের ২১ আগস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন ‘লং মার্চ-৫’ রকেটের মাধ্যমে এই মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশনে থাকছে একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার এবং বিশেষ ধরনের একটি ‘হপিং প্রোব’। এই প্রোব চাঁদের এমন সব গর্তে প্রবেশ করবে, যেখানে সূর্যের আলো কখনো পৌঁছায় না।

চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এসব স্থানে তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ২০৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। ফলে সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে বরফ বা পানির অণু জমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, চাঁদে পাওয়া পানি ভবিষ্যতে মহাকাশ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। সেখান থেকে পানীয় জল ও অক্সিজেন উৎপাদনের পাশাপাশি রকেটের জ্বালানি তৈরির উপকরণও পাওয়া সম্ভব হতে পারে।

চীনের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই মিশনকে দেখা হচ্ছে। দেশটি ২০৩০ সালের আগেই চাঁদের মাটিতে নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্য নিয়েছে। এরপর ২০৩৫ সালের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে চাঁদে একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পানির সন্ধান সফল হলে ভবিষ্যতে সেখানে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতি গড়ে তোলার পথ আরও সহজ হতে পারে। চ্যাং’ই-৭ মিশন তাই শুধু পানি অনুসন্ধান নয়, চীনের ভবিষ্যৎ চন্দ্র ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনারও গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

কালের আলো/এসএ