খুঁজুন
                               
, ,
           

আড়ংয়ে বড় নিয়োগ, সেলস অ্যাসোসিয়েট পদে ৫০০ জন

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
আড়ংয়ে বড় নিয়োগ, সেলস অ্যাসোসিয়েট পদে ৫০০ জন

ব্র্যাকের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড Aarong বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ‘সেলস অ্যাসোসিয়েট’ পদে মোট ৫০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

একনজরে নিয়োগ

  • প্রতিষ্ঠানের নাম: আড়ং
  • পদের নাম: সেলস অ্যাসোসিয়েট
  • পদসংখ্যা: ৫০০
  • বেতন: ১০,০০০–১২,০০০ টাকা মাসিক
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান
  • অভিজ্ঞতা: সর্বোচ্চ ১ বছর
  • বয়স: ১৮–৩২ বছর
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ অক্টোবর ২০২৬

কর্মস্থল

বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ঢাকা (সাভার), দিনাজপুর, ফরিদপুর, ফেনী, যশোর সদর, খুলনা, কুষ্টিয়া, নোয়াখালী, রাজশাহী ও রংপুরে নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রার্থীর যোগ্যতা

প্রার্থীকে পণ্যের বৈশিষ্ট্য, সুবিধা ও যত্ন নেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পাশাপাশি ইনভেন্টরি গণনা ও ট্র্যাকিং এবং গ্রাহককে পণ্য নির্বাচনে সহায়তা ও বিক্রয় কৌশল সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।

দায়িত্ব

নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রধান কাজের মধ্যে থাকবে গ্রাহকদের অভ্যর্থনা জানানো, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য নির্বাচনে সহায়তা করা এবং পণ্যের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য দেওয়া। এ ছাড়া পয়েন্ট অব সেলস (POS) সিস্টেমে লেনদেন সম্পন্ন করা, গ্রাহকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সমস্যা সমাধান, বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দলের সঙ্গে সমন্বয় এবং ব্যাক-স্টোর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

যেভাবে আবেদন

আগ্রহী প্রার্থীদের আড়ংয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও আবেদন পেজে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ অক্টোবর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ

গাজার ১৩ বছরের কিশোরীকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘থার্টিন ইন গাজা’,টরন্টোতে জিতেছে নেটপ্যাক পুরস্কার

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
গাজার ১৩ বছরের কিশোরীকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘থার্টিন ইন গাজা’,টরন্টোতে  জিতেছে নেটপ্যাক পুরস্কার

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় একটি শরণার্থীশিবিরে বেড়ে ওঠা ১৩ বছরের কিশোরীর জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘থার্টিন ইন গাজা’ জিতেছে ৫১তম টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের (টিআইএফএফ) নেটপ্যাক পুরস্কার। ফিলিস্তিনি নির্মাতা হোসাম আবু দানের প্রথম কাহিনিচিত্র এটি।

১১ দিনব্যাপী টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসবের শেষ দিনে রোববার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম বা দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাজের মধ্য থেকে সেরা ছবিকে দেওয়া হয় নেটপ্যাক পুরস্কার।

গাজার বাস্তবতায় ১৩ বছরের রাঘাদ

‘থার্টিন ইন গাজা’ ছবির গল্প ১৩ বছরের রাঘাদকে ঘিরে। যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাবার সঙ্গে একটি শরণার্থীশিবিরে থাকা এই কিশোরী কৈশোরের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়। একই সঙ্গে তাকে মোকাবিলা করতে হয় যুদ্ধ, নিরাপত্তাহীনতা এবং ব্যক্তিগত পরিসর হারানোর বাস্তবতা।

৭৭ মিনিটের ছবিটি পুরোপুরি গাজায় স্থানীয় ফিলিস্তিনি কলাকুশলীদের নিয়ে নির্মিত হয়েছে। টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সেন্টারপিস বিভাগে ছবিটির বিশ্ব উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়।

ছবিটিকে পুরস্কৃত করার ব্যাখ্যায় নেটপ্যাক জুরি জানায়, গাজার চলমান পরিস্থিতিকে ছবিটি কেবল দুর্ভোগের প্রদর্শনী হিসেবে উপস্থাপন করেনি। বরং যুদ্ধের মধ্যেও মানুষের জীবনের নানা জটিলতা ও ব্যক্তিগত অনুভূতিকে শক্তিশালী দৃশ্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

জুরি ছবিটিকে ‘সাহসী ও জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন কণ্ঠের আগমন ঘটেছে।

পুরস্কার পাওয়ার পর নির্মাতা হোসাম আবু দান বলেন, গাজার মানুষের কণ্ঠ আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে—এটি তাঁদের জন্য গভীর গর্বের বিষয়। গাজার অসংখ্য বেদনাদায়ক গল্পের মধ্য থেকে একটি মানুষের গল্প বিশ্বের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি।

ভারতের ‘আং’ পেল প্ল্যাটফর্ম পুরস্কার

এবারের টিআইএফএফে ভারতের জন্যও এসেছে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। থেজা রিও পরিচালিত ‘আং’ জিতেছে প্ল্যাটফর্ম পুরস্কার।

ভারত–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নাগাল্যান্ডের একটি গ্রামের শেষ জীবিত প্রধানকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। চলচ্চিত্রটির বেশির ভাগ সংলাপ কোনিয়াক ভাষায়।

পুরস্কার পাওয়ার পর থেজা রিও বলেন, নিজের জন্মভূমি ও জনগোষ্ঠীর গল্প এবং তাঁদের কণ্ঠ তুলে ধরাই ছিল তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য। সেই চলচ্চিত্র নিয়ে টরন্টো এসে পুরস্কার পাওয়া তাঁর কাছে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো।

এবার প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারের গুরুত্বও বেড়েছে। প্রথমবারের মতো এই পুরস্কারজয়ী অ-ইংরেজি ভাষার ছবি অস্কারের সেরা আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে। তবে অস্কারের অন্যান্য যোগ্যতার শর্তও পূরণ করতে হবে।

দর্শকের পছন্দ ‘লা বোলা নেগ্রা’

টিআইএফএফের মূল পিপলস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে স্পেনের ছবি ‘লা বোলা নেগ্রা’। হাভিয়ের কালভো ও হাভিয়ের আমব্রোসি পরিচালিত ছবিটির গল্প বিস্তৃত ১৯৩২, ১৯৩৭ ও ২০১৭—এই তিন সময়কে ঘিরে।

স্পেনের তিন পুরুষের জীবন, ভালোবাসা, আকাঙ্ক্ষা ও যন্ত্রণার গল্পকে একই সূত্রে এনেছে চলচ্চিত্রটি। এর আগে কান চলচ্চিত্র উৎসবেও ছবিটি আলোচনায় আসে এবং সেখানে দুই নির্মাতা যৌথভাবে সেরা পরিচালকের পুরস্কার পান।

টরন্টো উৎসবের পুরস্কার গ্রহণের অনুষ্ঠানে দুই নির্মাতা উপস্থিত ছিলেন না। তাঁরা তখন স্পেনে ছবিটির প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন। তাঁদের পাঠানো বার্তা অনুষ্ঠানে পড়ে শোনানো হয়।

কানাডার সেরা ‘সানবার্ন’

সেরা কানাডীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে সারভিল পোবলেতের ‘সানবার্ন’। টরন্টোর ব্লিকার স্ট্রিট এলাকার একদল কিশোর-কিশোরীর বেড়ে ওঠার গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ছবিটি।

জুরির ভাষায়, ছবিটি প্রাণবন্ত, মজার এবং একই সঙ্গে মানবিক।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পিপলস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে সাইমন স্টোনের ‘এলসিনোর’। প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে দর্শকের পছন্দ হয়েছে ব্যারি অ্যাভরিচের ‘ডারলিন লাভ: আই নো হয়ার আ’ভ বিন’। মিডনাইট ম্যাডনেস বিভাগে দর্শকের পছন্দ হয়েছে ম্যাথিউ র‍্যানকিনের ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন, ব্রায়ান মালরনি’।

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সমালোচকদের সংগঠন ফিপ্রেসির পুরস্কার পেয়েছে আইরিশ লেখক-নির্মাতা ডেভিড টারপিনের ‘অ্যানসেস্টরস’।

১১ দিনে ২৯৪টি চলচ্চিত্র

এবারের টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ৭২টি দেশের মোট ২৯৪টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। ১১ দিনের উৎসবে ৯৮টি লালগালিচায় অংশ নিয়েছেন আট শতাধিক শিল্পী ও চলচ্চিত্রকর্মী।

এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২৭৯ জন পরিচালক উৎসবে অংশ নেন। স্বীকৃত গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ হাজার। প্রথমবারের মতো চালু হওয়া ‘টিআইএফএফ: দ্য মার্কেট’-এ অংশ নেন প্রায় ৭ হাজার প্রতিনিধি।

১০ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ১১ দিনের আয়োজন শেষ হয় রোববার। পুরস্কার ঘোষণার পাশাপাশি শেষ দিনেও দর্শকদের জন্য উৎসবের বিভিন্ন আয়োজন চালু ছিল। পিপলস চয়েজ পুরস্কারজয়ী চলচ্চিত্রগুলোর বিশেষ বিনা মূল্যের প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসবের প্রধান নির্বাহী ক্যামেরন বেইলি শেষ দিনে দর্শক উপস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, টিআইএফএফের দর্শকভিত্তি আগের মতোই শক্তিশালী এবং এবারও বিপুলসংখ্যক দর্শক উৎসবে অংশ নিয়েছেন।

কালের  আলো/এসএ

পাঁচ কারণ দেখিয়ে গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রীকে রিমান্ডে চায় পুলিশ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
পাঁচ কারণ দেখিয়ে গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রীকে রিমান্ডে চায় পুলিশ

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার আদালতে এ আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ পাঁচটি কারণ উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—মরিয়ম খাতুন ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার সময় একই বাসায় আসামিরা উপস্থিত ছিলেন কি না এবং আত্মহত্যার ঘটনায় তাদের কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা উদঘাটন করা। এছাড়া মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা অন্য কোনোভাবে সহায়তার অভিযোগে আসামিদের ভূমিকা জানার কথাও বলা হয়েছে।

এ ছাড়া মামলার পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ, তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং অজ্ঞাতনামা কোনো ব্যক্তি ঘটনায় জড়িত কি না তা শনাক্তের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সবশেষে মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্যও আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।

এর আগে রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত জুনে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মরিয়মকে বিভিন্ন বিষয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে তিনি বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছেন। এজাহারে আরও বলা হয়, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে গাজী নজরুল মরিয়মের বাবাকে ফোন করে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি মরিয়মকে একটি কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ সময় বিছানার ওপর মরিয়মের লেখা একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায় বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তাধীন।

এর আগে গত জুলাইয়ে গাজী নজরুল ও মরিয়মের ব্যক্তিগত মুহূর্তের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এরপর ২২ জুলাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুলকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা জানানো হয়।

ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেছিলেন গাড়িচালক ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান। ওই মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল। এবার মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ওবায়দুর রহমানকেও আসামি করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

নতুন রূপে রাশমিকা, ‘মাইসা’র টিজারে ভয়ংকর অ্যাকশন

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
নতুন রূপে রাশমিকা, ‘মাইসা’র টিজারে ভয়ংকর অ্যাকশন

দক্ষিণি অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দান্নাকে সাধারণত রোমান্টিক ও বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমাতেই বেশি দেখা যায়। তবে নতুন সিনেমা ‘মাইসা’র টিজারে একেবারেই ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছেন তিনি। হাতে কাস্তে, প্রতিপক্ষের সঙ্গে তুমুল লড়াই, মোটরসাইকেল চালানো কিংবা পানির নিচে অ্যাকশন—সব মিলিয়ে টিজারে নতুন এক রাশমিকাকেই দেখা গেছে।

রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে ‘মাইসা’র প্রথম টিজার। নবাগত পরিচালক রবীন্দ্র পুল্লে পরিচালিত সিনেমাটিতে রাশমিকাকে দেখা যাবে গোণ্ড জনগোষ্ঠীর এক তরুণীর চরিত্রে। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও যে নারী হার মানতে নারাজ এবং নিজের অস্তিত্বের জন্য লড়াই করে এগিয়ে যান, টিজারে সেই চরিত্রেরই ইঙ্গিত মিলেছে।

হতাশা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো

টিজারের শুরুতেই রাশমিকার চরিত্রকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ক্লান্ত, আমি থেমে গেছি, আমি হেরে গেছি।’ এরপরই বদলে যায় দৃশ্যপট। হতাশা পেছনে ফেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ান তিনি।

এরপর একের পর এক অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যায় তাঁকে। হাতে কাস্তে নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছেন, মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন, আবার পানির নিচেও একাধিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াই করছেন। টিজারের বেশ কিছু দৃশ্যে তাঁর চরিত্রের শারীরিক সক্ষমতা ও দৃঢ়তার আভাস পাওয়া গেছে।

গ্ল্যামারনির্ভর উপস্থাপনার বদলে ‘মাইসা’য় রাশমিকাকে দেখা গেছে অনেক বেশি মাটির কাছাকাছি ও কঠিন এক চরিত্রে। টিজার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিনেত্রীর নতুন অবতার নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

অ্যাকশনের জন্য কঠোর প্রস্তুতি

‘মাইসা’র চরিত্রের জন্য রাশমিকাকে শারীরিকভাবে কঠোর প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। শুটিংয়ের সময় গুরুতর চোটও পেয়েছিলেন অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় তাঁর টেনডন—পেশিকে হাড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখা টিস্যু—ছিঁড়ে যায়।

চোটটি বেশ যন্ত্রণাদায়ক হলেও কাজ থামাননি অভিনেত্রী। প্রকাশিত টিজারে তাঁর অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতেই সেই প্রস্তুতির ছাপ দেখা যাচ্ছে।

টিজারের প্রতিক্রিয়ায় দর্শকদের অনেকেই রাশমিকার অ্যাকশন অবতারের প্রশংসা করেছেন। ইউটিউবে এক দর্শক মন্তব্য করেছেন, নারীকেন্দ্রিক সিনেমায় এমন উপস্থাপনাই প্রত্যাশিত। আরেকজনের মতে, এই সিনেমায় রাশমিকাকে গ্ল্যামারের চেয়ে অভিনয় ও চরিত্রের শক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী

‘মাইসা’য় রাশমিকার সঙ্গে অভিনয় করেছেন ঈশ্বরী রাও, গুরু সোমসুন্দরম, রাও রমেশ, রাহুল রবীন্দ্রন, সামুথিরাকানি, শিবা কন্দুকুরি, কার্তিক রঞ্জিনি, তারক পন্নাপ্পা ও নিধি সিং।

সিনেমাটি আগামী ২৭ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। তেলেগু, হিন্দি, তামিল, কন্নড় ও মালয়ালম—পাঁচ ভাষায় মুক্তি পাবে ‘মাইসা’।

রাশমিকাকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘ককটেল ২’ সিনেমায়। ১৯ জুন মুক্তি পাওয়া হিন্দি রোমান্টিক কমেডি-ড্রামাটিতে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন শহীদ কাপুর ও কৃতি শ্যানন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

কালের আলো/এসএ